আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

আবাসন সঙ্কট ও পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের লক্ষে নদী খনন এর কাজ চলমান।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার আবাসন সঙ্কট নিরসনের পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। জলবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ড্রেনেজ নির্মাণ ও শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহমান নদী খনন করে নদীর উভয় তীরে নির্মাণ করা হচ্ছে রাস্তা। এই রাস্তা নির্মাণের ফলে রাস্তা নির্মাণের ফলে আবাসন ও শহরের যানজট সমস্যা দূর হবে।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর মৌলভীবাজারের কুলাউড়া শহরকে পৌরসভা ঘোষণা দেয়া হয়। ধাপে ধাপে সি গ্রেড থেকে বি গ্রেড এবং কুড়ি বছরের মাথায় তৃতীয় ধাপে এ গ্রেডে উন্নিত হয়। গ্রেড উন্নয়ন হলেও পৌরসভার কাঙ্খিত কোন উন্নয়ন হয়নি। বাড়েনি নাগরিক সুযোগ সুবিধা।

১০.৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের কুলাউড়া পৌরসভার ২০০১ আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ছিলো ২০ হাজার ৯৩৪ জন। এর মধ্যে মহিলা ১০ হাজার ৯৩৮ জন এবং পুরুষ ৯ হাজার ৯৯৬ জন। পৌরসভায় ৩৯০২ টি পরিবার বাস করে। কিন্তু এসবই কাগজে কলমে। সর্বশেষ ২০২১ সালের পৌর নির্বাচনের তথ্য অনুয়ায়ী কুলাউড়া পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ২০ হাজার ৭৫৯। আর জনসংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে কয়েক লাখে উন্নিত হয়েছে। জনসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আয়তন। ফলে আবাসন সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করে।

পৌরসভার প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে পৌরসভার ড্রেনেজ নির্মাণের কাজের পাশাপাশি পৌরসভার ভেতর দিয়ে প্রবাহমান নদী খননের কাজ চলছে। এতে শহরের জলাবদ্ধতা দূর হবে। মেয়রের নির্বাচন পূর্ব পরিকল্পিত নগরীর প্রতিশ্রæতিও বাস্তবায়ন হবে। উছলাাপাড়া ও বাদেমনসুর এলাকায় রাস্তার অভাবে বিশাল এলাকা এখনও কৃষি জমি। শুধুমাত্র নদীর উভয় তীরকে রাস্তা বানালে সেই এলাকাগুলোতে গড়ে উঠবে আবাসন।

কুলাউড়া পৌরসভার অধ্যক্ষ মেয়র সিপার উদ্দিন জানান, কুলাউড়া পৌরসভার উছলাপাড়া-মাগুরা ও বাদেমনসুর এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মরা গুগালী খালের উভয় পাড়ে নির্মাণ হচ্ছে রাস্তা। নির্মিত রাস্তাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় গড়ে উঠবে নতুন আবাসিক এলাকা। এই খালকে লেকে পরিনত করারও পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ফলে পৌরসভার সৌন্দর্য্য বর্ধন ও যানজট অনেকাংশে কমবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা। ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার পর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরেও উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।   জবাবে ২৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই  ধাক্কা৷ খায়  পাকিস্তান।

সালমানের ব্যাটে যখন পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই  তাসকিন আহমেদের  দুর্দান্ত এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে সালমান সাজঘরে ফিরেন।পাকিস্তান শেষ হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায়।

 

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ