আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

উপজেলা নির্বাচনে এগিয়ে জাহাঙ্গীর আলম

আলিফ হোসেন,তানোর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। এবারো তিনি দলীয সমর্থনে প্রার্থী হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। এদিকে আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণের মধ্যে বোধদয় হয়েছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি
সরকার দলীয় বা সমর্থিত ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভম নয়। আবার স্থানীয় সাংসদরা মূলত বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, অর্থ বরাদ্দ
ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করেন। ফলে স্থানীয় সাংসদের সঙ্গে তৃণমূল জনপ্রতিনিধির সুসম্পর্ক অত্যন্ত জরুরী, যেটা জাহাঙ্গীর আলমের রয়েছে। এতে ভোটারদের মাঝে এই বোধদয় সৃষ্টির ফলে প্রতিনিয়ত জাহাঙ্গীর আলমের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। উপজেলাবাসি এই বোধদয় থেকেই এবার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার দলীয় বা সমর্থিত প্রাথীকে বিজয়ী করতে চাই। তাদের মধ্যে এই বোধদয়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটায় জাহাঙ্গীরের পালে বিজয়ের হাওয়া লেগেছে।
অন্যদিকে জাহাঙ্গীরবিরোধীরা জামায়াত-বিএনপির ভোট পাবার আশায় যেই স্বপ্ন দেখেছিল সেই স্বপ্নও উবে গেছে।
কারণ তাদের কোনো প্রার্থী না থাকায় তারা এবার ভোট প্রদানে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়ে লিফলেট বিতরণসহ
নেতাকর্মীদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছে বলেও গুঞ্চন রয়েছে। এসব বিবেচনায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমকে আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই উপজেলার সব শ্রেণী-পেশার মানুষ বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, দক্ষ রাজনৈতিক সংগঠক,
আদর্শিক-পরীক্ষিত, তরুণ-মেধাবী, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি ইমেজ, ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ, তরুণ নেতৃত্ব ও স্থানীয় সাংসদের বিশস্ত সৈনিক উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম
আবারো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। অন্যদিকে উপজেলা জুড়ে রয়েছে জাহাঙ্গীরের অনুগত লাখো ভক্ত অনুসারী আছে বিশাল কর্মীবাহিনী যারা তার বিজয় ঘটাতে রাতদিন অবিরাম নিরলসভাবে গণ-সংযোগ, উঠান বৈঠক ও প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশপাশি সাধারণ
মানুষের মধ্যে জাহাঙ্গীরের যেই জনপ্রিয়তা রয়েছে তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক যোগ করতে পারলেই তার বিজয় নিশ্চিত।
অথচ উপজেলা আওয়ামী
লীগের দলীয় সমর্থন পাবেন না এটা নিশ্চিত হবার পরেও আওয়ামী লীগের বিপদগামী একশ্রেণীর নেতা ভোটের মাঠে বগী আওয়াজ দিয়ে ভোটারদের মাঝে বিভ্রাতি ছড়াচ্ছে। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভাষ্য,নেতৃত্ব নিয়ে দলে প্রতিযোগীতা বা নেতার ভূল-ক্রটি থাকতেই পারে তাই বলে বঙ্গবন্ধু কন্যা, বিশ্বমানবতার অগ্রদূত,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সমর্থিত প্রার্থীর সঙ্গে তারা কোনো বেঈমানি করতে পারেন না। এছাড়াও নেতার ওপর অভিমান করে নৌকাবিরোধীদের সঙ্গে তারা হাত
মেলাতে বা দলের সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে ভোট প্রয়োগ করতে পারেন না। এসব বিবেচনায় উপজেলার সব-শ্রেণী-পেশার মানুষ এবার সরকার সমর্থিত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তারা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একত্ত্বা ঘোষণা করেছেন। এসব বিবেচনায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত। এবিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ীর রিশিকুল ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান সহীদুল ইসলাম টুলু বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে জাহাঙ্গীর আলমের বিকল্প নাই। তিনি বলেন, আবারো তিনি দলের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন, তিনি আরো বলেন, তাদের কাছে এমন বার্তায় এসেছে।#

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে এক রাতে দুই কৃষকের সেচপাম্পের ৪ টি ট্রান্সফরমারের খোলস ফেলে ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নির্মল দে’র ৩ টি ও শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জৈষ্টপুরা ৯ নং ওয়ার্ডের কৃষক মাদল চৌধুরীর ১টি ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে সেখানকার ১টি বিদ্যুতের খুঁটিতে তার, পাম্পে মোটর ও অন্যান্য সামগ্রী থাকলেও নেই ট্রান্সফরমার। আরেকটিতে ৩ টির মধ্যে ২টি ট্রান্সফরমার খুটিতে থাকলেও ১টি নাই। পৃথক দুটি স্থানে পড়ে আছে ট্রান্সফরমারের খোলস, নেই ভেতরের যন্ত্রাংশ।

ভুক্তভোগী ককৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য ভারাম্বা খালের আমুচিয়া ও জৈষ্টপুরা অংশে দুটি মোটরচালিত বৈদ্যুতিক সেচপাম্প দিয়ে ওই এলাকার মনতলা কালি বিল, আন্ধার বিল ও জৈষ্টপুরা এলাকার কুমার গাতা বিলে অন্তত ২০০ কানি জমির চাষাবাদ করা হয়।

বোরো মৌসুম শেষ হলে প্রতি বছরের মতো গত এক মাস আগে ১৭/৫/২৬ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে ট্রান্সফরমার নামিয়ে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এতোদিন ধরে না নামানোর কারণে ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। সরকারি খরচে ট্রান্সফরমার স্থাপনের দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নির্মল দে ও মাদল চৌধুরী।

চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) স ম মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন কাজের চাপে যথাসময়ে খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার নামানো না হলেও চুরি প্রতিরোধে গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সেচ ও কলকারখানার ট্রান্সফরমার চুরি হলে গ্রাহককে নিজ খরচে তা স্থাপন করার বিধান আছে। প্রতিটি পাঁচ কেভিএ ধারণসম্পন্ন ট্রান্সফরমারের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ