আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ফটিকছড়ি চট্টগ্রাম:

ফটিকছড়ি চিরন্তন ৭১ কতৃক বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট-২৪” উদ্বোধন।

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ ফটিকছড়ির প্রগতিশীল, সামাজিক ও সেবা মূলক সংগঠন”চিরন্তন ৭১” কতৃক আয়োজিত ও পরিচালিত মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর নামে
” বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট ২০২৪ ” এর জমজমাট জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী খেলা শনিবার বিকাল ৩ টায় ধর্মপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্লোগান ” মাদক ছেড়ে ক্রীড়া ধর” এই স্লোগান কে সামনে রেখে তারা এই আয়োজন করেন। টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সচিব এম মোরশেদুল আলম বলেন, বর্তমানে যুব সমাজ মাদকের চেয়েও ভয়াবহ মরন ঘাতী স্মার্টফোনে আসক্ত। সামনে আমরা একটি মোবাইল প্রতিবন্ধী মোবাইল আসক্ত একটি যুব সমাজ পেতে চলেছি। এই মরণ ছোবল হতে বাঁচতে হলে এই সমস্ত ক্রীড়ার বিকল্প নেই। তাই আমরা চিরন্তন ৭১ প্রতি মৌসুমে বিভিন্ন ধরনের খেলার আয়োজন করে আসছি। এটাও তার একটি ধারাবাহিকতা।
এই ধাম্মোছোলার মাঠ একটি ঐতিহ্যবাহী মাঠ। এই মাঠে দেশ বিদেশের নামকরা ফুটবলার খেলে গেছেন। এই মাঠের নিয়মিত খেলোয়াড় মোহাম্মদ রহিম বর্তমানে ঢাকা আবাহনী লিমিটেডে খেলতেছে। এই ভাবে আরো অনেক খেলোয়াড় বিভিন্ন জায়গায় খেলে আসতেছে। তাই আমাদের টার্গেট এই ধরনের ক্রীড়া আয়োজনের মধ্য দিয়ে আরো খেলোয়াড় সৃষ্টি করাই এই আয়োজনের লক্ষ্য। আজকের উদ্বোধনী খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলার সদ্য সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব।
উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল কাইয়ুম। সংবর্ধিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সন্মানিত সভাপতি ও লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরী।
আরো উপস্থিত ছিলেন জাহানপুরের চেয়ারম্যান জিয়া উদ্দীন জিয়া।
নাজিরহাট কলেজের সাবেক জি এস কুদ্দুস। ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দিদারুল আলম। ফটিকছড়ি উপজেলার আওয়ামী লীগের সদস্য মাসুদ পারভেজ। ধর্মপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবু বক্কর কাঞ্চন, সাধারণ সম্পাদক সাহেদ। ফটিকছড়ি উপজেলার প্রভাবশালী যুবনেতা জিয়াউল হক জিয়া। যুবনেতা এম মোরশেদুল আলম। আওয়ামী লীগ নেতা জয়নাল আবেদিন, আওয়ামী লীগ নেতা ও লেখক মির মোরশেদ।
মঈনউদ্দীন মেম্বার সহ অসংখ্য নেতা কর্মী ও চিরন্তন ৭১ এর কর্মকর্তাবৃন্দ।
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধর্মপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সন্মানিত প্রধান শিক্ষক জনাব একরাম উল্লাহ। খেলায় ধারাবিবরণী দেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, সমাজ সেবক ও মিডিয়া কর্মী মাসুদুল ইসলাম মাসুদ, ধর্মপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ জমিল ও আলাউদ্দিন। আগামী সোমবার ২য় খেলায় মুখোমুখি হবেন রাঙ্গুনিয়া শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র বনাম হাটহাজারী খেলোয়াড় সমিতি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ