আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে জয় বাংলা কনসার্ট মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে এবারের জয় বাংলা কনসার্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। বিগত বছরগুলোতে এ কনসার্ট ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতো।এ উপলক্ষে আজ চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্মেলন কক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং ইয়ং বাংলা এর আহ্বায়ক নাহিম রাজ্জাক জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সিএমপির অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা এবং জেলা প্রশাসন, এনএসআই, ডিজিএফআই, পিডিবি, ওয়াসা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সি আর আই, ইয়ং বাংলা এর প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় কনসার্টকে সুশৃঙ্খল এবং কার্যকররুপে পরিবেশনের লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, এবারই প্রথম ঢাকার বাইরে এ কনসার্ট আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং ভৌগলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এ কনসার্টের জন্য চট্টগ্রামকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তিনি এসময় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক চট্টগ্রামে এ কনসার্ট আয়োজন করার জন্য সি আর আই এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন-কনসার্টে অসংখ্য মানুষের সমাগম হবে। নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট হবে মূল চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা সকলে মিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের স্মরণে চট্টগ্রামবাসীকে একটি চমৎকার আয়োজন উপহার দেব। অনুষ্ঠানকে ফলপ্রসূ করার জন্য সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।

কনসার্ট উপভোগ করার জন্য যেসব নিয়মাবলী মানতে হবে তা নিম্মরুপ—
1. মূল ফটকে টিকিটের প্রাথমিক স্ক্রীনিং হবে, তারপর স্টেডিয়ামের নম্বরযুক্ত গেটে স্ক্যান করা হবে।
2. বারকোড স্ক্যানার দ্বারা পাঠযোগ্য হতে হবে। একটি পঠনযোগ্য বারকোড ছাড়া, ভেন্যুতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
3. গেট দুপুর ১২ টায় খুলবে। একবার অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করলে পুনরায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
4. ১২ (বার) বছরের কম বয়সী শিশুদের অনুষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।
5. বাইরের কোন খাবার বা পানীয় অনুমোদিত হবে না। অনুষ্ঠানস্থলে উপযুক্ত মূল্যে খাবার ও পানি পাওয়া যাবে।
6. অনুষ্ঠানস্থলের ভেতরে কোন প্রকার তামাক বা তামাকজাত দ্রব্য প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
7. ধারণক্ষমতা পূর্ণ হলে আয়োজকরা যেকোনো মুহূর্তে প্রবেশ বন্ধ করার অধিকার সংরক্ষণ করেন।
8. নিরাপত্তা হুমকি হিসাবে বিবেচিত হলে আয়োজকরা প্রবেশ প্রত্যাখ্যান করার বা প্রাঙ্গণ থেকে কাউকে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ
করেন।
9. আয়োজকরা সময়ে সময়ে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানোর অধিকার সংরক্ষণ করে এবং শ্রোতাদের অন্যান্য সদস্যদের বিপদ বা বিরক্তির কারণ
হতে পারে এমন যেকোনো বিষয় বাজেয়াপ্ত করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
10. অনুষ্ঠানস্থলে সিসিটিভি ও ক্যামেরা চালু থাকবে। টিকিটধারী শ্রোতাগণ নিজেরা চিত্রগ্রহণ এবং ভিডিও রেকর্ডিং করলে সেখানে কতৃপক্ষের
কোন বিধিনিষেধ থাকবে না।
11. ফোনের ক্যামেরা ব্যতীত অন্য যে কোন ধরণের ক্যামেরা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। আয়োজকরা এই জাতীয় আইটেম বাজেয়াপ্ত করার অধিকার
সংরক্ষণ করেন। যেমন মোবাইল ফোন চার্জার, হেডফোন, ব্লুটুথ, স্পিকার, পাওয়ার ব্যাংক।
12. নিরাপত্তার স্বার্থে অনুষ্ঠানস্থলের ভিতরে ইলেকট্রনিক সিগারেট, ভ্যাপ এবং এই ধরনের কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের অনুমতি দেওয়া হবে না।
13. অনুষ্ঠানস্থলের ভিতরে কোনো ধরনের ব্যাগ রাখা যাবে না, ব্যাগ/ব্যাগ বহনকারী ব্যক্তিদের অবিলম্বে প্রাঙ্গণ ছেড়ে যেতে বলা হবে। (অনুষ্ঠানে
ব্যাগ রাখার কোনো সুবিধা থাকবে না।
14. মহিলাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে ১০ ইঞ্চি বাই ৬ ইঞ্চির চেয়ে বড় পার্স না আনতে। এর চেয়ে বড় কোনো ব্যাগ ভিতরে প্রবেশ
করতে দেওয়া হবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ