আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব-ইস্পাহানি মিনি ম্যারাথন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রথমবাররে মতো চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাব-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠতি হয়ছেে মনিি ম্যারাথন-২০২৪। ম্যারাথনরে স্পন্সর প্রতষ্ঠিান হচ্ছে ইস্পাহানি শনিবার (৯ র্মাচ) সকালে এ ম্যারাথনরে সমাপনীতে প্রধান অতথিি হসিবেে উপস্থতি থকেে বজিয়ীদরে মাঝে পুরস্কার বতিরণ করনে জাতীয় সংসদ সদস্য মাহবুব উর রহমান রুহলে।
এর আগে চট্টগ্রাম মেট্রেোপলটিন পুলশি সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বশিষে অতথিি হসিবেে উপস্থতি থকেে এ প্রতযিোগতিার উদ্বোধন করনে। সভাপতত্বি করনে চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাব সভাপতি সালাহ্‌উদ্দনি মো. রজো। পুরস্কার বতিরণ অনুষ্ঠানে সভাপতত্বি করনে প্রসে ক্লাবরে সনিয়ির সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরদি।
চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাবরে যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরয়িারে সঞ্চালনায় উদ্বোধনী ও পুরস্কার বতিরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখনে- সাধারণ সম্পাদক দবেদুলাল ভৌমকি। বক্তব্য রাখনে ইস্পানি টি লমিটিডেরে জনোরলে ম্যানজোর মঈন উদ্দনি হাসান, চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাবরে র্কাযকরী সদস্য জসীম চৌধুরী সবুজ, সইিউজে সভাপতি তপন চক্রর্বতী ও সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, প্রসে ক্লাবরে ক্রীড়া সম্পাদক এম. সরওয়ারুল আলম সোহলে এবং সজিকেএেস’র সহ-সভাপতি মো. হাফজিুর রহমান প্রমূখ।
উপস্থতি ছলিনে ইস্পাহানি লিমিটেডের জিএম মার্কেটিং ওমর হান্নান, চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাবরে সহ-সভাপতি মনজুর কাদরে মনজু, র্অথ সম্পাদক রাশদে মাহমুদ, সমাজসবো ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশদেুল আলম শামীম, র্কাযকরী সদস্য মো. আইয়ুব আলী।,
অনুষ্ঠানে অতথিরিা বলনে, চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাবরে ম্যারাথন একটি অনন্য আয়োজন। এ ম্যারাথন সাংবাদকিদরে পাশাপাশি অন্যান্যদরে মাঝে সামাজকি এবং স্বাস্থ্য সচতেনতা সৃষ্টি করব।
এই মনিি ম্যারথন ছয়টি ক্যাটাগরতিে অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাটাগরগিুলো হলো অর্নুধ্ব চল্লশি, ৪১ থকেে ৫০, ৫১ থকেে ৬০, ৬১ থকেে ৭০, সত্তর্রোধ্ব এবং সদস্যা ক্যাটাগর।ি চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাবরে সামনে থকেে শুরু হয়ে জামালখান মোড়-আসকার দীঘ-িকাজীর দউেড়-িপুরাতন বমিান অফসি-লাভ লইেন- বৌদ্ধমন্দরি মোড়-চরোগী মোড় অতক্রিম করে আবার চট্টগ্রাম প্রসে ক্লাবে এসে ম্যারাথন দৌড় সমাপ্ত হয়।
সদস্যা ক্যাটাগরতিে শরিোপা লাভ করনে, সুচন্দা নন্দী। সত্তর্রোধ্বে প্রথম পঙ্কজ কুমার দস্তদিার, দ্বতিীয় নর্মিল চন্দ্র দাশ, তৃতীয় দবেপ্রসাদ দাশ দবেু, চর্তুথ বপিুল বড়ুয়া, পঞ্চম সুলতান আহমদ আশরাফী, ষষ্ঠ মাখন লাল সরকার, সপ্তম মঈনুদ্দীন কাদরেী শওকত, অষ্টম সরিাজুল করমি মানকি, নবম জালাল উদ্দীন আহমদ চৌধুরী, দশম জাহদেুল করমি কচ।ি
৬১ থকেে ৭০-এ প্রথম দবোশীষ বড়ুয়া দবেু, দ্বতিীয় প্রদীপ নন্দী, তৃতীয় স্বপন কুমার মল্লকি, চর্তুথ জাকরি হোসনে লুলু. পঞ্চম স.ম ইব্রাহীম, ষষ্ঠ মো. আবদি হোসনে, সপ্তম বাবুল চৌধুরী, অষ্টম শশিরি বড়ুয়া, নবম তাপস বড়ুয়া, দশম সুলতান মাহমুদ সলেমি, একাদশ অঞ্জন কুমার সনে।
৫০ থকেে ৬০-এ প্রথম গোলাম মাওলা মুরাদ, দ্বতিীয় খোরশদেুল আলম শামীম, তৃতীয় প্রণব বড়ুয়া র্অণব, চর্তুথ ফরদি উদ্দনি চৌধুরী, পঞ্চম মো. ইউসুব সবুর, ষষ্ঠ ম. শামসুল ইসলাম, সপ্তম জাকারয়িা চৌধুরী, অষ্টম মো. আহসানুল কবরি রটিন, নবম সালাহ্উ্দ্দনি মো. রজো, দশম রনজতি কুমার দ।ে
৪১ থকেে ৫০-এ প্রথম সুমন গোস্বামী, দ্বতিীয় রাজবি রায়হান, তৃতীয় রনি দাশ, চর্তুথ আবীর চক্রর্বতী, পঞ্চম সুজতি চন্দ্র সাহা, ষষ্ঠ এসএম ইফতখোরুল ইসলাম, সপ্তম মজিানুর রহমান, অষ্টম সাইদুল, নবম প্রণব বল, দশম অরুণ বকিাশ দ।ে
অর্নুধ্ব চল্লশি-এ প্রথম আজহার মাহমুদ, দ্বতিীয় জাকরে আহমদে, তৃতীয় মো. সাইফুল ইসলাম, চর্তুথ রাশদে এইচ সরকার, পঞ্চম হুমায়ুন মাসুদ, ষষ্ঠ নাজমুল আলম সাদকেী, সপ্তম মো. রাশদেুল আলম, অষ্টম আবু মোশাররফ রাসলে, নবম সুবল বড়ুয়া, দশম রাহুল কান্তি দাশ নয়ন।
প্রতযিোগতিায় প্রথম, দ্বতিীয়, তৃতীয় ছাড়াও বশিষে পুরস্কার এবং অংশগ্রহণকারীদরে পুরস্কৃত করা হয়। ম্যারাথনরে কো-স্পন্সর কআের স্টীল, ফুড স্পন্সর আরজেএম ফুটওয়্যার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেছেন, সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়েও ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদেরকে বিনামূল্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ চলমান রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন জেলা পর্যায়ে আগামী ১০ মে এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ মে পর্যন্ত এলাকায় চলমান থাকবে।

সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে এ বয়সী শিশুকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ ডোজ এমআর টিকা দেয়া হবে। ৬-৫৯ মাস বয়সী কোন শিশু যাতে টিকা পাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ৪২ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ২৭ এপ্রিল সোমবার পর্যন্ত টিকা প্রদানের হার প্রায় ৪৪ শতাংশ। হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন আমরা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চাই। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে প্রয়োজন। মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন লয়েল রোডস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশন (বিপিএ) সদস্যদের সাথে আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় সভার আয়োজন করেন।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. ইমং প্রু চৌধুরী। সভায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুছা মিয়া, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল ও চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ) ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঢালী, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক কর্ণেল (ডা.) তাহমিদ হক, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা. মোঃ আবুল কালাম ও ইউসিসেফ’র ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিষ্ট ডা. সরোয়ার আলম। ওরিয়েন্টেশন সভায় বিপিএ’র চট্টগ্রাম জেলা শাখার কর্মকর্তা ও সদস্যরা হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

ডা. ফজলে রাব্বি বলেন, হাম-রুবেলা নির্মূলে টিকাদান ক্যাম্পেইন একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচী। বিভাগের কোন শিশু যাতে এই টিকার আওতার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্কদৃষ্টি রাখতে হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে। হাম-রুবেলার টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী। তারপরও কখনও কখনও সামান্য কিছু প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ দেখা দিলে ভয়ের কোন কারণ নেই, এমনিতেই সেরে যাবে। হাম একদিকে যেমন দ্রুত ছড়ায়, অন্যদিকে সঠিক সময়ে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করাও বেশ সহজ।

এটি মূলত ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মতো কাজ করে। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বড় অংশকে যদি টিকার আওতায় এনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা যায়, তবে ওই এলাকার সব শিশু সুরক্ষিত থাকবে। অধিকাংশ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হলে হাম ছড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকবে না। সঠিক তথ্য প্রদান ও টিকাদান কার্যক্রমে শতভাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ওরিয়েন্টেশন সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের চেম্বারে চিকিৎসার জন্য আসা ৬-৫৯ বয়সী শিশুদেরকে এমআর টিকা দেয়ার জন্য অভিভাবকদেরকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে হবে।

মূলতঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপর মিজেলস ছড়িয়ে পড়ায় এটি নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথমে দেশের ১৮ জেলার টিকাদান কর্মসূচী শুরু করেন। এ সময়ে শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রয়োজন থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহ অপ্রতুল। তাই এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে সারাদেশে শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের সরবরাহ নিশ্চিতসহ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন যাতে শুরু করা হয় সে ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ’র মাধ্যমে সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, জনসুরক্ষা (পপুলেশন ইমিউনিটি) বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন জরুরী। পূর্বে এমআর টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা হাম বা রুবেলা রোগ হলেও ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের সময় ১ ডোজ এমআর টিকা দেয়া হবে।

অসুস্থ শিশুরা সুস্থ হলে কিংবা উদ্দিষ্ট শিশু পূর্বে হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইন চলাকালে যে কোন টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে। এমআর টিকা নিরাপদ হলেও কখনও কখন সামান্য কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ভয়ের কোন কারণ নেই, এগুলো এমনিতেই সেরে যাবে। ক্যাম্পেইনে টিকা পাওয়া সত্ত্বেও দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ২ ডোজ এমআর টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তবে দু’টি ডোজের মধ্যে অবশ্যই ২৮ দিনের বিরতি থাকতে হবে।

ক্যাম্পেইন নিয়ে যে কোন ধরনের গুজব রোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুর ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে এমআর টিকা নিতে পারবে, যাদের জন্মনিবন্ধন সনদ নেই তাদেরকে লাইন লিস্ট করে সরবরাহকৃত এমআর টিকা কার্ড পূরণ করে টিকা প্রদান করতে হবে। সভায় জানানো হয়, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ৫ এপ্রিল থেকেই দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় জরুরি ভিত্তিতে প্রথম দফায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। এ সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার রামু, মহেশখালী, চাঁদপুর জেলা সদর ও হাইমচর উপজেলাও কর্মসূচী শুরু হয়।

গত ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বরিশাল ও ময়মনসিংহে দ্বিতীয় দফায় হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই হাম-রুবেলার (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে হাম-রুবেলার টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগের মোট ১৬৪টি স্থায়ী কেন্দ্র, ২৪ হাজার ৬৪০টি ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ টিকা দেয়া হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ১ হাজার ১৫টি মপ-আপ টিম ও সান্ধ্যকালীন ১৬টি টিম এ টিকা প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।

লোহাগাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ৩ জন নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লোহাগাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাস খাদে পড়ে ঘটনাস্থলে ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৫ জন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন-ইন্দাসারা ভিক্ষু প্রকাশ উচিমং মগ (৪৪)। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি চৌধুরী পাড়ার মৃত মংশি মগের পুত্র। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত অন্যদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ