স্কুল জীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও শরীর চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম

চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চবি উপ-উপাচার্য

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০ টায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও চবি ক্রীড়া উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি প্রফেসর বেনু কুমার দে।
মাননীয় উপ-উপাচার্য একাডেমিক তাঁর বক্তব্যে চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকসহ উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন- স্কুল জীবনে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও শরীর চর্চার গুরুত্ব অপরিসীম। সুস্থ-সবল শরীরের জন্য চাই নিয়মিত খেলাধুলা; তাতে মন যেমন ভাল থাকে তেমনি লেখাপড়াও নিবিড় মনোনিবেশ করা যায়। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের শৃক্সখলাবোধ, নিয়মানুবর্তিতা, সময়ানুবর্তিতা, সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক গুণ সম্পন্ন মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে।” এসব গুণাবলী অর্জনের মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের আগামী দিনের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভূমিকা রাখার জন্য মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) তাঁর বক্তব্যে আহবান জানান।
চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ গোলাম মোস্তফা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) নাসিমা পারভীন এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব আনিসুল আলম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় পরিবেশিত জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) জাতীয় পতাকা, চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ বিশ^বিদ্যালয় পতাকা, সহকারী প্রধান শিক্ষক স্কুল পতাকা এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক অলিম্পিক পতাকা উত্তোলন করেন। মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন স্কুলের কৃতি ক্রীড়াবিদ তামান্না আফরীণ তমা। মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বিচারকদের পক্ষে চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক অশোক কুমার দাসকে এবং ক্রীড়াবিদদের পক্ষে আশরাফুল ইসলামকে শপথবাক্য পাঠ করান। স্কুলের সহকারী শিক্ষক অশোক কুমার দাস এর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় মার্চপাস্ট। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন, পবিত্র গীতা ও পবিত্র ত্রিপিটক থেকে পাঠ করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্কুলের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আবু জাফর।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চবি ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, চবি বিভিন্ন অফিস প্রধানবৃন্দ, চবির কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্কুলের বিপুল সংখ্যক ক্রীড়ামোদী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ এবং সুধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

এইচএসসির পরীক্ষার সম্ভাব্য ফল প্রকাশ নভেম্বর দ্বিতীয় সপ্তাহে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ হতে পারে। ফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সম্ভাব্য সময়ের কথা জানান আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

তিনি বলেন, নভেম্বরের ৭ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ফল তৈরির কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা কিছুটা বিলম্বে শেষ হয়েছে। তবে ফল প্রস্তুতের কাজে অতিরিক্ত পরীক্ষক যুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয় ১৫ আগস্ট। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা পরে অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর শেষ হয়।এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে। পরীক্ষার্থীরা ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়।

পর্যালোচিত হারের ওপর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ জ্বালানি সারচার্জ আরোপ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আমদানি-রপ্তানি পণ্যবোঝাই কনটেইনার, খালি কনটেইনার ও পরিবহন সেবার চার্জ বাড়িয়েছে চট্টগ্রামের বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি) বা অফডকগুলো। এবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে সর্বশেষ কার্যকর হারের ওপর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশন (বিকডা)। এক বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো চার্জ বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়। একই দিন থেকে নতুন বর্ধিত হার কার্যকর হয়েছে বলে জানায় বিকডা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সভার পর বেসরকারি আইসিডিগুলোর রপ্তানি পণ্য ও খালি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সংশোধিত চার্জ কার্যকর হয়। পরে ১৯ এপ্রিল থেকেও নতুন ট্যারিফ কার্যকর হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে এক বছরের মধ্যে তিন দফায় চার্জ বৃদ্ধির ঘটনা ঘটে।

বিকডার সার্কুলারে বলা হয়, সরকার ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেলের দাম ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি লিটার ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর ফলে বেসরকারি আইসিডি পরিচালনার জ্বালানিনির্ভর বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে। এ ব্যয় সমন্বয়ের জন্য সর্বশেষ পর্যালোচিত হারের ওপর ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ জ্বালানি সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে।

নতুন হারের আওতায় চট্টগ্রাম বন্দর ও আইসিডির মধ্যে খালি কনটেইনার পরিবহন, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) ও আইসিডির মধ্যে খালি কনটেইনার পরিবহন, খালি কনটেইনার ওঠানো-নামানো, রপ্তানি পণ্য কনটেইনারে ভর্তি ও হ্যান্ডলিং, ভেরিফায়েড গ্রস মাস (ভিজিএম) এবং আমদানি পণ্য ডেলিভারি প্যাকেজ চার্জ রয়েছে।

বিকডা জানায়, রপ্তানি প্যাকেজ চার্জের মধ্যে খালি কনটেইনার ইয়ার্ডে নেওয়া, সিএফএস শেডে পরিবহন, কনটেইনারে পণ্য ভর্তি, লোড ইয়ার্ডে নেওয়া এবং সেখান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর বা পিসিটিতে পরিবহনের মতো সেবা অন্তর্ভুক্ত।অন্যদিকে আমদানি প্যাকেজ চার্জের মধ্যে বন্দর বা পিসিটি থেকে আইসিডিতে কনটেইনার আনা, আইসিডিতে নামানো, ডেলিভারি ইয়ার্ডে রাখা এবং শ্রমিকদের মাধ্যমে ট্রাক বা অন্যান্য পরিবহনে পণ্য সরবরাহের কার্যক্রম রয়েছে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরের রপ্তানি পণ্যের শতভাগ কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং আমদানির ৬৮ ধরনের পণ্য ডেলিভারি বেসরকারি আইসিডির মাধ্যমে হয়ে থাকে। ফলে চার্জ বৃদ্ধির প্রভাব আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে পড়বে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের পূর্ব আলোচনা বা যৌথ বৈঠক ছাড়াই একতরফাভাবে অফডক চার্জ বাড়ানো হয়েছে। এতে উৎপাদন ও লজিস্টিকস ব্যয় বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

ব্যবসায়ীদের একজন বলেন, আলোচনা ছাড়া এভাবে হঠাৎ করে চার্জ বৃদ্ধি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এতে ব্যবসার খরচ অনেকটাই বেড়ে যাবে। এর চূড়ান্ত প্রভাব পড়বে দেশের প্রধান রপ্তানি খাতে। বায়াররা অর্ডার কমিয়ে দিলে বা অন্য দেশে চলে গেলে তার দায় কে নেবে?
চট্টগ্রাম চেম্বারের সহসভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, পোশাক খাতের টেকসই অগ্রগতির জন্য বন্দর, অফডক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি। এককভাবে আলোচনা ছাড়া কোনো চার্জ নির্ধারণ করা হলে পুরো সাপ্লাই চেইনে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কারণ আগের মূল্যে পোশাক রপ্তানি হচ্ছে। এখন এক নোটিশে চার্জ বৃদ্ধি কার্যকর হলে তাহলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে অপারেটিং চার্জ সমন্বয়ের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে চিঠি দিয়েছে বার্থ শিপ হ্যান্ডলিং অ্যান্ড টার্মিনাল অপারেটরস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।সংগঠনটি জানায়, ২০২২ সাল থেকে গত চার বছরে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ৬৯ শতাংশ বেড়েছে। ফলে তাদের পরিচালন ব্যয়ও বেড়েছে।
তবে বার্থ অপারেটররা সরাসরি চার্জ বাড়ানোর পরিবর্তে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে।

বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার ঢাকা পোস্টকে বলেন, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আইসিডিগুলোর অপারেশনাল ব্যয় সরাসরি বেড়েছে। এ কারণে ডিজেল নির্ভর সেবাগুলোর বিপরীতে বর্ধিত চার্জ কার্যকর করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ