আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আবাসন সঙ্কট ও পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের লক্ষে নদী খনন এর কাজ চলমান।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার আবাসন সঙ্কট নিরসনের পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। জলবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ড্রেনেজ নির্মাণ ও শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহমান নদী খনন করে নদীর উভয় তীরে নির্মাণ করা হচ্ছে রাস্তা। এই রাস্তা নির্মাণের ফলে রাস্তা নির্মাণের ফলে আবাসন ও শহরের যানজট সমস্যা দূর হবে।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া শহরকে পৌরসভা ঘোষণা দেয়া হয়। ধাপে ধাপে সি গ্রেড থেকে বি গ্রেড এবং কুড়ি বছরের মাথায় তৃতীয় ধাপে এ গ্রেডে উন্নিত হয়। গ্রেড উন্নয়ন হলেও পৌরসভার কাঙ্খিত কোন উন্নয়ন হয়নি। বাড়েনি নাগরিক সুযোগ সুবিধা।

১০.৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের কুলাউড়া পৌরসভার ২০০১ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ছিলো ২০ হাজার ৯৩৪ জন। এর মধ্যে মহিলা ১০ হাজার ৯৩৮ জন এবং পুরুষ ৯ হাজার ৯৯৬ জন। পৌরসভায় ৩৯০২ টি পরিবার বাস করে। কিন্তু এসবই কাগজে কলমে। সর্বশেষ ২০২১ সালের পৌর নির্বাচনের তথ্য অনুয়ায়ী কুলাউড়া পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২০ হাজার ৭৫৯। আর জনসংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে কয়েক লাখে উন্নিত হয়েছে। জনসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আয়তন। ফলে আবাসন সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করে।

পৌরসভার প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মাণের কাজের পাশাপাশি পৌরসভার ভেতর দিয়ে প্রবাহমান নদী খননের কাজ চলছে। এতে শহরের জলাবদ্ধতা দূর হবে। মেয়রের নির্বাচন পূর্ব পরিকল্পিত নগরীর প্রতিশ্রæতিও বাস্তবায়ন হবে। উছলাাপাড়া ও বাদেমনসুর এলাকায় রাস্তার অভাবে বিশাল এলাকা এখনও কৃষি জমি। শুধুমাত্র নদীর উভয় তীরকে রাস্তা বানালে সেই এলাকাগুলোতে গড়ে উঠবে আবাসন।

কুলাউড়া পৌরসভার অধ্যক্ষ মেয়র সিপার উদ্দিন জানান, কুলাউড়া পৌরসভার উছলাপাড়া-মাগুরা ও বাদেমনসুর এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মরা গুগালী খালের উভয় পাড়ে নির্মাণ হচ্ছে রাস্তা। নির্মিত রাস্তাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় গড়ে উঠবে নতুন আবাসিক এলাকা। এই খালকে লেকে পরিনত করারও পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ফলে পৌরসভার সৌন্দর্য্য বর্ধন ও যানজট অনেকাংশে কমবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ