আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তের জেরে দুই গ্রুপের উত্তেজনা।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় কমিটি বিলুপ্তের জেরে ছাত্রলীগের দুইগ্রুপ পৌরশহরে অবস্থান নেয়। এতে দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে শহর জুড়ে। এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় পুলিশ ছাত্রলীগের উভয়পক্ষকে স্ববাস্থান থেকে সরিয়ে দেয়। তবে ছাত্রলীগের একাংশের অভিযোগ, মিছিলে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা কর্মী আহতও হয়েছেন।

রোববার(২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বড়লেখা পৌরশহরে এই ঘটনা ঘটে। এই নিয়ে ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের নেতারা পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন। থানা পুলিশ ও স্থানীয় এবং ছাত্রলীগ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আমীরুল হোসেন চৌধুরী (আমীন) ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বড়লেখা উপজেলা, পৌর, কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে। পাশাপাশি বিগত (২০ ফেব্রুয়ারি) এর মধ্যে জেলা ছাত্রলীগ বরাবরে পদ প্রত্যাশীদের জীবন বৃত্তান্তও আহ্বান করা হয়। এদিকে কমিটি বিলুপ্তির প্রতিবাদে গত শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদের নেতৃত্বে বড়লেখা উপজেলা, পৌর, কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে পৌর শহরের উত্তর বাজারের ডাকবাংলো এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে। অন্যদিকে রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছাত্রলীগের ‘মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি’ বিলুপ্ত করায় জেলা ছাত্রলীগকে অভিনন্দন জানিয়ে বড়লেখা পৌরসভার সামনে থেকে সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (বিলুপ্ত কমিটি) তাওহিদুল ইসলাম ফরহাদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একাংশ আনন্দ মিছিলের প্রস্তুতি নেয়। এসময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদের নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রলীগের (বিলুপ্ত কমিটি) অপর পক্ষ পৌরশহরের ডাকবাংলো এলাকায় পাল্টা অবস্থান নেয়। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ ও বড়লেখা থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্ত্তী ছাত্রলীগের দুইগ্রুপকে বুঝিয়ে সরে যেতে অনুরোধ করেন। তখন মিছিল শুরু করলে পুলিশের সঙ্গে (তাওহিদুল ইসলাম ফরহাদের গ্রুপের) ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধস্তাধস্তি-বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। মিছিলে বড়লেখা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুন্দর, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আইনজীবী জিল্লুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আছকির আলী, সাবেক উপজেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক সামছুল ইসলাম টুকু, বড়লেখা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেহান পারভেজ অংশ নেন। পরে মিছিল করতে না পেরে মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কটুক্তির প্রতিবাদে পিসি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক (বিলুপ্ত কমিটি) তাওহিদুল ইসলাম ফরহাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সুন্দর। অপরদিকে বড়লেখা পৌরশহরের ডাকবাংলো এলাকায় বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের (বিলুপ্ত কমিটি) সভাপতি ইমরান হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বড়লেখা সদর ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান ছালেহ আহমদ জুয়েল। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বড়লেখা সদর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি জালাল আহমদ, বড়লেখা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আহমদ, বড়লেখা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ময়নুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাকের আহমদ ও পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আলী হোসেন, বড়লেখা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কামরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের (বিলুপ্ত কমিটি) সাধারণ সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম ফরহাদ রোববার রাত আটটায় মুঠোফোনে বলেন, ‘আজকে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিলের আয়োজন করেছিলাম। মূলত উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের ‘মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি’ বিলুপ্ত করায় জেলা ছাত্রলীগকে অভিনন্দন জানিয়ে এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে কটূক্তির প্রতিবাদে আমরা মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করি। মিছিল চলাকালে পুলিশ আমাদের বাঁধা প্রদান করে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে। এতে আমাদের কয়েকজনের হাত কেটে গেছে। কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’ পুলিশের বাঁধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা (ছাত্রলীগের অপর গ্রুপ) অন্যপাশে লাটিসোটা নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল। পুলিশ আমাদের বাঁধা দিচ্ছে মিছিল না করার জন্য। আমার বাড়ির সামনেও পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিলে পুলিশ বাঁধা দেবে কেন? তারা যখন (ছাত্রলীগের অপর গ্রুপ) মিছিল করল তখন পুলিশ বাঁধা দিল না ? ঘুরেফিরে তারা ‘লাগাবাজার’ মিছিল দিল। পুলিশ তাদের বাঁধা দিল না। অথচ এই কমিটির মেয়াদ শেষ এবং বিবাহিত ও অছাত্র দিয়ে কমিটি চলছিল।’উপজেলা ছাত্রলীগের (বিলুপ্ত কমিটি) সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমদ বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই কালো টাকার বিনিময়ে জেলা ছাত্রলীগ বড়লেখা উপজেলা, পৌর, কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করেছে।

মূলত একটি কুচক্রী মহলের ইন্ধনে জেলা ছাত্রলীগ সুসংগঠিত বড়লেখা ছাত্রলীগকে অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিলুপ্ত করেছে। এর প্রতিবাদে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছি। আজকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়-এমন কয়েকজন পৌরশহরে মিছিল দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে তারা মিছিলের আয়োজন করে। বিষয়টি শুনে আমরা পৌরশহরে অবস্থান নেই। মিছিলে যারা অংশ নিয়েছিল তাদের বেশিরভাগই বখাটে। এমনকি মাদক কারবারিরাও ছিল। পরে পুলিশ আমাদের সরে যেতে অনুরোধ করেছে। আমরা ডাকবাংলোর সামনে অবস্থান করেছি।’বড়লেখা থানার ওসি সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ শহরের পৃথক দু’টি স্থানে অবস্থান নিয়েছিল। এতে উভয়গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। দুইগ্রুপ মুখোমুখি হলে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটতে পারত। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় দুইগ্রুপকে সরিয়ে দিয়েছি। লাঠিচার্জের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ