আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের নামে জাতির সাথে তামাশা করেছে সরকার

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির লিফলেট বিতরণকালে আবুল হাশেম বক্কর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, দ্রব্যমূল্যের চরম উর্ধগতিতে সাধারণ মানুষ এমনিতেই দিশেহারা। এরমধ্যে দাম সমন্বয়ের নামে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি জনগণের জীবনকে আরও ভোগান্তির মধ্যে ফেলবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সাল থেকে ১৫ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। জনগণকে নিপীড়ন ও ফতুর করার নীতি গ্রহণ করেছে সিন্ডিকেট সরকার। জ্বালানি তেলের ম্ল্যূ সমন্বয়ের নামে ডিজেলের মূল্য ৭৫ পয়সা, পেট্রোল ৩ টাকা ও অকটেন ৪ টাকা কমিয়ে সরকার জাতির সাথে তামাশা করেছে।যখনই লুটেরা সরকারের টাকায় টান পড়ছে তখনই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার বেগমপাড়ায় দামি বাড়ি গাড়ির জন্য টাকা দরকার। তাই আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। গ্যাস সংকট জিইয়ে রেখে এলএনজি’র ব্যবসার দ্বার খোলা হয়েছে। এটা স্পষ্ট যে, বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতের লোকসান আসলে সরকারের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর দুর্নীতির ফল। কিন্তু এর দায় মেটাতে হচ্ছে জনগণকে।

তিনি শনিবার ৯ মার্চ দুপুরে কদমতলী শুভপুর বাস ষ্টেশন এলাকায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কদমতলী নেওয়াজ হোটেল মোড়, পশ্চিম মাদরবাড়ি, ডিটি রোড় ও শুভপুর বাস ষ্টেশন এলাকায় স্থানীয় দোকানদার, পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ শিরোনামের লিফলেট বিতরণ করেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকার যে ভর্তুকি বরাদ্দ করেছিল, যার বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিশেষ করে ক্যাপাসিটি চার্জ সংক্রান্ত অব্যবস্থাপনা, লুটপাট ও বিদ্যুৎ খাতে পুকুর চুরির কারণে সরকার বিদ্যুতে বিপুল ভতুর্কি দিতে বাধ্য হচ্ছে। সরকার লুটপাট করার জন্য তুলনামূলক কম টাকায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে কয়লা, তেল, গ্যাস ইত্যাদি পরিবেশ দূষণকারী ফসিল ফুয়েল ব্যবহার করে দেশের পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনছে। কয়লা, গ্যাস, তেল ইত্যাদি আমদানির নামে দেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার করছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, শাহ আলম, সদস্য জয়নাল আবেদিন জিয়া, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক শেখ নুর উল্লাহ বাহার, সদরঘাট থানা বিএনপির সভাপতি মো. সালাউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন বাবু, নগর বিএনপি নেতা মো. আলী, আবদুল বাতেন, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আলী আজম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য সাইফুর রহমান শপথ, পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, বিএনপি নেতা ইলিয়াছ মিয়া, মো. শাহজাহান, সিরাজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, আবদুল আজিজ, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নজরুল ইসলাম মিয়াজী, এস এম রব, মজিবুর রহমান, কমল জ্যোতি বডুয়া, মো. ইসমাইল, সুলতান মাহমুদ সুমন, নূর জাহেদ বাবলু, নূর খান, মো. আলমগীর, মঈনুদ্দিন খান রাজিব প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সদস্যরা।মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি দুপুরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দুই সদস্য অংশ নেন।

মতবিনিময়কালে চট্টগ্রামের মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক পরিবেশ, ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং সামগ্রিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।মতবিনিময়ে উভয় পক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনছুর, প্রচার ও প্রকাশ সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আজাদ।

মহাসমাবেশ ২৫ জানুয়ারী ২১ বছর পর চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২১ বছর পর আগামী ২৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামে বিএনপির নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে দলটির এ শীর্ষ নেতার উপস্থিত থাকার কথা আছে। সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে একদিন আগেই তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন, এমন তথ্য দিয়েছেন দলটির নেতারা। সমাবেশের প্রস্তুতির জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নগরীর মেহেদিবাগের বাসভবনে যৌথসভা আহ্বান করেছেন।

চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সভায় উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, তারেক রহমান সর্বশেষ চট্টগ্রামে এসেছিলেন ২০০৫ সালে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচনি প্রচারণায় এসে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভা করেছিলেন। এরপর এক-এগারো পরবর্তী জরুরি অবস্থায় তিনি গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন এবং একপর্যায়ে দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হন। দেড় দশক পর দেশে ফিরে তিনি পিতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বরণের স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রাম শহরে আসছেন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দিতে।

নগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানিয়েছেন, ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ হবে। সমাবেশের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ‘উনি (তারেক রহমান) ২৪ জানুয়ারি রওনা দেবেন। প্রাথমিকভাবে আমরা বার্তা পেয়েছি যে, ২৪ তারিখ উনি নোয়াখালী, ফেনী, মিরসরাই এবং ফাইনালি সীতাকুণ্ড হয়ে চট্টগ্রাম শহরে আসবেন। ২৪ তারিখ রাতে উনি এখানে একটা হোটেলে অবস্থান করবেন। পরদিন সকালেই প্রোগ্রামটা করে উনি হয়তো-বা চলে যাবেন। প্রোগ্রামটা যদিও এখনো ফাইনালি সাজানো হয়নি। উনি কি বিমানে আসবেন না-কি সড়কপথে আসবেন, সেটা এখনো ফাইনাল হয়নি। তবে উনি ২৪ তারিখ রাতে চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন, এটা ফাইনাল হয়েছে এবং ২৫ জানুয়ারি উনি সমাবেশ করবেন ইনশল্লাহ।

নগরীর পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এখন সমাবেশের জোর প্রস্তুতি চলছে। মাঠটিকে সংস্কারের মাধ্যমে সমাবেশের উপযোগী করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মঞ্চ স্থাপনের প্রাথমিক কাজও শুরু হয়েছে। পলোগ্রাউন্ড ময়দানে গিয়ে মাঠের সার্বিক অবস্থা, মঞ্চ স্থাপন, প্রবেশ ও বহির্গমন পথ, পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত বিষয় খতিয়ে দেখেন। একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা আসলে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এবং আনন্দিত। আমি যখন ২০১২ সালে দলের চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আমরা একটা ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ এখানে (পলোগ্রাউন্ড) করেছিলাম। এটাই ছিল আক্ষরিক অর্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশ। এরপর আর সমাবেশ হয়নি। উনি ২০১৭ সালে আরেকবার এসেছিলেন, সেটা ছিল পথসভা, উনি সরাসরি রোহিঙ্গাদের দেখতে গিয়েছিলেন এবং দেখে চলে এসেছিলেন। পথে পথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ দেশনেত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছিল।

এর আগে, আমাদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উনি চট্টগ্রামে শেষ সমাবেশটা করেছিলেন লালদিঘীর ময়দানে ২০০৫ সালে মেয়র নির্বাচন উপলক্ষ্যে। ২১ বছর পার হয়ে গেছে। ২১ বছর পর উনি চট্টগ্রামে আসছেন। এখন চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে অনেক উন্মাদনা। এখানে শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয়, চট্টগ্রামের মানুষ উনাকে দেখার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। চট্টগ্রামবাসী উনাকে সাদর আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ জনসমুদ্রে পরিণত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২৫ ডিসেম্বর উনি যখন ফিরলেন, তখন কিন্তু দেশের মানুষ বার্তা দিয়েছে যে উনাকে তারা কতটা ভালোবাসে। সেভাবে চট্টগ্রামের মানুষও একটা বার্তা উনাকে দেবে বলে আমাদের বিশ্বাস। চট্টগ্রামবাসীও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছেন উনি কী বার্তা নিয়ে আসবেন। আমরা আশা করি জনসমাবেশটি জনসমুদ্রে পরিণত হবে।

সমাবেশের সময় আমাদের ২৫ জানুয়ারি সকাল ১১টায় বলা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে ১০টায় টাইম দেওয়া হচ্ছে, বাট সকাল থেকেই সবাই চলে আসবে। উনি হয়তো সমাবেশস্থলে আসতে সকাল ১১টা নাগাদ হতে পারে। আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, শুধু নেতাকর্মীদের নয়, আমি চট্টগ্রামবাসীকে আহ্বান জানাই, অত্যন্ত আনন্দমুখর পরিবেশে ফেস্টিভ মুডে উনাকে বরণ করে নেবেন। চট্টগ্রামকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে, দেশকে নিয়ে উনার কী প্ল্যান আছে অবশ্যই সেগুলো উনি বলবেন, একটা সুন্দর বার্তা চট্টগ্রামবাসীর জন্য দেবেন।

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ