আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

বিশ্বের যে তিন দেশে মসজিদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বে এমন কোনো দেশ নেই যেখানে মুসলিম ও খ্রিস্টান নেই। কারণ বর্তমান বিশ্বে খ্রিস্টানদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তারপর মুসলিম। তবে ইউরোপের গবেষকরা বলছেন যে হারে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে তাতে আগামী ৫০ বছরে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ইসলামী ধর্মের অনুসারীদের সংখ্যা হবে।

তবে পৃথিবীর সব দেশে এই দুই ধর্মের মানুষের দেখা মিলে। তবে হাতে গোনা মাত্র তিনটি দেশে এখনো গড়ে উঠেনি কোনো মসজিদ। কারণ এই তিন দেশের সরকার মসজিদ নির্মাণে অনুমতি দেয়নি।

এই তিন দেশে অনেক মুসলিমের বসবাস করে। অথচ, দেশে তিনটিতে নেই একটিও মসজিদ। বহুবার তারা আবেদন করেছেন, তাদের নামাজের জন্য এলাকায় একটি মসজিদ হোক। কিন্তু কার্যত কিছু হয়নি। যে তিন দেশে এমন ঘটেছে?

পৃথিবীর সর্বত্র মুসলিম আর খ্রিস্টানদের দেখা মেলে। আর যখনই কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের জনগোষ্ঠীর সংখ্যা একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় এসে পৌঁছায়, তখনই তারা সমবেতভাবে ধর্মীয় আচার-আচরণ পালনের জন্য একটি ধর্মস্থানের কথা ভাবেন। কিন্তু এই কয়েকটি জায়গায় মুসলিমেরা কোনো দিনই তাদের জন্য কোনো মসজিদের ব্যবস্থা করতে পারেননি।

এই ধরনের দেশের তালিকায় একেবারে উপরের দিকেই রয়েছে স্লোভাকিয়া। চেকোস্লোভাকিয়া থেকে ভেঙে বেরিয়েছে স্লোভাকিয়া। এখানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা অন্তত ৫,০০০। দেশের মোট জনসংখ্যার তুলনায় তা ০.১ শতাংশ। এখানকার জনগোষ্ঠী বহুবার মসজিদের দাবি তুলেছে। এই নিয়ে ২০০০ সাল নাগাদ এখানে বহু বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তবে ২০১৬ সালে সেখানে একটি আইন পাস হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, এ দেশের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নির্দিষ্ট করা হবে না।

এরকম আরেকটি দেশ হলো এস্তোনিয়া। ২০১১ সালের জনগণনায় জানা গিয়েছিল, এদেশে প্রায় ১৫০৮ জন মুসলিমের বাস। সংখ্যাটা সারা দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ০.১৪ শতাংশ। অথচ এদেশে আপনি একটিও মসজিদ দেখতে পাবেন না! তবে এদেশে ফ্ল্যাটে নামাজ পড়ার প্রচলন হয়েছে।

আর একটি দেশ রয়েছে মোনাকো। এখানেও বিপুলসংখ্যক মুসলিম জনগোষ্ঠীর বাস। কিন্তু এখানেও কোনো মসজিদ নেই। সূত্র : জি নিউজ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে কারবালার শোকাবহ ঘটনা স্মরণে চট্টগ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে শোক মজলিস ও শোক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ইমাম হোসাইন (আ.)-এর আত্মত্যাগের আদর্শ তুলে ধরার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, বিশ্ব শান্তি এবং জঙ্গিবাদ-উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া র‌্যালীতে শোকাবহ কারবালার নানা ঘটনাবলি তাজিয়া, প্রতীকী কফিন, পতাকা, স্লোগান, মাতম ও কথামালায় তুলে ধরেন। শুক্রবার নগরের সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহ থেকে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে শোক মিছিল বের হয়। মিছিলটি নিউমার্কেট, জিপিও, কোতোয়ালী মোড়সহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে এসে শেষ হয়।

শোক মিছিলে শত শত নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোর অংশ নেন। তারা ইমাম হোসাইন (আ.)-এর প্রতীকী কফিন ও বিভিন্ন লেখা সম্বলিত পতাকা (আলাম) বহন করেন। মিছিলজুড়ে কারবালার শহীদদের স্মরণে নওহা ও মার্সিয়া পাঠ করা হয়। ‘ইয়া হোসাইন’ ও ‘লাব্বাইক ইয়া হোসাইন’সহ বিভিন্ন শোকধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে মাসায়েব মজলিস অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুজ্জাতুল ইসলাম মাওলানা আমজাদ হোসেন কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের শাহাদাতের হৃদয়বিদারক ঘটনা তুলে ধরেন। তাঁর বয়ানে উপস্থিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। পরে অংশগ্রহণকারীরা বুক চাপড়ে মাতমের মাধ্যমে শোহাদায়ে কারবালার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

নিউমার্কেট এলাকায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মাওলানা আমজাদ হোসেন মুসলিম উম্মাহর ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, ‘কারবালার শিক্ষা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি সত্য, ন্যায়বিচার ও মানবতার পক্ষে দাঁড়ানোর এক চিরন্তন আহ্বান। আজ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মুসলমানসহ নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর ওপর হত্যা, নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা সকল প্রকার যুদ্ধ, আগ্রাসন ও নিরপরাধ মানুষের রক্তপাতের তীব্র নিন্দা জানাই। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সব ধরনের জুলুম-নির্যাতনের অবসানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করছি। একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিকে হত্যাকারীদের কঠিন শাস্তি কামনা করি ও ধিক্কার জানাই। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও নিরীহ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্ব সম্প্রদায়কে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। কারবালার মহান আদর্শ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে এবং শান্তি, ন্যায় ও মানবতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকতে শিক্ষা দেয়।’

মিছিলে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’, ‘ইয়া হোসেন’, ‘লাব্বায়িক ইয়া হোসেন’ ইত্যাদি স্লোগান দেওয়া হয়। হৃদয়গ্রাহী কণ্ঠে ‘আখেরি সালাম লও ওহে নানাজান, তোমারি হোসেন যায় কারবালা ময়দান’সহ ধর্মীয় নাত, গজল পরিবেশন করে যুবকরা মাতম করেন।পিপাসার্ত পথচারীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় শরবত।
মিছিলটি কালীবাড়ি মোড়, নিউমার্কেট মোড়, কোতোয়ালী মোড়সহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ইমাম বাড়িতে ফিরে যায়। সেখানে দিনব্যাপী শিয়াদের চিরায়ত ঐতিহ্য অনুযায়ী আচার-অনুষ্ঠান, আলোচনা আর প্রার্থনা হয়।

বাবা তার ছোট্ট সন্তানকে কাঁধে নিয়ে শরিক হয়েছেন মিছিলে। ছোট্ট শিশুটির হাতে কালো পতাকা। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে এই বাবা বলেন, ১০ মহরম হৃদয়বিদারক ঘটনা। ইমাম হোসাইন সপরিবারে কারবালার মরু প্রান্তরে শহীদ হয়েছেন। আজ আমার বাচ্চাকে নিয়ে হাঁটছি কিন্তু সেদিন ছয় মাসের সন্তানও রেহাই পাননি ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে। সেই স্মৃতি বুকে ধারণ করে আমার সন্তানকে নিয়ে কারবালার জুলুসে এসেছি।

একজন নারী বলেন, আজ ১০ মহররম। আমাদের পবিত্র আশুরা। কারবালায় ইমাম হোসাইন শহীদ হয়েছেন, তাঁর স্মরণে আমরা শোক পালন করছি। ইসলামের জন্য, হক প্রতিষ্ঠার জন্য নবীজীর বংশধর জীবন দিয়েছেন। এমনকি ছোট্ট আলি আজগর পিপাসার্ত অবস্থায় শহীদ হয়েছেন। উনাকে তীর মেরে শহীদ করা হয়েছে। ইমামের মিছিলে যে নারীরা ছিলেন, তাঁদের ওপর জুলুম করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছর ১০ মহরম পবিত্র আশুরার দিনে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা স্মরণে নগরীর সদরঘাট থেকে এই শোক মিছিলের আয়োজন করে শিয়া সম্প্রদায়। এ উপলক্ষে সদরঘাট হোসাইনিয়া ইমামবারগাহে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানও পালন করা হয়।

চরণদ্বীপ দরবার শরীফে তিন দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের দ্বিতীয় দিন সম্পন্ন


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বোয়ালখালীর ঐতিহ্যবাহী চরণদ্বীপ দরবার শরীফে আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) স্মরণে গাউসিয়া রহমানিয়া বশরিয়া শহীদিয়া ত্বরিকত কমিটির ব্যবস্থাপনায় তিন দিন শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের দ্বিতীয় দিবস গতকাল ২৪ জুন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। অত্র মাহফিলে দো’আ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চরণদ্বীপ দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসূফী শেখ আবু মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ফারুকী (ম.) উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র দরবারের নায়েবে মোন্তাজেম বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন লেখক ও গবেষক হযরত মাওলানা শাহজাদা শেখ আবু মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ফারুকী (ম.), স্বাগত বক্তব্য দেন অত্র দরবারের নায়েবে মোন্তাজেম শাহজাদা শেখ আবু মুহাম্মদ সানাউল্লাহ ফারুকী (ম.)। মাহফিলে আহলে বায়তে রাসূল (দঃ)’র শানে তাৎপর্যপূর্ণ তকরীর পেশ করেন হযরতুলহাজ্ব আল্লামা ড. এস এম বোরহান উদ্দিন, হযরতুলহাজ্ব আল্লামা আ.ন.ম. নাজমুল হোসাইন নঈমী (ম.), মাওলানা মুহাম্মদ এনামুল হক কুতুবী। এছাড়াও আরো অসংখ্য উলামায়ে কেরাম, বুজুর্গানে দ্বীন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ