উপজেলা নির্বাচনে এগিয়ে জাহাঙ্গীর আলম

আলিফ হোসেন,তানোর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। এবারো তিনি দলীয সমর্থনে প্রার্থী হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। এদিকে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণের মধ্যে বোধদয় হয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
সরকার দলীয় বা সমর্থিত ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভম নয়। আবার স্থানীয় সাংসদরা মূলত বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, অর্থ বরাদ্দ
ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে তৃণমূল জনপ্রতিনিধির সুসম্পর্ক অত্যন্ত জরুরী, যেটা জাহাঙ্গীর আলমের রয়েছে। এতে ভোটারদের মাঝে এই বোধদয় সৃষ্টির ফলে প্রতিনিয়ত জাহাঙ্গীর আলমের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। উপজেলাবাসি এই বোধদয় থেকেই এবার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার দলীয় বা সমর্থিত প্রাথীকে বিজয়ী করতে চাই। তাদের মধ্যে এই বোধদয়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটায় জাহাঙ্গীরের পালে বিজয়ের হাওয়া লেগেছে।
অন্যদিকে জাহাঙ্গীরবিরোধীরা জামায়াত-বিএনপির ভোট পাবার আশায় যেই স্বপ্ন দেখেছিল সেই স্বপ্নও উবে গেছে।
কারণ তাদের কোনো প্রার্থী না থাকায় তারা এবার ভোট প্রদানে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়ে লিফলেট বিতরণসহ
নেতাকর্মীদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে বলেও গুঞ্চন রয়েছে। এসব বিবেচনায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই উপজেলার সব শ্রেণী-পেশার মানুষ বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক,
আদর্শিক-পরীক্ষিত, তরুণ-মেধাবী, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ, তরুণ নেতৃত্ব ও স্থানীয় সাংসদের বিশস্ত সৈনিক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম
আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। অন্যদিকে উপজেলা জুড়ে রয়েছে জাহাঙ্গীরের অনুগত লাখো ভক্ত অনুসারী আছে বিশাল কর্মীবাহিনী যারা তার বিজয় ঘটাতে রাতদিন অবিরাম নিরলসভাবে গণ-সংযোগ, উঠান বৈঠক ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশপাশি সাধারণ
মানুষের মধ্যে জাহাঙ্গীরের যেই জনপ্রিয়তা রয়েছে তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক যোগ করতে পারলেই তার বিজয় নিশ্চিত।
অথচ উপজেলা আওয়ামী
লীগের দলীয় সমর্থন পাবেন না এটা নিশ্চিত হবার পরেও আওয়ামী লীগের বিপদগামী একশ্রেণীর নেতা ভোটের মাঠে বগী আওয়াজ দিয়ে ভোটারদের মাঝে বিভ্রাতি ছড়াচ্ছে। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভাষ্য,নেতৃত্ব নিয়ে দলে প্রতিযোগীতা বা নেতার ভূল-ক্রটি থাকতেই পারে তাই বলে বঙ্গবন্ধু কন্যা, বিশ্বমানবতার অগ্রদূত,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থিত প্রার্থীর সঙ্গে তারা কোনো বেঈমানি করতে পারেন না। এছাড়াও নেতার ওপর অভিমান করে নৌকাবিরোধীদের সঙ্গে তারা হাত
মেলাতে বা দলের সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে ভোট প্রয়োগ করতে পারেন না। এসব বিবেচনায় উপজেলার সব-শ্রেণী-পেশার মানুষ এবার সরকার সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একত্ত্বা ঘোষণা করেছেন। এসব বিবেচনায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত। এবিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান সহীদুল ইসলাম টুলু বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের বিকল্প নাই। তিনি বলেন, আবারো তিনি দলের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন, তিনি আরো বলেন, তাদের কাছে এমন বার্তায় এসেছে।#

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন বন্ধে যাত্রীরা ফেরত পেল প্রায় ৮৮ লাখ টাকা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের জানআলী হাট ও ষোলশহর স্টেশনের মধ্যবর্তী রেললাইন প্রায় ২ ফুট পানির নিচে তলিয়ে যায়। যার কারণে এই রুটে ট্রেন চলাচল পাঁচদিন বন্ধ থাকায় বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধু টিকিটের মূল্য বাবদই যাত্রীদের প্রায় ৮৮ লাখ টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে ১১ হাজারের বেশি টিকিট বাতিল করে মূল্য ফেরত দেওয়া হয়েছে। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পরবর্তী কয়েক দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রিও ব্যাহত হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বলেন, অতিবৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর প্রায় ৫০০ মিটার রেললাইন দুই ফুট পানিতে তলিয়ে গেলেও অবকাঠামোর বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ সময়ে ঢাকা-কক্সবাজার রুটের দুই জোড়া ট্রেন কেবল ঢাকা-চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলাচল করেছে।

জানা গেছে, ভারী বর্ষণে রেললাইন ডুবে যাওয়ায় গত ৭ থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ ছিল। ফলে এই রুটের অগ্রিম বিক্রি হওয়া ১১ হাজার ৩৩৭টি টিকিট ফেরত নিতে হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষকে। এসব টিকিটের বিপরীতে যাত্রীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪৪ টাকা। টিকিট ফেরতের এই তাৎক্ষণিক ক্ষতির পাশাপাশি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় ওই সময়ে নতুন করে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। ফলে পরবর্তী দিনগুলোতেও এই রুটে প্রত্যাশিত সংখ্যক যাত্রী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক যাত্রী কক্সবাজার ভ্রমণ বাতিল করায় পরোক্ষভাবে রেলওয়ের অন্যান্য দূরপাল্লার রুটেও যাত্রীসংখ্যা কমেছে।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আবু জাফর মজুমদার বলেন, সাধারণত রেললাইনের ওপর চার ইঞ্চি পর্যন্ত পানি থাকলে ট্রেন চলাচল সম্ভব। কিন্তু এবার রেললাইন অন্তত দুই ফুট পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, টানা তিন দিন রেললাইন পানির নিচে থাকায় পানি নেমে যাওয়ার পরও নিরাপত্তার স্বার্থে লাইন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করতে কিছুটা সময় লেগেছে। পরে ১২ জুলাই ‘অ্যাডভান্সড পাইলটিং’ বা সীমিত গতিতে এই রুটে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

দিল্লি হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার হলেন সাইদুর রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দিল্লি হাইকমিশনের নতুন প্রেস মিনিস্টার হলেন সাইদুর রহমান

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ