আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ফিলিস্তিনিরা ওপেন-এয়ার কারাগারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফিলিস্তিন বিষয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোর্টিউর ফ্রাঁসেসকা আলবানিজ বলেছেন, ফিলিস্তিনে মৌলিক মানবাধিকারকে পদদলিত করছে ইসরাইল। তারা গণহারে মানুষকে জেলে পাঠিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ফির্লিস্তিনকে একটি ‘ওপেন-এয়ার কারাগারে’ পরিণত করেছে। তারা যা করছে তা যুদ্ধাপরাধ। এই অপরাধ তদন্তের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইসিসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদেরকে অব্যাহতভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নজরদারি করা হচ্ছে। দখলীকৃত ভূখ-ে ৫৬ বছর ধরে প্রতিরোধ সৃষ্টি করে রেখেছে ইসরাইল। নতুন এক রিপোর্টে এসব কথা বলেছেন আলবানিজ। ওই রিপোর্টে তিনি আরও বলেছেন, ১৯৬৭ সালের পর থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুসহ কমপক্ষে ৮ লাখ ফিলিস্তিনিকে তারা গ্রেপ্তার করেছে। কর্তৃত্ববাদী শাসনের অধীনে তাদেরকে আটকে রেখেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এই কর্তৃত্ববাদী শাসন কার্যকর করা হয়েছে। তারা বিচার করছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন আরব নিউজ। রিপোর্টে আলবানিজ আরও বলেন, ১৬০টি শিশু সহ কমপক্ষে ৫ হাজার ফিলিস্তিনি এখন আটক আছেন ইসরাইলের হাতে। তার মধ্যে ১১০০ ফিলিস্তিনিকে আটকে রাখা হয়েছে কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়া। আরও বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের সুরক্ষায় মৌলিক নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। মত প্রকাশ, সমাবেশে যোগ দেয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়ার মতো ঠুনকো কারণে খেয়ালখুশিমতো আটক করা হয় ফিলিস্তিনিদের। ইসরাইলিরা ধরেই নেয় ফিলিস্তিনিরা অপরাধী। এক্ষেত্রে তাদের কাছে কোনো তথ্যপ্রমাণ থাকে না। এ অবস্থায়ই কোনো পরোয়ানা ছাড়া তাদেরকে গ্রেপ্তার করে। অভিযোগ বা বিচার ছাড়া আটকে রাখে। ইসরাইলি হেফাজতে নিয়ে তাদের ওপর চালানো হয় নৃশংসতা। সোমবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে জাতিসংঘ সদর দফতরে এ রিপোর্ট প্রকাশ করেন ফ্রাঁসেসকা আলবানিজ। এ সময় তিনি বলেন, ইসরাইলি দখলদারিত্বের অধীনে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ফিলিস্তিনিরা পর্যায়ক্রমিকভাবে স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের জীবন ও মৌলিক মানবিক অধিকার চর্চার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, ইসরাইলি দখলদারিত্বের কয়েক দশকে ফিলিস্তিনিরা যেসব সহিংস কর্মকা- করেছেন তা তিনি প্রশ্রয় দেন না। বেশির ভাগ দোষী অভিযুক্ত হয়েছেন আন্তর্জাতিক আইন লংঘনের মধ্য দিয়ে। এর ফলে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ন্যায়বিচারের প্রশাসনিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। দখলদারিত্বের বিরোধিতায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ, ইরাইলি সেনাবাহিনী এবং বসতি স্থাপনকারীদের সুরক্ষা, ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য গণহারে মানুষকে কারাবন্দি করা হয়েছে। ফ্রাঁসেসকা আলবানিজ আরও বলেন, ফিলিস্তিনিদেরকে সামষ্টিকভাবে নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখে ইসরাইল। এ জন্য যারা মৌলিক অধিকার চর্চা করে তাদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য কুখ্যাত সেনা নির্দেশ ব্যবহার করছে। এসব পদক্ষেপকে পুরো একটি জনগোষ্ঠীকে দমিয়ে রাখার হাতিয়ার বানানো হয়েছে। ফিলিস্তিনিদেরকে নিজেদের অধিকার চর্চা থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। বর্ণবাদকে জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। শক্তি প্রয়োগ করে ভূখ- দখল করা হচ্ছে। এই রিপোর্টে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর হেফাজতে থাকা অবস্থায় জেলে ফিলিস্তিনিরা যে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকারে পরিণত হয়েছেন তার বিস্তৃত উদাহরণসহ প্রামাণ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে নির্যাতন, নোংরা ও গাদাগাদি করে সেলে আটকে রাখা, ঘুম এবং খাবার থেকে বঞ্চিত রাখা, চিকিৎসা না দেয়া, ভয়াবহ এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রহার এবং সব রকম অসদাচরণ। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ১৯৯২ সাল থেকে ফিলিস্তিনিদের এসব বিষয় আমলে নিয়েছে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপ অন আরবিট্রারি ডিটেনশন। তারা বার বার ব্যাপক ও পর্যায়ক্রমে স্বাধীনতা বঞ্চিত রাখাকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বলে এসেছে। মানবাধিকারের ভয়াবহ লঙ্ঘনের জন্য ইসরাইলি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছেন ফ্রাঁসেসকা আলবানিজ। এসব অপরাধ যুদ্ধাপরাধ। এ অপরাধ তদন্তের জন্য তিনি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের (আইসিসি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনের ভূখ- দখল করে তা সম্প্রসারণের ক্রমবর্ধমান উদ্যোগকে স্বীকৃতি এবং সহায়তা না দিতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে তাদের বাধ্যবাধকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের অধীনে বিদ্যমান সব কূটনৈতিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে এই পরিস্থিতির ইতি ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন। আইন লংঘনের জন্য যারা দায়ী তাদের বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ব্যাপক এবং পর্যায়ক্রমে খেয়ালখুশিমতো ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠী দখলদারিত্বকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেয়া আরেকটি বর্ণবাদী আচরণ। অবিলম্বে এর ইতি ঘটা উচিত। আরব নিউজ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওলাদে রাসুল (দ.),আওলাদে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী, মাইজভান্ডার দরবার শরীফের মহান আধ্যাত্মিক সাধক মজ্জুবে রহমান, ছানিয়ে ওয়াইজ আল করনী, হযরত শাহসুফি সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফ আগামী ৫ই ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হবে।

এই উপলক্ষে ফটিকছড়ি আজিমনগরে আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মন্জিলে বড় শাহজাদী সৈয়দা কিশোয়ারা রহমান এবং ছোট শাহজাদী সৈয়দা মাহবুবা রহমানের উপস্থিতিতে ১ম প্রস্তুুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় খেদমত পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ আাশেক ভক্তবৃন্দ।

বাংলাদেশকে শান্তির ও নিরাপদ জনপদ কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


বাংলাদেশকে একটি শান্তির ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে কবুল করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানিয়েছেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.)।গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্সূফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ১২০তম বার্ষিক উরস্ শরীফের আখেরি মোনাজাতে মহান আল্লাহর কাছে তিনি উক্ত ফরিয়াদ করেন।

পবিত্র উরস্ উপলক্ষে দরবারে সমবেত লাখো আশেক ভক্তের উপস্থিতিতে হওয়া মোনাজাতে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রতিটি সংকট-সমস্যার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মহান অলি’র উছিলায় হে আল্লাহ আপনি আমাদের তৌফিক দান করুন।”
বিশ্বের দিকে দিকে নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তি কামনা করে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেন, “বিশ্বের শক্তিধর দেশ দূর্বল রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ক্রমাগত অন্যায়, অবিচার, জুলুম করছে, নিরস্ত্র নারী-পুরুষদের হত্যা করছে। এসব অত্যাচারীর হাত থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করুন।”

হালাল রুজির মাধ্যমে পিতামাতার উপযুক্ত খেদমত করার তৌফিক কামনা করে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেন, “পরিবার-পরিজন নিয়ে আমাদের একটি শান্তিময়, স্বচ্ছল ও নিরাপদ জীবন দান করুন৷ শ্রমজীবী- পেশাজীবি-বুদ্ধিজীবী-ব্যবসাজীবি’র উন্নত জীবন দান করুন।”

হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রবর্তিত ত্বরীকা এবং তাঁর গাউসিয়ত আজমিয়তের শান-মান মানুষের সামনে যথাযথ ভাবে তুলে ধরার তৌফিক কামনা করে তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের আনাচে-কানাচে যুগে যুগে আল্লাহর দ্বীনের পতাকাকে উড্ডীন রাখার জন্য যেসব বান্দা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের পথেই আমাদের পরিচালিত করুণ।”

পবিত্র উরস্ উপলক্ষে জাতি-ধর্ম-বর্ণ, ধনী-গরিব, দল-মত নির্বিশেষে আল্লাহ’র মহান এই অলি’র দরবারে যারা হাজির হয়েছেন তাদের সকলের উপস্থিতি কবুল করার ফরিয়াদ জানিয়ে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী মোনাজাতে আরও বলেন, “হে আল্লাহ আমরা আপনার কাছে শূন্য হাতগুলো তুলে দিয়েছি। আমাদের ত্রুটিপূর্ণ ইবাদত বন্দেগী কবুল করুন। হে আল্লাহ আপনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক:)-কে আমাদের মাঝে আপনার বন্ধুরুপে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। মহান এই অলি’র পবিত্র উরস্ মোবারকের উছিলায় নেয়ামত হাসিলের তৌফিক দিন। উরস্ উপলক্ষে আপনার বান্দারা অগণিত সামাজিক, মানবিক, শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে ইবাদত বন্দেগী করেছেন। তাদের সকল প্রচেষ্টা ও হাজিরী কবুল করুন।”

প্রসঙ্গত, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের ১০ই মাঘের প্রধান এই উরসকে কেন্দ্র করে প্রতিবছরের মতো এবারও লাখ লাখ আশেক ভক্ত জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণী পেশার মানুষ ভেদাভেদ ভুলে সমবেত হয়েছেন। গতকাল শনিবার বা’দ ফজর শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)-রওজা শরিফ গোসল ও গিলাফ চড়ানোর মাধ্যমে উরস শরিফের উক্ত আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। উক্ত উরস্ শরীফ উপলক্ষে শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের উদ্যোগে যথাযথ ভাব-গাম্ভীর্যের ভিতর দিয়ে ইতঃমধ্যে ১০ দিনব্যাপী ধর্মীয়, আধ্যাত্মিক, সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ