আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

অমর একুশে

কবি--ডাঃ উদয় শংকর রায়(উত্তমকুমার)

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একুশ মোদের জন্ম মৃত্যু,
একুশ আমাদের অহংকার।
হৃদয় জুড়ে রয়েছে রফিক,
সালাম,বরকত কত আর?
বাংলা ভাষার দাবীতে,
সেদিন বাংলা রক্তস্নাত হল।
বিনিময়ে বীর শহীদদেরা,
তাঁরা কি প্রতিদান পেল?
বাংলা ভাষা সুরক্ষায় যাঁরা,
করেছিল আত্ম বলী দান।
জীবন বাজি রেখে ভাষা শহীদেরা,
সমুন্নত রাখলো বাংলা ভাষার মান।
ভাষা সৈনিকদের ভুলিনি কখনো,
তাঁদের কভূও যাবেনা ভুলা।
তাঁরা চিরদিন সবার মানসপটে,
সমূজ্বল থেকে হৃদয়ে দেবে দোলা।
ইউনেস্কোর প্র-ঘোষিত আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবস অমর একুশে ফেব্রুয়ারী।
এহেন সুমহান দিবস কী,
আমরা কখনো ভুলিতে পারি?
ভুলিতে গেলে কভূও তা যাবেনা ভুলা,
দিনটি হৃদয় দ্বারে বারে বারে দেয় দোলা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিশুরাই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে হবে। যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ হতে সাহায্য করে না, তা কুশিক্ষা। জে.এম সেন হল প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও বিবেকানন্দ সঙ্গীত নিকেতনের বার্ষিক অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন।

তারা আরো বলেন, শিক্ষার বিস্তার ও সংস্কৃতির প্রসার একটি জাতিকে সভ্য জাতিতে পরিনত করে। বিবেকানন্দ বিদ্যানিকেতন ও সঙ্গীত নিকেতন এই গুরু দায়িত্ব পালন করছে। স্কুল পরিচালনা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দুলাল কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশন ও সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী শক্তিনাথানন্দজী মহারাজ, প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজসেবী অজয়কৃষ্ণ দাশ মজুমদার, বিশেষ অতিথি শিক্ষাবিদ প্রফেসর রীতা দত্ত, শিক্ষানুরাগী মিহির কান্তি নাথ।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান সম্পাদক তাপস হোড়, অন্যানদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নারায়ন চৌধুরী। প্রিয়ম কৃষ্ণ দে’র উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে ছিল চিত্রপ্রদর্শনী, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও শিশু শিল্পীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্যানুষ্ঠান।

ক্রীড়ার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত : চবি উপাচার্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বুধবার সকাল ১০টায় চবি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও চবি কেন্দ্রীয় ক্রীড়া কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ কামাল উদ্দিন।উদ্বোধনকালে চবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের মোবাইলে আসক্ত না হয়ে খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সহ-শিক্ষা কার্যক্রমকে আমরা সব সময় উৎসাহিত করি। খেলাধুলা এর মধ্যে অন্যতম। খেলাধুলা করলে মন-মানসিকতা ভালো থাকবে। তিনি বলেন, ক্রীড়ার জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে পরিচিত।

এজন্য শুধু আজকের দিনে নয়, সব সময় শরীরচর্চা, খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিয়োজিত রাখবে প্রত্যাশা করি।আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী ও আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান। অনুষ্ঠানে চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুর রহমান জালাল উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, উপ-উপাচার্যদ্বয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, ব্যবসায় প্রশাসন ও আইন অনুষদের ডিন ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অলিম্পিক পতাকা এবং সোহরাওয়ার্দী হলের প্রভোস্ট হল পতাকা উত্তোলন করেন। মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ রাকিব হাসান রাজু। বিচারকদের পক্ষে প্রফেসর ড. আবু নছর মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ এবং ক্রীড়াবিদদের পক্ষে হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ কবির হাসান শুভকে উপাচার্য শপথ বাক্য পাঠ করান।

সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. আবুল বাশারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়াবিদদের মার্চপাস্ট। হলের পতাকা বহন করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ মো. নুরুন্নবী সোহান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি নেয়ামত উল্লাহ ফারাবী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাকিব আহমেদ ও সোনিয়া পারভীন লাকি । প্রথম ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদ্বয় পুরষ্কার বিতরণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক, সোহরাওয়ার্দী হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, চাকসুর প্রতিনিধিবৃন্দ, সোহরাওয়ার্দী হল সংসদের ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, ক্রীড়ামোদী শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ