ফটিকছড়িতে উপজেলা নির্বাচনের হাওয়া,আ.লীগ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন কারা।

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশব্যাপী নির্বাচন কমিশন ঘোষিত আগামী উপজেলা নির্বাচনে হাওয়া বইতে শুরু করেছে চট্টগ্রাম জেলার বৃহত্তরও ফটিকছড়ি উপজেলার আনাচে কানাচে, সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই গ্রামেগঞ্জে হাওয়া এসে লাগলো উপজেলা নির্বাচনের। 

গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়িতে বিজয়ী হন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবেক সাংসদ রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খাদিজাতুল আনোয়ার সনি তার নিকটতম প্রতিদন্ধী ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করা হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব,সে-সময় দৃশ্যমান কোন দলীয় নেতাকর্মী আবু তৈয়বের পক্ষে মাটে দেখা নাগেলেও একযোগে নৌকা প্রতিকে কাজ করেছেন দুই পৌরসভার মেয়র ও অধিকাংশ ইউপি চেয়ারম্যানসহ দলীয় ব্যানারের অধিকাংশ সিনিয়র জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সবার আশা ছিল যদি দলীয় এমপি পেয়ে যায় তাহলে তাদের ত্যাগের মুল্যায়ন সরুপ হেভিওয়েট প্রার্থীরা নৌকা পাওয়ার দৌঁড়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে থাকবে। সেই হিসেবে সবাই নবনির্বাচিত দলীয় এমপিকে সর্বাত্মক সহযোগিতাসহ এলাকায় প্রচুর সময় শ্রম দিছেন ও দিয়েই আসছেন।

স্হানীয় সুত্রমতে জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব সতন্ত্র সাংসদ প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করায় অনেকটা নিশ্চিত তিনি আর উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না, সে সুবাদে এতদিন পর্যন্ত নৌকা প্রতিক দৌঁড়ে এগিয়ে ছিলেন গতবারের বিজিত প্রার্থী ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন মুহুরী,উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য সৈয়দ বাকের, সহসভাপতি আবদুল কাইয়ুম, চেয়ারম্যান শাহীন, পাশাপাশি নাম আসে জেলা পরিষদ সদস্য আকতার মাহমুদ পারভেজ , যুবনেতা খাইরুল বশর, জেবুন নাহার মুক্তা সহ অনেকের নাম।

নির্বাচন কমিশন কতৃক ঘোষিত ও দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছেনা, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নৌকা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই হাওয়া পাল্টে যেতে শুরু করে ফটিকছড়িতে।
হঠাৎ করে আলোচনায় চলে আসেন এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনির কাছের মানুষ হিসেবে পরিচিত সাবেক উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমান উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বখতিয়ার সাইদ ইরান।

অপেক্ষাকৃত তরুণ হিসেবে যুব সমাজের মডেল হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত। ভদ্র নম্র ও বিনয়ী হিসেবে তার আলাদা একটা সুনাম রয়েছে পথে প্রান্তরে। বিগত রাজনৈতিক জীবনে তার ক্যারিয়রে কোনো কলঙ্ক নেই। ক্লিন ইমেজ হিসেবে ওপরের মহলেও আলাদা একটা সুনাম রয়েছে তার। সব কিছু মিলিয়ে ভোটের মাঠের অবস্থান অন্যদের চেয়ে আলাদা বলে মনে করেন জনগণ।
অন্য দিকে ৮০/৯০ দশকের রাজনীতির জন্য ত্যাগ স্বীকার করা সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন মুহুরীও রয়েছে হিসাব নিকেশে। বিগত দ্বাদশ জাতীয় সংসদে শক্ত একটা ভূমিকা ছিল তার। দীর্ঘদিন দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসা মুহুরী উপজেলা জুড়ে রয়েছে তার জনসমর্থন আছে ভোট ব্যাংকও।

অন্য দিকে সৈয়দ বাকেরের রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী। কর্মী বান্ধব হিসেবে রয়েছে আলাদা একটা পরিচিতি। সবকিছু চাপিয়ে সবাই তাকিয়ে আছে হাইকমান্ডের বিবেচনার দিকে।
এছাড়াও আরো প্রার্থী তালিকায় আছেন সাদ আনোয়ার সাদী,আবু তালেব বুলবুল, ছালামত উল্লাহ চৌধুরী শাহীন, এডভোকেট উত্তম কুমার মহাজন সহ আরো অনেকে।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে শোনা যাচ্ছে মহিলা পদে উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী রাজিয়া মাসুদ, শারমিন নূপুর সহ আরো কয়েকজন। তবে মূল তালিকা হতে সটকে পরলে অনেকেই ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে পারে বলে শুনা যাচ্ছে।
দু একটা গোপন বৈঠকও চলেছে বলে এলাকা সূত্রে জানা যায়। তবে ফলাফল অজানা।

বুলেটের গতিতে এগিয়ে চলা চট্টগ্রামে সরাসরি ভোটে জিতে আসা প্রথম নারী এম পি খাদিজাতুল আনোয়ার সনির রয়েছে কিছু হিসাব নিকাশ। কিছু অংক।  তার সিদ্ধান্তেও অনেক কিছু উলোটপালোট হতে পারে বলে সবাই আশাংকা করছে।মোটামুটি পুরো উপজেলায় চলছে সবার মাঝে চাপাগুন্জন। কে হবে আগামীর উপজেলা চেয়ার এর মালিক।
এরমধ্যেই রয়েছে মার্চের ৯ তারিখ দক্ষিণ ফটিকছড়ির ২ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। সেটার ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু।
সংসদ সদস্য সনির নিজের ইউনিয়ন হিসেবে রয়েছে বাড়তি চাপ। ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন তার চাচা শিল্পপতি রৌশন। প্রার্থী হচ্ছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর কাছের লোক হিসেবে পরিচিত বর্তমান চেয়ারম্যান শফিউল আজম। রয়েছে আ.লীগ নেতা রাশেদ কোম্পানি। ওপরদিকে আছে খিরাম ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। নৌকা প্রতিক না থাকায় সেখানেইও একাধিক প্রার্থীর নাম আসতেছে। তার মধ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান সৌরভ, আওয়ামী লীগ নেতা শহীদসহ অনেকে।
মোটামুটি সবমিলিয়ে বৃহত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা এখন নির্বাচনী হাওয়ায় সরগরম বললেই চলে। এখন সবার চোখ কে হচ্ছেন আগামীর উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী ও উপজেলা চেয়ারম্যান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এনসিটি ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা স্পষ্ট করতে হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দিলে দেশের কী লাভ হবে, তা সরকারকে জনগণের কাছে স্পষ্ট করতে হবে। একইভাবে এনসিটি ইজারা দেওয়া হলে দেশের কী ধরনের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়েও সরকারের সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে সংলাপের প্রয়োজন রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটি আহূত আগামী ৫ অক্টোবর দিনব্যাপী বন্দর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জাতীয় ফেডারেশন ও বেসিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রয়োজনে সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় সংলাপ আয়োজনের আহ্বান জানান।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার।সঞ্চালনা করেন কমিটির সদস্যসচিব ফজলুল কবির মিন্টু।সভা থেকে আগামী ৫ অক্টোবর বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিতে সর্বস্তরের শ্রমিক, জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র। বন্দরের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতি ও বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের স্বার্থ জড়িত। তাই বন্দরের ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনায় জাতীয় স্বার্থের পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বক্তারা ৫ অক্টোবরের অবস্থান কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন জাতীয় ফেডারেশন, বেসিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান। তবে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলনকে সরকার দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করলে তা ভুল হবে। সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। প্রয়োজনে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অবরোধ ও হরতালের মতো কর্মসূচিও ঘোষণার কথা জানান তারা।
সভায় আলোচনায় অংশ নেন টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি তপন দত্ত, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বন্দর সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এসকে খোদা তোতন, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শ ম জামাল উদ্দিন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল খান,

জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সভাপতি মো. হারুন ও সাধারণ সম্পাদক তসলিম হোসেন সেলিম, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল বাতেন, সহ-সম্পাদক ইব্রাহীম ফরাজি, বিএফটিইউসির সভাপতি আনোয়ারুল হক হুনি, বাংলাদেশ লেবার ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু আহমেদ মিয়া, বন্দর উইঞ্চ ক্রেন অপারেটর সমিতির নেতা ইমাম হোসেন স্বপন, বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম, কমিউনিটি সেন্টার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. পারভেজ, চট্টগ্রাম যুব ট্রেড ইউনিয়ন নেটওয়ার্কের সদস্যসচিব হাসিবুর রহমান বিপ্লব, লুৎফুন্নাহার সোনিয়া, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের নেতা হেলাল উদ্দিন কবির, ইমান আলী জানুসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আগামী মাসে যুক্ত হচ্ছে আরও ১টি আন্তঃনগর ট্রেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনে যাতায়াতের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই রুটে আগামী মাসে আরও একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করা মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে নতুন রুটে ট্রেনটি চলাচল শুরু করতে পারে। বর্তমানে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করছে।

এদিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের ট্রেনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বর্তমানে দুই জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করলেও একটি মাত্র রেক দিয়ে চারটি ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। ফলে প্রায়ই সময়সূচিতে বিঘ্ন ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সুজিত বিশ্বাস বলেন, কক্সবাজার রুটে বিপুল যাত্রীর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে মহানগর এক্সপ্রেসকে কক্সবাজার পর্যন্ত চালানোর প্রস্তুতি চলছে। এতে যাত্রীরা আরও স্বস্তি ও নিরাপদে পর্যটন শহরে যাতায়াত করতে পারবেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের আয়ও বাড়বে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টায় ছেড়ে সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাতে পারে। ফিরতি ট্রেনটি সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে যেতে সময় লাগতে পারে প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা। বর্তমানে মহানগর এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। পথে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও কুমিরাসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রাবিরতি রয়েছে। কক্সবাজার পর্যন্ত রুট বাড়ানো হলে এসব এলাকার যাত্রীরাও সরাসরি পর্যটন নগরীতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।তবে রুট সম্প্রসারণের আগে কক্সবাজারে ট্রেনটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নতুন রুটে চলাচলের সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতাগুলো পর্যালোচনা করছে রেলওয়ে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ