আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

বানিজ্যিক রাজধানী:

চট্টগ্রামে কলেজছাত্র জয়দ্বীপ দাশ হত্যায় আসামি সাজ্জাদ ৩ দিনের রিমান্ডে।

টিটু বড়ুয়া সুরঞ্জিত নির্বাহী সম্পাদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে কলেজ ছাত্র জয়দ্বীপ দাশ হত্যার আসামি শহিদুল ইসলাম শাহিন ওরফে সাজ্জাদ ৩ দিনের রিমান্ডে।

কক্সবাজারের বাসিন্দা কক্সবাজার সদর দক্ষিণ খুরুস্কুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষিকা জয়শ্রী পালের একমাত্র পুত্র সন্তান মিরসরাই কলেজের ২য় বর্ষের ছাত্র জয়দ্বীপ দাশকে ২০২১ সালে বিয়ের অনুষ্ঠানের কথা বলে কক্সবাজার থেকে বাসযোগে চট্টগ্রামের পটিয়া নিয়ে আসে আসামি শহিদুল ইসলাম শাহিন ওরফে সাজ্জাদ ও অনিরুদ্ধ বড়ুয়া উশান পিতা অরুপ বড়ুয়া তপু বঙ্গবন্ধু সড়ক সদর কক্সবাজার,

আসামীদ্বয় পরস্পর যোগসাজশে নিহত জয়দ্বীপকে গভীর রাতে মোটর বাইকের মাঝখানে বসিয়ে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে আসে, তারা মোটরবাইকে শহরের বিভিন্ন অলিগলিতে গুরাগুরি করে রাত সাড়ে তিনটা নাগাদ বাইক দুর্ঘটনার গল্প সাজিয়ে সিএনজি টেক্সিযোগে নিহত জয়দ্বীপের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরসাইকেল ড্রাইভকরা ১ নং আসামি শহিদুল ইসলাম শাহিন ওরফে সাজ্জাদ ও পেছনের সিটে বসা ২ নং আসামি উশান বড়ুয়া এবং তাদের চালিত মোটরসাইকেল সম্পুর্ন অক্ষত থাকলেও মাঝখানে বসা জয়দ্বীপ দাশ মৃত।

রহস্যজনক এ মৃত্যু নিয়ে জনমনে বিভিন্ন মন্তব্যের জন্ম দেয়, নিহত জয়দ্বীপের মা জানান, আসামী দ্বয় তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে,
পরবর্তীতে নগরীর কোতোয়ালি থানায় এবিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা, মামলার তদন্তে দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে,
গত ১১ ফেব্রুয়ারী নগরীর নতুন ব্রীজ
এলাকা থেকে পিবিআইর হাতে গ্রেফতার হন ১ নং আসামি শহিদুল ইসলাম শাহিন ওরফে সাজ্জাদ, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাজি এনায়েত কবির আসামির ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুষ্টিয়ায় পীর শামীম হত্যা, মামলা করতে আগ্রহী নয় পরিবার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দরবার শরিফে হামলা ও পীর আব্দুর রহমান শামীম (৬৫) হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার। মামলার পেছনে ‘দৌড়ঝাঁপ’ করার সামর্থ্য নেই উল্লেখ করে পরিবারের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে শামীমের বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে দাফনের পর রাতে পরিবারের সদস্যরা বসেছিলাম। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা মামলার জন্য বারবার বলেছেন ৷ কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ওই পথে না হাঁটার।এর আগে রোববার ১০টার দিকে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, মামলার জন্য তার পরিবারের সদস্যরা আসবেন। আমরা অপেক্ষায় আছি।

এ বিষয়ে সকালে পুনরায় জানতে চাইলে ওসি আরিফুর রহমান বলেন, উনারা মামলা করবেন না, এমন কিছু শুনিনি। আজকে তাদের আসার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে ‘শামিম বাবার দরবার শরিফ’ নামে এক ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

এসময় হামলাকারীরা পিটিয়ে ও কুপিয়ে ওই দরবারের প্রধান আব্দুর রহমান ওরফে শামিম ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৬৫) হত্যা করে। হামলায় আরও তিন অনুসারী—মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের—আহত হন।

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।চেতানার এ আনন্দ – উৎসবটি একেবারেই সমাগত। বছরব্যাপী অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমাদের দ্বারপ্রান্তে হাজির হলো পহেলা বৈশাখ।এ দিনে বাঙালির ঘরে একটু হলেও ভালো খাবার আয়োজনের চেষ্টা চলে। বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা নিয়ে সমাগত। মানুষের জীবনের সব ব্যর্থতা ভুলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে ঔ
নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

আবহমান কাল থেকে বৈশাখের উপভোগ করে আসছে বাঙালি জাতি। নববর্ষ কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈশাখের আগমন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি চলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।গ্রামের মাটির ঘর গুলোতে চলছে লেপা পোছার কাজ। বৈশাখের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম বাংলার আকাশে বাতাসে। বৈশাখ আনন্দ দেয়, তবে তবে এ মাসে বৈশাখী ঝড় এসে আবার লণ্ডভণ্ড করেও দেয়। ক্ষতি হয় ফসলের, এমনকি ব্যাপক বিপর্যয়ের ঘটনাও ঘটে থাকে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল , এ বৈশাখ মাসেই পোলংকার ঘূর্ণিঝড় উপকুলের জনপদ লন্ডভন্ড করে দেয়। ঘটে লক্ষ মানুষের জীবনহানি।

বাংলাদেশের উপকূল বাসী সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা কখনোই ভুলবে না। ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রথম ঋতুটি হচ্ছে গ্রীষ্ম। বসন্তে পুরনো গাছের পাতা ঝরে পরে নতুন পাতায় সবুজে -;শ্যামলে ভরা বৃক্ষরাজির নান্দনিক সৌন্দর্য মনকে ভরিয়ে দেয়।পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির স্পন্দন।

প্রতিবছর বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নানান আয়োজন করা হয় দেশের গ্রাম থেকে শহর।বৈশাখের আগমনী বার্তাকে কেন্দ্র করে লোকজ গান যারি, শাড়ি, ভাটিয়ারী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। এসব গান উপভোগ করার মধ্য দিয়ে কলেজ চোরের মানুষ একাকার হয়ে যায়। এদিনে সকলের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। আবার ইলিশ পান্তার আয়োজন হয়ে থাকে অন্য কোন জায়গায।ঘরে ঘরে ধোয়া মোছার কাজ প্রাশই শেষ পর্যায়ে।

বাঙালির নববর্ষ উদযাপন এক অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত
উৎসব।বাংলা সাহিত্যে ও প্রভাব রয়েছে বৈশাখের। বাংলা বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি ও এর বিস্তৃতির এখন অবাধ্য ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, মূলত কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে ঘিরেই বৈশাখের এআয়োজন। বাঙালির এর উৎসবটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে অসম্প্রদায়িক চেতনার। বাংলা নববর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন উদ্যোগে হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখের ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করা থাকে। এ সময় গত বছরের হিসাব নতুন খাতায় এনে ক্রেতাদের করিয়ে দেওয়ার রে আজও রয়েছে।

কোথাও কোথাও আয়োজন করা হয় ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব। আবার কোথাও হয়ে থাকে গরুর লড়াই লড়াই। চট্টগ্রামের সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য বলি
খেলার আয়োজনও বৈশাখ মাসে হয়ে থাকে। বলি খেলাকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর এই মেলার বিস্তৃতি সরিয়ে যায় কয়েক কিলোমিটার দূরে।

মেলায় করতে সারাদেশ থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে চট্টগ্রাম নগরীতে। সারাদেশের বলিরা ছুটে আসে কুস্তি খেলতে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি এমাঠে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পৃথিবীর আর কয়টি দেশে আছে? 🇧🇩 প্রখ্যাত গীতিকার দ্বিজেন্দ্র লাল লিখেছেন- ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা…।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ