আগামীকাল ৩ দিনের সফরে সাজেক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার।

ঢাকা অফিস:

রাঙ্গামাটি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামীকাল শনিবার ৩ দিনের সফরে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতি সেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করবেন। মেঘ পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালি আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত।

রাষ্ট্রপতির এ সফর ঘিরে সাজেকে নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থাও প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কোনোটাই বন্ধ থাকবে না বলেও জানান তিনি। ভ্রমনকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাজেকের গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবেন। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক আরো বলেন, রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে কটেজ, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ভ্রমণকারী অন্য পর্যটকদের সঙ্গেই সাজেকের প্রকৃতি উপভোগ করবেন রাষ্ট্রপতি। তবে রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১০-১২ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক সফর করবেন। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের গমনাগমনের প্রশাসনিক, আবাসন ও প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন দিন রাষ্ট্রপতির সাজেক সফরের সিডিউল থাকলেও পরে অনিবার্য কারণবশত’ সফরটি স্থগিত করা হয়। ওই সফরকে কেন্দ্র করে ১৮-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ দিন সাজেকের সব কটেজ-রিসোর্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সাজেক কটেজ মালিক সমিতি। তবে এবার ১০-১২ ফেব্রুয়ারির সাজেকে কটেজ, রিপোর্ট, রেষ্টুরেন্ট পর্যটকদের জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়েছে বলে জানান, সাজেক কটেজ মালিক সমিতি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামে পেশেন্ট ফোরাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দরনগরীর সর্ববৃহৎ হাসপাতাল এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম বিশ্ব স্ট্রোক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আজ (২৯ অক্টোবর) একটি পেশেন্ট ফোরাম ও সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করছে।

বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘এভরি মিনিট কাউন্টস’ কে সামনে রেখে অ্যাক্ট-ফাস্ট ক্যাম্পেইন শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মূলত স্ট্রোকের লক্ষণ সহজে চেনা এবং রোগীকে তাৎক্ষণিক জরুরি চিকিৎসার আওতায় আনাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।

এ প্রসঙ্গে, এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের চিফ অপারেটিং অফিসার বিনয় কাউল বলেন, “স্ট্রোক এমন একটি জরুরি অবস্থা, যেখানে সময়ই সবচেয়ে বড় বন্ধু ও শত্রু হতে পারে। রোগীকে নিয়ে দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছালে তার সুস্থতার সম্ভাবনা বাড়বে, এবং দেরি করলে বাড়বে ঝুঁকি। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ সম্পর্কে ভালোভাবে জানা ও করণীয় সম্পর্কে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আমরা বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষ্যে এই পেশেন্ট ফোরাম ও র‍্যালি আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন করতে পারবো বলে আশা করছি।”

এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশ-এর মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, “এ বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে স্ট্রোকের ক্ষেত্রে প্রতিটি মিনিটই অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। লক্ষণ বুঝতে দেরি হলে রোগীর সুস্থ হওয়া, এমনকি বেঁচে থাকার সুযোগও কমে যায়। আসুন সবার সম্মিলিত উদ্যোগে আমরা সাধারণ জনগণকে স্ট্রোক নিয়ে আরও সচেতন করে তুলি।”

এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. মোঃ আনিসুল ইসলাম খান বলেন, স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছালে সার্জিক্যাল ইন্টারভেনশন বা থ্রম্বোলাইসিসের মতো চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বাড়ানো সম্ভব। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ শনাক্ত করা এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের নিউরোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. সোমেন চৌধুরী বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতি চারজনের একজন স্ট্রোকের ঝুঁকিতে থাকেন। মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত-পা নিস্তেজ অনুভব করা, কথা জড়িয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণগুলো সাধারণত স্ট্রোককে ইঙ্গিত করে। স্ট্রোক হলে প্রতি মিনিটেই মস্তিষ্কের কোষ নষ্ট হতে থাকে। সময়মতো হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিলে রোগীর প্রাণ বাঁচানো ও সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে—এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতেই এই আয়োজন।

পেশেন্ট ফোরামে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামের চিফ অপারেটিং অফিসার বিনয় কাউল; মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির; নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. মোঃ আনিসুল ইসলাম খান; নিউরোসার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আমিনুর রহমান (আজাদ); নিউরোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট এন্ড কোঅর্ডিনেটর ডা. সোমেন চৌধুরী ও ডাঃ মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী, এ্যাটেন্ডিং কনসালট্যান্ট – নিউরোলজি।

পেশেন্ট ফোরাম শেষে আগত অতিথি, চিকিৎসক, মেডিকেল স্টাফস, রোগীর স্বজন ও স্থানীয়দের অংশগ্রহণে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

সুকন্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদের নজরুল বর্ষ পালন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর আন্দরকিল্লাস্হ একটি হলরুমে ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকাল ৫ ঘটিকায় সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ এর উদ্যোগে নজরুল বর্ষ ২০২৬ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি অরুণ নাথের সভাপতিত্বে সম্মানিত আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টিভি’র সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ ও শিল্পী সুবর্না দাশ। বিদ্যার্থী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিল্পী রুবেল চৌধুরী, নজরুল বর্ষ বিভিন্ন দিক আলোকপাত করেন সাংস্কৃতিক অনুরাগী পম্পী দে,সম্মানিত আলোচক সুব্রত দাশ অনুজ তাঁর বক্তব্যে বলেন নজরুল অসাম্প্রদায়িক কবি, নজরুলের লেখা গান,কবিতা, গল্প, উপন্যাস যুগ যুগ ধরে গবেষনা করলে ও শেষ হবে না অসাধারণ পান্ডিত্যের জন্য দেশ – বিদেশে প্রশংসা অর্জন করেন। শিল্পী সুর্বণা দাশ বলেন কাজী নজরুল ইসলাম মানুষের মাঝে যুগ যুগ ধরে বেঁচে থাকবেন তাঁর সৃষ্টি কর্মের জন্য। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে অরুণ নাথ বলেন কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবিতা লিখে কারাগারে বন্ধী ছিলেন, তাঁর পর ও থেমে থাকেনি নজরুলের চিন্তা চেতনা সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে পরুক। দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী সজীব চৌধুরী, আনিকা দাশ চৌধুরী, রুবেল চৌধুরী, সূর্বণা দাশ, লিজা দাশ, অর্ঘ্যদীপ সরকার,স্মৃতি দে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার সুপ্রিয়া চৌধুরী, শিক্ষিকা উর্বশী চক্রবর্তী, শিক্ষক আশীষ চৌধুরী প্রমুখ।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ