চট্টগ্রাম জেলা:

ফটিকছড়িতে দুই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন।

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভিন্ন জল্পনা কল্পনা, উদ্বেগ উৎকন্ঠা পেরিয়ে সুন্দর ও সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয় ফটিকছড়ির ২ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন শেষ হয়।
এই দুই টি ইউনিয়ন হল ২১ নং খিরাম ইউনিয়ন ও ১৪ নং নানুপুর ইউনিয়ন পরিষদ। নানুপুর ইউনিয়ন নিয়ে সবার দৃষ্টি ছিল নানুপুরের দিকে কারন এই ইউনিয়নে ছিল দুই জন দায়িত্ববান হেভি ওয়েট দুই রাজনীতিবীদ। একজন ফটিকছড়ির বর্তমান এমপি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি ও আরেকজন হল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পুরাতন রাজনীতিবীদ এটি এম পিয়ারুল ইসলাম। দুজনেরই ইউনিয়ন হল এই নানুপুর। তাই পুরো উপজেলার পোকাস ছিল এই ইউনিয়নের দিকে। আর শিল্পপতী হিসেবে এম পির চাচা নূরু নবী রোশনের রয়েছে আলাদা একটা ইমেজ আর অপরদিকে পরাজিত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান  শফিউল আলম অপেক্ষাকৃত বয়সে অনেক ছোট এবং সম্পদের দিক দিয়ে রোশন থেকে পিছিয়ে হলও বিগত পাঁচ বছরে নানুপুর ইউনিয়নে অনেক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধন করেন। বর্তমানে নির্বাচন করতে হলে অর্থ সম্পদেরও আলাদা একটা কদর আছে। আর অপর দিকে অনেকটা ফুরফুরে মেজাজে নির্বাচনে খেলেছেন  ২১ নং খিরামের বর্তমান প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যান প্রার্থী সোহরাব হোসেন। তুলনা মূলক ছোট ইউনিয়ন হলেও প্রার্থী ছিলেন ৩ জন। ২ জন প্রার্থী একই এলাকার হওয়ায় অন্য প্রার্থী সোহরাব ছিলেন ভোটের অংকে এগিয়ে এবং সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি তার স্বপদ আবার ধরে রেখেছেন।
দু বিজয়ী প্রার্থীর মার্কা ছিল আনারস। রসিক মানুষ বলে বেড়াচ্ছে ২ ইউনিয়নের জনগণ মজেছে রসালো ফল আনারসে। আবার বলে বেড়াচ্ছে সৌভাগ্যের প্রতিক এখন আনারস। কারন, বিগত উপজেলায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তৈয়ব আনারস নিয়ে জয় লাভ করেন, আবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে  এটি এম  পেয়ারুল ইসলামও আনারস প্রতিক নিয়ে জয়লাভ করেন।  উল্লেখ্য, নানুপুর আর খিরাম আগে এক ইউনিয়ন ছিল। দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের পর বিগত পাঁচ বছর আগে খিরামে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়। সেই সময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতিক নিয়ে শহীদুল্লাহ্ নির্বাচন করেন। সেই নির্বাচনে অপেক্ষাকৃত বয়সে অনেক ছোট টগবগে তরুণ সোহরাব তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়াই করে চমক দেখান। মাত্র ৩ ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী কে হারিয়ে খিরামের মসনদে বসেন। প্রথম ২ বছর খিরামে বিভিন্ন বিছিন্ন ঘটনা ঘটে এবং অনেকটা ইমেজ সংকটে পরে এই প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সোহরাব। পরবর্তী ৩ বছর অনেকটা ঘুছিয়ে আনেন এবং বেশ কিছু উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করে চমক দেখান। পরিস্থিতি মোটামুটি নিজের অনুকূলে নিয়ে আসেন এবং ভোটের মাঠ গোছাতে সক্ষম হয়। অপর পক্ষে দুই প্রার্থী একই ঘরনার হয়ে যাওয়ায় তাদের নির্বাচনী মাঠ কিছুটা কঠিন হয়। আজকে ৯ মার্চ এর নির্বাচনে সোহরাব আনারস প্রতিক নিয়ে ২৫৯৬ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় বারের মত খিরামের অভিভাবক নির্বাচিত হন। অপর দিকে শিল্পপতি নরুনবী রৌশন ১৪ নং নানুপুর ইউনিয়ন হতে আনারস প্রতিক নিয়ে ৭১৫৩ ভোট পেয়ে নানুপুরের নতুন অভিভাবক নির্বাচিত হন। এই দুই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রশাসন ছিল সম্পূর্ণ হার্ডলাইনে। নির্বাচনী এলাকায় ২ একজনকে একজায়গায় দাঁড়াতে দেয়নি। পুলিশ, RAB, বিজিবি, ছিল কড়া নজরদারিতে। উপজেলা প্রশাসন ছিল সম্পূর্ণ তৎপর। দুই ইউনিয়নে ছিল ২ জন সহকারী পুলিশ সুপার, ম্যাজিসট্রেট, মেবাইল কোর্ট সহ সকল নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা নির্বাচনী প্রধান কর্মকর্তা একটু সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পেরে স্বস্তির নিঃশ্বাস পেলেন এবং জনগণ কে ধন্যবাদ দেন।
এখন জনগণের জল্পনা কল্পনা রমজানের পরে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এখন হতে এই নিয়ে চলতেছে নানা নাটকীয়তা। শেষ মেস অপেক্ষা করতে হবে আগামী ১১ মে পর্যন্ত।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের যোগসাশসে ইটভাটার জন্য প্রবাসীর জমি দখল চেষ্টার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ইটভাটার জন্য এক দুবাই প্রবাসীর বসতভিটা দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদীয়া ব্রিকফিল্ডের মালিক মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি দখলে বাধা দেওয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী ও শ্যালককে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নির্মাণাধীন ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানার তিন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধেও ইটভাটার মালিকের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং জমি বন্ধক দিতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বিলকায়েছ আরা বেগম ও শ্যালক নূর হোসেন মানিক।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী আব্দুল গোফরানের কেনা বসতভিটার জমিতে ইটভাটা সম্প্রসারণ করতে চান জাকির হোসেন। এ জন্য জমির সীমানায় থাকা টিনের বেড়া ভেঙে দখলের চেষ্টা করছেন তিনি। জমি বিক্রি কিংবা তার কাছে বন্ধক না দিলে পরিবারটিকে এলাকায় বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

পরিবারটির দাবি, গত ১২ অক্টোবর দিবাগত রাতে জাকিরের লোকজন গোফরানের জমির দক্ষিণ পাশের টিনের বেড়া ভেঙে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোফরানের স্ত্রী বিলকিস আরা বেগম থানায় মামলা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলেও দাবি পরিবারের।

তাদের অভিযোগ, ঘটনার পর রাত ৮টার দিকে এসআই নজরুল প্রবাসীর স্ত্রী ও তার বড় ভাইকে থানায় ডেকে নেন। সেখানে জাকিরের কাছে জমিটি বন্ধক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তারা তাতে রাজি হননি। এর চার দিন পর, ১৬ অক্টোবর স্বামীর কেনা জমিতে ২১ ফুট বাই ১৬ ফুট আয়তনের টিন ও কাঠ দিয়ে একটি দোচালা ঘর নির্মাণ শুরু করেন বিলকায়েছ আরা বেগম। এ সময় কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নজরুল, এসআই সুমন ও এসআই আনোয়ার ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলেন। একই সঙ্গে জাকিরের সঙ্গে সমঝোতা করে জমিটি তার কাছে বন্ধক দেওয়ার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ পরিবারের। অন্যথায় তাদের বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি ভুক্তভোগীদের।

পরিবারটির ভাষ্য, পুলিশের কথায় রাজি না হয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। ওই দিন রাতেই জাকিরের লোকজন নির্মাণাধীন দোচালা ঘর ও টিনের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে গত ২৬ অক্টোবর দুবাই দূতাবাসের মাধ্যমে নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আব্দুল গোফরান। অভিযোগটি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ গত ৩১ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে জাকিরের লোকজন আবারও ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেঙে ফেলা ঘর ও সীমানাপ্রাচীরের কাঠ ও টিন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছেন তারা।

পরিবারটির আরও অভিযোগ, জাকির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। রাষ্ট্রীয় নিয়মনীতি ও বিধিমালা উপেক্ষা করে উপজেলা প্রশাসনের নিরবতায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ‘মোহাম্মদীয়া’ নামের ইটভাটা পরিচালনা করা হচ্ছে। সেখানে শ্রমিক পরিচয়ে লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগ অস্বীকার করে ইটভাটার মালিক জাকির হোসেন বলেন, ইটভাটার ভেতরে প্রবাসীর ৯ শতাংশ জমি রয়েছে। ওই জমির ওপর আমার মাটির স্তূপ রয়েছে। আমি তাদের বকেয়া টাকা থাকলে নিয়ে যেতে এবং জমিটি বিক্রি করে দিতে বলেছি। কিন্তু তারা আমার কাছে জমি বিক্রি করতে রাজি হননি। পরে তাদের জায়গায় রাখা আমার মাটি ও ইটের খোয়া দিয়ে দিতে বললে তারা বাধা দেন। এরপর তারা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীর স্ত্রী প্রথমে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর এসআই সুমন ও আনোয়ারও সেখানে যান। উভয় পক্ষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে আদালতের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পরামর্শ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে অভিযোগকারী পক্ষ সেখানে ঘর নির্মাণ করতে গেলে ইটভাটার লোকজন বাধা দেন। পরে প্রবাসীর পরিবারসহ দুই পক্ষ বিষয়টি বর্তমান ওসিকে অবহিত করে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরে জানানো হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ