আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

আগামীকাল ৩ দিনের সফরে সাজেক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার।

ঢাকা অফিস:

রাঙ্গামাটি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামীকাল শনিবার ৩ দিনের সফরে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতি সেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অবস্থান করবেন। মেঘ পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালি আয়তনে দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে অবস্থিত।

রাষ্ট্রপতির এ সফর ঘিরে সাজেকে নিñিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থাও প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মো. মোশারফ হোসেন খান। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের রিসোর্ট, কটেজ, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট কোনোটাই বন্ধ থাকবে না বলেও জানান তিনি। ভ্রমনকালে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাজেকের গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করবেন। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক আরো বলেন, রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে কটেজ, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ভ্রমণকারী অন্য পর্যটকদের সঙ্গেই সাজেকের প্রকৃতি উপভোগ করবেন রাষ্ট্রপতি। তবে রাষ্ট্রপতির সফরকালে সাজেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১০-১২ ফেব্রুয়ারি রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক সফর করবেন। এ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও তার সফরসঙ্গীদের গমনাগমনের প্রশাসনিক, আবাসন ও প্রয়োজনীয় যানবাহনের ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিন দিন রাষ্ট্রপতির সাজেক সফরের সিডিউল থাকলেও পরে অনিবার্য কারণবশত’ সফরটি স্থগিত করা হয়। ওই সফরকে কেন্দ্র করে ১৮-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ দিন সাজেকের সব কটেজ-রিসোর্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় সাজেক কটেজ মালিক সমিতি। তবে এবার ১০-১২ ফেব্রুয়ারির সাজেকে কটেজ, রিপোর্ট, রেষ্টুরেন্ট পর্যটকদের জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়েছে বলে জানান, সাজেক কটেজ মালিক সমিতি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চবির নতুন উপাচার্য। 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।তিনি  দীর্ঘ তিন দশকের বেশি  শিক্ষকতা, গবেষণা ও একাডেমিক নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে আসীন হচ্ছেন।

বাংলাদেশ সচিবালয়ে  আজ সোমবার ১৬ মার্চ  এক প্রেস ব্রিফিংয়ে চবির নতুন উপাচার্যের নাম ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

 ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকানশি

ক্ষকতা জীবনের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার।

******************************

ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও অধ্যাপক। তিনি চবির উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) ও এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৯৩ সালে একই বিভাগের প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রেও তাঁর রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য। তিনি যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইন্ডিকা ধানের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ক গবেষণার ওপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা এবং অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ কাউন্সিলে তেলবীজের গুণগত মান উন্নয়ন নিয়ে পোস্টডক্টরাল গবেষণা সম্পন্ন করেন।

এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিসে ভিজিটিং প্রফেসর ও গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য তিনি ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (IDB)-এর মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি লাভ করেন।

২০০৪ সালে তাঁর উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর উদ্যোগে বিভাগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ফাংশনাল জেনোমিক্স অ্যান্ড প্রোটিওমিক্স ল্যাবরেটরি (FGPL) এবং অত্যাধুনিক সুবিধাসম্পন্ন স্বয়ংক্রিয় জলবায়ু নিয়ন্ত্রিত গ্রিনহাউস।

 

এই ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ সিকোয়েন্সার, আরটি-পিসিআর, জিন পালসারসহ অত্যাধুনিক গবেষণা যন্ত্রপাতি রয়েছে। ফলে উদ্ভিদ টিস্যু কালচার ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, প্রোটিওমিক্স, জেনোমিক ও ট্রান্সক্রিপ্টোমিক বিশ্লেষণ, মানব ও অন্যান্য রোগের গবেষণা, মাইক্রোবায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্সসহ জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নত গবেষণা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে।

 

২০১৯ থেকে ২০২২ সালের করোনা মহামারির সময় তিনি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ কার্যক্রমে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। ৩১ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে ড. আল-ফোরকানের প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ৫১টি। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস-এর প্রধান সম্পাদক হিসেবেও কাজ করেছেন।

গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি ইউএসডিএ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিসিসিটিসহ (BCCT), শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গারেই (GARE), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পসহ দেশি-বিদেশি স্বনামধন্য সংস্থা থেকে ৫০টিরও বেশি গবেষণা অনুদান অর্জন করেছেন। গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে তিনি ৩৯ জন এমএস শিক্ষার্থীর থিসিস, সাতজন এম.ফিল গবেষক এবং একজন পোস্টডক্টরাল গবেষকের গবেষণা তত্ত্বাবধান করেছেন।

এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী ফোরামের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ঢাবি,র উপাচার্য  হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের  নতুন উপাচার্য  হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

১৬ মার্চ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন  নিশ্চিত করেছেন।এর আগে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। এরই মধ্যে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকেপদত্যাগপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। গত ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ