ঝালকাঠি নেছারাবাদের বার্ষিক মাহফিলের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন

মশিউর রহমান রাসেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝালকাঠি নেছারাবাদের বার্ষিক মাহফিল (২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি) সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণে বৃহস্পতিবার ঝালকাঠি নেছারাবাদের বার্ষিক মাহফিল শুরু হচ্ছে। বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও দার্শনিক, মতানৈক্যসহ ঐক্যনীতির প্রবক্তা হযরত মাওলানা আযীযুর রহমান কায়েদ সাহেব হুজুরের প্রতিষ্ঠিত ঝালকাঠির নেছারাবাদ দরবারে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক ঈছালে ছওয়াব ও ওয়াজ শুরু হবে। এনএস কামিল মাদরাসা ময়দানে এদিন বিকেল ৩টায় শুরু হয়ে শেষ হবে শনিবার বাদ ফজর আখেরি মুনাজাতের মধ্য দিয়ে। ওয়াজ মাহফিলের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রথম দিন বাদ মাগরিব উদ্বোধনী বয়ান করবেন মাহফিলের সভাপতি কায়েদ সাহেব হুজুরের একমাত্র সাহেবজাদা আমীরুল মুছলিহীন হযরত মাওলানা মুহম্মদ খলীলুর রহমান নেছারাবাদী। দুই দিনব্যাপী মাহফিলে তিনি কয়েক পর্বে বয়ান করবেন। তিনি আখেরি মুনাজাত পরিচালনা করবেন।

নেছারাবাদ ইসলামী কমপেক্সের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবুর রহমান জানান, ২২ ও ২৩ ফেব্রুয়ারি দু’দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিলে বুধবার দুপুরের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লি ও ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার আছর নামাজ শেষে স্থানীয় আলেম-ওলামারা আলোচনা করবেন।
মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও এনএস কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী শহিদুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে মাহফিলের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচটি প্যান্ডেল। আগত মেহমানদের সেবায় পাঁচ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় শৌচাগারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠাতা কায়েদ ছাহেব হুজুর (রহ.) এর নাতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শহিদুল হক জানান, দল-মত নির্বিশেষে সকল মুসলমানের এক আধ্যাত্মিক মিলনমেলা। সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেমেদ্বীন, ইসলামী চিন্তাবিদ, ওলীয়ে কামেল, মুজাদ্দেদে মিল্লাত হযরত মাওলানা মুহম্মদ আযীযুর রহমান নেছারাবাদী কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের হেদায়াতের প্রত্যাশায় এ মাহফিল চালু করেন। পঁচাত্তর বছর ধরে চলে আসা এ মাহফিল ইসলামী জ্ঞান চর্চার এক বাস্তবসম্মত পদ্ধতি, ইসলামের মৌলিক বিষয়াদী হাতে-কলমে শেখার এক অনন্য উপায়, শুধু সুরের মূর্ছনা নয়, আত্মার খোরাক জোগানোর এক রূহানী অবলম্বন, মহান রবের কাছে বান্দার আত্মসমর্পণের এক সুমহান প্রশিক্ষণ, সমসাময়িক নানা সমস্যার সমাধানে সঠিক দিকনির্দেশনার কেন্দ্র এবং ইসলামী জাগরণের এক প্রকৃষ্ট মাধ্যম।
তিনি আরো বলেন, নেছারাবাদের বার্ষিক মাহফিল শুধু প্রচলিত ধারার ওয়াজ-মাহফিল নয়। এখানে দেশের অনেক বরেণ্য আলেম আসেন আল্লাহর ওলীদের সোহবত নেয়ার জন্য। হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.-এর জীবদ্দশায় তাঁর সাথে দেখা করা ও তাঁর দোয়া নেয়ার জন্য দেশের নানা প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষেরা আসতেন। হুজুর আমাদের মাঝে না থাকলেও তাঁর ভক্তরা হুজুরকে ভোলেননি। মাহফিলকে কেন্দ্র করে লক্ষ-লক্ষ ভক্ত-মুরীদান নেছারাবাদে এসে তাঁর মাযার যেয়ারত করেন। দেশবরেণ্য অনেক বক্তা ওয়াজ করার জন্য নয়, শুধু দোয়া নেয়ার জন্য হাজির হন মোখলেস এ বুযর্গের দরবারে।
ড. শহিদুল হক আরো বলেন, হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ.-এর অবর্তমানে তাঁর সুযোগ্য সন্তান, আমীরুল মুছলিহীন হযরত মাওলানা মুহম্মদ খলীলুর রহমান নেছারাবাদী (নেছারাবাদী হুজুর) মাহফিলের পরিসর বহুগুণ বৃদ্ধি করেছেন। তার হেদায়াতী বয়ান আপমর জনতার হৃদয়ের খোরাক। তার বিপ্লবী ভাষণ তরুণ-সমাজকে আন্দোলিত করে। তার আবেগভরা দোয়ায় কায়েদের কণ্ঠ ভেসে ওঠে আমাদের আত্মায় আর এর স্পন্দন ছড়িয়ে পড়ে লাখো বনী-আদমের সত্তায়। তার সুনিপুণ ব্যবস্থাপনা আধুনিক ব্যবস্থাপকদেরও হার মানায়।

নেছারাবাদের মাহফিল শুধু সাধারণ মানুষের জন্যই নয়, এতে জড়ো হন হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুরের প্রাণের সংগঠন মুছলিহীনের নেতা-কর্মীরা। সারা বিশ্বব্যাপী ‘ইত্তেহাদ মায়াল ইখতেলাফ’ তথা ‘মতানৈক্যসহ ঐক্য’ দর্শনের ভিত্তিতে ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে দেয়ার জন্য তারা গ্রহণ করেন অনেক বাস্তবমুখী কর্মসূচি।
প্রাক্তনদের উৎসব উল্লেখ করে তিনি বলেন,
এ মাহফিল নেছারাবাদ মাদরাসার ছাত্রদের জন্য এক আনন্দ-উৎসব। এ উপলক্ষ্যে তারা নিজেরাও ওয়াজ-নসীহত, তেলাওয়াত, ইসলামী সংগীতসহ নানাবিধ ইসলামী সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে শরীক হন। বার্ষিক মাহফিলকে কেন্দ্র করে তারা যে উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে প্রাকটিস করেন, তা তাদের পরবর্তী জীবনের জন্য এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করে। নেছারাবাদের সাবেক ছাত্রদের মাঝ থেকে অনেক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী, বক্তা ও শিল্পীর অসাধারণ কৃতিত্ব মাহফিলের অবদানকে চির-উজ্জ্বল করে রাখছে। নেছারাবাদের মাহফিল সাবেক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য এক মহাসম্মেলন। এ মহান উদ্যোগ সকলকে একত্রিত করার এক দারুণ সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়, নতুন করে প্রাণস্পন্দন ফিরে পায় ফারেগীন বন্ধুরা।

নেছারাবাদের মাহফিল হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুরের এক অন্যতম কারামত। বহু মানুষ এ মাহফিলে দান করে নানারকম উপকার পেয়েছেন এবং পাচ্ছেন। আমাদের ছোটবেলা থেকে দেখেছি, বহু মানুষ অপেক্ষা করেন এ বরকতময় মুহূর্তের জন্য। কেউ প্যান্ডেল করার বাঁশ, কেউ খাবারের চাল, কেউ গরু-ছাগল-মুরগী দান করে মাহফিলে আগত মেহমানদের সম্মান জানিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হন পাগলপারা। মহান আল্লাহ তায়ালা এ মাহফিলে সাহায্যকারীদের কীভাবে রহমত-বরকত দিয়ে ধন্য করেছেন, বিপদ থেকে রক্ষা করেছেন, তার সাক্ষী অসংখ্য মানুষ।

আজ এ মাহফিল শুধু দক্ষিণ অঞ্চলেই উচ্ছ¡াস জাগায় না বরং দেশব্যাপী পড়ে যায় নতুন সাড়া। নতুন প্রেরণায় উজ্জীবিত হয় ধার্মিক জনগোষ্ঠী। জেগে ওঠে সমস্যা-জর্জরিত মুসলিম উম্মাহ, সঠিক পথের দিশা খুঁজে পায় তৌহীদী জনতা।

আল্লাহ তায়ালা কেয়ামত পর্যন্ত এ মাহফিলকে সুন্নত তরীকার ওপর কায়েম রাখুন। আমীন!

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফরিদা ইয়াসমিন চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নির্বাচিত হয়েছেন মিরসরাই থানার ফরিদা ইয়াসমিন। এর আগেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছিলেন। অপরাধ দমন ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ অবদানের জন্য মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মাসুদ আলম তার হাতে শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ জানায়, ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত মিরসরাই থানার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রথম নারী ওসি ফরিদা ইয়াসমিন অপরাধ দমন এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে সাফল্য দেখিয়েছেন।এছাড়াও ডাকাতির মালামাল উদ্ধার ও আসামী গ্রেফতার, হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ছাড়াও জেলার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওসি ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এই সম্মাননা মিরসরাই থানার প্রতিটি পুলিশ সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক, ফের উৎপাদনে ফিরল সিইউএফএল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবশেষে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় উৎপাদনে ফিরেছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)।দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে কারখানাটিতে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

দীর্ঘদিন পর কারখানাটি পুনরায় চালু হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ও উৎসাহ ফিরে এসেছে।কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান জানান, দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর আমরা উৎপাদনে ফিরেছি। এই দীর্ঘ সময়ে যে ক্ষতি হয়েছে, নিয়মিত উৎপাদনের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।

সিইউএফএলের বিগত কয়েক বছরের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কারখানাটি মাত্র পাঁচ দিন চালু রাখতে পেরেছিল। ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হওয়ার দীর্ঘ সময় পর তা অক্টোবরে চালু হয়। এরপর ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে যান্ত্রিক ত্রুটি ও গ্যাস সংকটের কারণে বারবার কারখানাটি বন্ধ ও চালুর প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছে। সর্বশেষ গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, যা দীর্ঘ ছয় মাসেরও বেশি সময় পর ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় চালু হলো।

সিইউএফএলের উৎপাদন বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) উত্তম চৌধুরী মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকালে আমাদের উৎপাদন প্রাথমিকভাবে শুরু হয়েছে। গত মাসের শেষের দিকে আমরা গ্যাস পেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারিনি। এরপর একে একে সব যন্ত্রপাতি সচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, আগামীকালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ছয়টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর প্রথমে অ্যামোনিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়। এরপর ধাপে ধাপে ইউরিয়া প্ল্যান্ট চালুর কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দিলেও তা দ্রুত সমাধান করা হয়।

কাফকোর পাশেই অবস্থিত সিইউএফএলে দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে আসছে। কারখানাটির পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। একসময় দৈনিক প্রায় ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বিভিন্ন কারণে বর্তমানে এর কার্যকর সক্ষমতা অনেকটাই কমেছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ