আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে জয় বাংলা কনসার্ট মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে এবারের জয় বাংলা কনসার্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। বিগত বছরগুলোতে এ কনসার্ট ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতো।এ উপলক্ষে আজ চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং ইয়ং বাংলা এর আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিএমপির অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা এবং জেলা প্রশাসন, এনএসআই, ডিজিএফআই, পিডিবি, ওয়াসা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সি আর আই, ইয়ং বাংলা এর প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় কনসার্টকে সুশৃঙ্খল এবং কার্যকররুপে পরিবেশনের লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, এবারই প্রথম ঢাকার বাইরে এ কনসার্ট আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং ভৌগলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এ কনসার্টের জন্য চট্টগ্রামকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি এসময় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক চট্টগ্রামে এ কনসার্ট আয়োজন করার জন্য সি আর আই এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন-কনসার্টে অসংখ্য মানুষের সমাগম হবে। নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট হবে মূল চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা সকলে মিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের স্মরণে চট্টগ্রামবাসীকে একটি চমৎকার আয়োজন উপহার দেব। অনুষ্ঠানকে ফলপ্রসূ করার জন্য সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

কনসার্ট উপভোগ করার জন্য যেসব নিয়মাবলী মানতে হবে তা নিম্মরুপ—
1. মূল ফটকে টিকিটের প্রাথমিক স্ক্রীনিং হবে, তারপর স্টেডিয়ামের নম্বরযুক্ত গেটে স্ক্যান করা হবে।
2. বারকোড স্ক্যানার দ্বারা পাঠযোগ্য হতে হবে। একটি পঠনযোগ্য বারকোড ছাড়া, ভেন্যুতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
3. গেট দুপুর ১২ টায় খুলবে। একবার অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলে পুনরায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
4. ১২ (বার) বছরের কম বয়সী শিশুদের অনুষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
5. বাইরের কোন খাবার বা পানীয় অনুমোদিত হবে না। অনুষ্ঠানস্থলে উপযুক্ত মূল্যে খাবার ও পানি পাওয়া যাবে।
6. অনুষ্ঠানস্থলের ভেতরে কোন প্রকার তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
7. ধারণক্ষমতা পূর্ণ হলে আয়োজকরা যেকোনো মুহূর্তে প্রবেশ বন্ধ করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।
8. নিরাপত্তা হুমকি হিসাবে বিবেচিত হলে আয়োজকরা প্রবেশ প্রত্যাখ্যান করার বা প্রাঙ্গণ থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ
করেন।
9. আয়োজকরা সময়ে সময়ে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানোর অধিকার সংরক্ষণ করে এবং শ্রোতাদের অন্যান্য সদস্যদের বিপদ বা বিরক্তির কারণ
হতে পারে এমন যেকোনো বিষয় বাজেয়াপ্ত করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
10. অনুষ্ঠানস্থলে সিসিটিভি ও ক্যামেরা চালু থাকবে। টিকিটধারী শ্রোতাগণ নিজেরা চিত্রগ্রহণ এবং ভিডিও রেকর্ডিং করলে সেখানে কতৃপক্ষের
কোন বিধিনিষেধ থাকবে না।
11. ফোনের ক্যামেরা ব্যতীত অন্য যে কোন ধরণের ক্যামেরা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আয়োজকরা এই জাতীয় আইটেম বাজেয়াপ্ত করার অধিকার
সংরক্ষণ করেন। যেমন মোবাইল ফোন চার্জার, হেডফোন, ব্লুটুথ, স্পিকার, পাওয়ার ব্যাংক।
12. নিরাপত্তার স্বার্থে অনুষ্ঠানস্থলের ভিতরে ইলেকট্রনিক সিগারেট, ভ্যাপ এবং এই ধরনের কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের অনুমতি দেওয়া হবে না।
13. অনুষ্ঠানস্থলের ভিতরে কোনো ধরনের ব্যাগ রাখা যাবে না, ব্যাগ/ব্যাগ বহনকারী ব্যক্তিদের অবিলম্বে প্রাঙ্গণ ছেড়ে যেতে বলা হবে। (অনুষ্ঠানে
ব্যাগ রাখার কোনো সুবিধা থাকবে না।
14. মহিলাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে ১০ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চির চেয়ে বড় পার্স না আনতে। এর চেয়ে বড় কোনো ব্যাগ ভিতরে প্রবেশ
করতে দেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ