আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবর্ধিত হলেন একুশে পদকপ্রাপ্ত মমতা’র প্রধান নির্বাহী রফিক আহামদ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্য এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মমতা’র প্রধান নির্বাহী আলহাজ রফিক আহামদ সমাজসেবায় একুশে পদকে ভূষিত হওয়ায় উষ্ণ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বুধবার ৬ মার্চ দুপুরে পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রফিক আহামদ একজন মানবিক মানুষ। নানা মানবিক কর্মকান্ডের মধ্যদিয়ে তিনি সমাজকে আলোকিত করেছেন। ঠাঁই করে নিয়েছেন সকলের হৃদয়ে। নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন বলে রাষ্ট্র তাঁকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদকে ভূষিত করেছে। এটি চট্টগ্রামবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের। মা ও শিশুস্বাস্থ্য, সমাজের পশ্চাৎপদ মানুষের উন্নয়ন, গৃহহীণ মানুষদের আবাসস্থল তৈরি এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি’সহ দেশ গঠনে রয়েছে তাঁর বিশেষ ভূমিকা। তাঁর নানামুখী কর্মকান্ড আমাদের জন্য অনুকরণীয়।
সভাপতির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন মো. রেজা বলেন, রফিক আহামদ দীর্ঘদিন ধরে সমাজ উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবীণ বয়সেও তিনি থেমে নেই। আজীবন মানবসেবার ব্রত নিয়ে তাঁর পথচলা। ¯^ার্থহীনভাবে কাজ করে গেলো কোনোকিছু বিফলে যায় না। রফিক আহামদের একুশে পদক প্রাপ্তির মধ্যদিয়ে তা আবারও প্রমাণিত হয়েছে। সমাজকল্যাণে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবকে সাথে নিয়ে নিজে কাজ করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করায় তার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। চট্টগ্রামের সাংবাদিকরাও তাঁর কল্যাণমূলক কাজে পাশে থাকবে।
স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক বলেন, সমাজে গুণীজনের কদর না হলে গুণীজনের জন্ম হয় না। কাজের স্বীকৃতি না পেলে কাজ করার উদ্দীপনা তৈরি হয় না। সমাজসেবায় রফিক আহামদকে একুশে পদক প্রদান করে রাষ্ট্র একজন যথার্থ ব্যক্তিকে সম্মানিত করেছে। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের দাতা সদস্যের এই অর্জনে দেশের সাংবাদিক সমাজ গর্বিত ও আনন্দিত।
সংবর্ধনার জবাবে আলহাজ রফিক আহামদ বলেন, পৃথিবীতে মানুষের জন্ম ভোগ-বিলাসের জন্য নয়। মানুষের কল্যাণের মাধ্যমে চেষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনই মানুষের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কান্নার মধ্যদিয়ে একজন শিশুর পৃথিবীতে আসা। আর হাসতে হাসতে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারাটাই হচ্ছে মানুষের জীবনের সার্থকতা। পারিবারিকভাবে সৃষ্ট এই উপলব্দিই হচ্ছে আমার সকল কাজের মূল প্রেরণা। পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষ একে অন্যের উপর নির্ভরশীল। কারো সহযোগিতা ছাড়া এককভাবে কিছু করা সম্ভব নয়। তাই একে অপরের পাশে থেকে সহযোগিতা করা আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।
তিনি আরো বলেন, সমাজের জন্য কতটুকু করেছি আমি জানি না। তবে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। একুশে পদকে ভূষিত করে রাষ্ট্র আমার ওপর আরো বেশি দায়িত্ব অর্পণ করেছে। এই পদকের জন্য মনোনীত হয়ে আনন্দের পাশাপাশি আমার মধ্যে উদ্বেগও সৃষ্টি করেছে। কারণ পদকে ভূষিত হয়ে আমার দায়বদ্ধতা আরো বেড়েছে বলে আমি মনে করি। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কল্যাণমুখী কর্মকান্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কার্যকরী সদস্য জসীম চৌধুরী সবুজ, দৈনিক নয়াবাংলা সম্পাদক জেড এম এনায়েতউল্লাহ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, মুহাম্মদ শামসুল হক, জাহেদুল করিম কচি, মমতা’র উপ-প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফারুক ও পরিচালক তৌহিদ আহমেদ। আলহাজ রফিক আহামদের জীবনচরিত তুলে ধরেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, ক্রীড়া সম্পাদক এম সরওয়ারুল আলম সোহেল, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, কার্যকরী সদস্য মো. আইয়ুব আলী, মমতা’র সহকারী প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ শাহারিয়ার ও সিনিয়র জনসংযোগ অফিসার মুহাম্মদ মনির হোসাইন এবং প্রেস ক্লাবের স্থায়ী-অস্থায়ী সদস্যসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ