আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

উন্নত বাংলাদেশ গড়তে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে ভূমিকা রাখতে হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশের গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন সেই লক্ষ অর্জনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।
শনিবার (৯ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও ষষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদেও কাউন্সিলরদের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে মন্ত্রী এ কথা বলেন। নগরীর পাঁচলাইশে কিং অব চিটাগং ক্লাবে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, বন্দর নগরী চট্টগ্রাম সবসময় সারা বাংলাদেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছে। চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রাজধানী উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চট্টগ্রামের অবদান অন¯^ীকার্য তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশের গড়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন সেই লক্ষ্য অর্জনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অতি গুরুত্বপূর্ণ।
মশার প্রকোপ কমাতে জনসচেতনতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, হাজার প্রকারের মশা আছে পৃথিবীতে, বাংলাদেশে আছে তিন প্রকারের-এনাকিউলিস, কিউলিস এবং এডিস। আমাদের দেশে আগে এডিসের প্রকোপ তেমন ছিল না। এখন প্রচুর এডিসের প্রকোপ দেখতে পাচ্ছি।
‘এক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব আছে। ৯৮ পারসেন্ট এডিস মশা পরিস্কার পানিতে হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব আছে। সিটি করপোরেশন ফগিং করে, স্প্রে করে। এত কিছু করেও সেটা মোকাবেলা করা যবে না। অন্য মশা আপনি স্প্রে করে মারতে পারবেন, এডিস নয়। তিনদিনের জমা পানি যদি ফেলে দেন, তাহলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। সিটি করপোরেশন এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করবে বলে আশা রাখি।’
বন্দর নগরীর আবর্জনা অপসারণে নতুন প্রকল্প দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, “মাথাপিছু আয় বাড়লে আবর্জনার পরিমাণ বাড়বে। ল্যান্ডফিল, এটা সেটা করে হবে না। ময়লা থেকে এনার্জি জেনারেশন করতে হবে।
“মেয়র আমাকে নিউমার্কেট, ইপিজেড ও বহদ্দারহাটে আন্ডারপাসের কথা বলেছেন। প্রিলিমিনারি স্টাডি করে দেন। ফিজিবিলিটি করে উপযোগী হলে প্রকল্প পাস করার ব্যবস্থা করব।”
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘ চট্টগ্রামের সাথে মন্ত্রী মহোদয়ের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প আমরা পেয়েছি, এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আপনি (মন্ত্রী) বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন বলেই পেয়েছি। চট্টগ্রামের কোনো সমস্যা নিয়ে আমরা গেলে আপনি নিরাশ করেন না। চট্টগ্রামের সব সমস্যা আপনি অবগত আছেন।
“চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিজের অর্থায়নে ৮২টা স্কুল পরিচালনা করছে। ৫৬টা হেলথ কমপ্লে· পরিচালনা করছে। ৪টা মাতৃসদন হাসপাতাল পরিচালনা করছে। চিকিৎসা কেন্দ্র, কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট, নার্সিং ইনস্টিটিউট আছে। আপনার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এগিয়ে যাবে। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে, আপনি আমাদের পাশে থাকবেন। চট্টলবাসী আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে।’
চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে নানামুখি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, হোল্ডিং ট্যা· নিয়ে জনগণের আপত্তি ছিল। আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য ৬টি রিভিউ বোর্ড গঠন করে উক্ত রিভিউ বোর্ডে আমি নিজে উপস্থিত থেকে ৮টি স্থানে গণশুনানির মাধ্যমে করদাতাদের চাহিদা মতে সহনীয় পর্যায়ে কর মূল্যায়ন করি। এতে নগরবাসীর গৃহকর নিয়ে যে অসন্তোষ ছিল তা প্রশমিত হয়েছে। আমার এ উদ্যোগের ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৫ কোটি টাকা রাজ¯^ আয় বেড়েছে।

সমাবেশে চসিকের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী অফিশিয়াল কাউন্সিলর ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি জানান। তিনি বলেন, ‘ঢাকার সব মার্কেট চালায় সিটি করপোরেশন। আর চট্টগ্রামে চালায় সিডিএ। আমি অবিলম্বে দাবি জানাই, সব মার্কেট সিটি করপোরেশনকে হস্তান্তর করা হোক।’

সমাবেশে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ লতিফ বলেন, “সিটি করপোরেশনের তিন বছরের উন্নয়নে আমি সন্তুষ্ট। বঙ্গবন্ধু কন্যার চট্টগ্রামের প্রতি যে বিশেষ দায়িত্ব তা তিনি নিজে ঘোষণা করেছেন। এর জন্য সিটি করপোরেশনকে আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন ম্যাচিং ফান্ড ছাড়াই।

“এত কাজ প্রতিটি ওয়ার্ডে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের অনেক অবজারভেশন থাকে, সেগুলো শেয়ার করুন। মেয়র মহোদয় ক্লোজলি মনিটর করুন। অনেক ত্রæটির কারণে সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশি হচ্ছে। ভুক্তভোগীরাই সেটা আপনাকে বলতে পারবে।”

কোনো বাড়ি বা দোকানের সামনে ময়লা পেলে মালিককে জরিমানা করতে হবে মন্তব্য করে এম এ লতিফ বলেন, “কর্ণফুলীতে প্রতিদিন ৩৫০-৪০০ টন পলিথিন গিয়ে পড়ে। নাব্যতা নষ্ট হচ্ছে। এজন্য কোনো বাড়ি বা দোকানের সামনে ময়লা পেলে মালিককে জরিমানা করতে হবে। “কিছুদিন আগে ফুটপাতগুলো চাঁদাবাজরা দখলে নিয়েছিল। সারাজীবন যারা চাঁদার উপর নির্ভর করেছে তাদের থেকে শহরকে রক্ষা করতে হলে মেয়রকে আরো শক্ত হতে হবে “

চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আবদুচ ছালাম বলেন, “চট্টগ্রামের মানুষের আকাঙ্খা মন্ত্রী মহোদয় ভালো করে জানেন। চট্টগ্রামের মানুষ যানজটমুক্ত, জলাবদ্ধতা মুক্ত, বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রাম চায়। মেয়র মহোদয় আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী ২ বছর বাকি আছে। আমরা যারা সাংসদ উনার পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করব।চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, “নগরবাসীর জন্য বসবাসের যোগ্য নগরী গড়তে মেয়র উদ্যোগ নিয়েছে। নগরীকে যানজট মুক্ত করতে এবং ফুটপাতের যত্রতত্র হকার বসা বন্ধ করতে মেয়রের উদ্যোগ নগরবাসীর প্রশংসা পেয়েছে ইতিমধ্যে।
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য সব দায়িত্ব নিয়েছেন। তাই চট্টগ্রামের উন্নয়নে অন্যদেরও মানসিকতার পরিবর্তন এখন প্রয়োজন। পদ্ধতিগত পরিবর্তন আনতে হবে শহরকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করতে হলে।”
সভায় রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে. এম এহেছানুল হায়দর চৌধুরী চট্টগ্রামে সিটি গভার্নমেন্ট চালুর দাবি জানান। চসিকের প্যানেল মেয়র আবদুস সবুর লিটন, গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম জনপ্রতিনিধিদের ¶মতায়নে জোরারোপ করেন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের গৃহিত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জনাব ড. শের আলী, ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলরবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, চসিকের ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, চসিকের বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও সুধীবৃন্দ। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি এবং নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ক্রেস্ট দিয়ে অভিনন্দন জানান মেয়র৷ বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে সুধী সমাবেশ শেষ হয়৷

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ