আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম এর পিতা হযরত খাজা আবদুল হাকিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারী (র:) এর ২৯তম চন্দ্র বার্ষিকী

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম এর পিতা হযরত খাজা আবদুল হাকিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারী (র:) এর ২৯তম চন্দ্র বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা, মিলাদ মাহফিল, দু:স্থ রোজাদারদের মাঝে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী বিতরণ এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম এর শ্রদ্ধেয় পিতা হযরত খাজা আবদুল হাকিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারী (র:) এর ২৯তম চন্দ্র বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা,মিলাদ মাহফিল, দু:স্থ রোজাদারদের মাঝে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী বিতরণ এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, হযরত খাজা আবদুল হাকিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারী (র:) এর ৪ রমজান ১৪১৬ হিজরী তারিখে ওফাত হন। তার ২৯তম চন্দ্র বার্ষিকী উপলক্ষে আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের আয়োজনে ১৫ মার্চ ২০২৪ খ্রি: শুক্রবার বাদ জুম্মা বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বাদ আছর এইচ.এম ভবন মিলনায়তনে খতমে কোরআন, দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বিকাল ৩ টায় হযরত খাজা আবদুল হাকিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারীর আতœার মাগফেরাত কামনায় ২৫ নং রামপুর ওয়ার্ডে দু:স্থদের মাঝে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বাদ ইফতার এতিম মিস্কিন ও মুসল্লিদের মাঝে তবারুক বিতরণ করা হয়। এইচ এম ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা দোয়া ও ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। এসময় বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার হাফেজ ও এতিম ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ উপস্থিত থেকে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনাকালে আলোচকগন বলেন, হযরত খাজা আবদুল হাকিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারী একজন সহজ সরল মনের দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। তিনি অলি আউলিয়াদের ভক্ত এবং দরবারে মুসাবিয়ার মুরিদ ছিলেন। এছাড়াও দরবারে মাইজভান্ডারের একনিষ্ঠ আশেকান হিসেবে সত্য ও ন্যায় নীতির উপর জীবন পরিচালনা করে গেছেন। আলোচকগন আরো বলেন, হযতর খাজা আবদুল হাকিম শাহ আল মাইজভান্ডারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের একনিষ্ট ভক্ত হিসেবে আজীবন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে দায়িত্ব সহকারে জড়িত ছিলেন। তাঁর সন্তান ও নাতীরা সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত তাদের মানবসেবা ও সমাজকর্ম বিরল ইতিহাস হিসেবে পরিগনিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে হযরত খাজা আব্দুল হাকিম মাইজভাণ্ডারী (র.) ২৯তম চন্দ্র ওফাত বার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাবেক চেয়ারম্যান ও আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক হাজী আলতাফ মিয়া, সহ-সভাপতি লোকমান আলী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, মাওলানা বশির উদ্দিন, মোস্তফা হাকিম গ্রæপের পরিচালক আলহাজ¦ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, আলহাজ¦ মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ¦ মোহাম্মদ ফারুখ আজম, আলহাজ¦ মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ¦ মোহাম্মদ সাহিদুল আলম, সৈয়দ হাফেজ আব্দুল্লাহ মনজুর আলম ও বাদশা আলম। মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা ইউনুছ রজভী। ২৫নং রামপুর ওয়ার্ডে ইফতার ও সেহেরী সামগ্রী বিতরণকালে স্থানীয় কাউন্সিলার ও প্যানেল মেয়র আব্দুস সবুর লিটন, মোস্তফা হাকিম গ্রæপের পরিচালক আলহাজ¦ মোহাম্মদ সরোয়ার আলম ও সাহিদুল আলম সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার সাংবাদিকদের কল্যাণ, অধিকার বাস্তবায়ন এবং স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষায় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের সফলতায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য ।

শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমউজের চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ভবনস্থ কার্যালয় উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে সাংবাদিক কল্যাণে পর্যাপ্ত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। অথচ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সাংবাদিকদের অবদান অপরিসীম। তিনি স্মরণ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাবাহিতায় সাংবাদিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করেছিলেন। তিনি বলেন, বিএনপি যখনই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে, তখনই সাংবাদিকদের কল্যাণ ও অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য কাজ করা হবে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদ প্রকাশে কোনো ধরনের বাধা বা হস্তক্ষেপে বিশ্বাস করে না। অতীতের মতো গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ নিয়ন্ত্রণের কোনো মানসিকতা সরকারের নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করবেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন একটি বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সকল অঞ্চলের সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় ৩০ থেকে ৩৫ জন সাংবাদিককে তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। চলতি বছরে যারা সুযোগ পাবেন না, তাদের আগামী বছর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।

নিজের সাংবাদিকতার পেশার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন,আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাদে সাংবাদিকতা পেশার নানা সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তিনি অবগত। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দায়িত্ব পালন করছি।
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন উদ্বোধকের বক্তব্যে বলেন,দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার ও সংবাদমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেমন সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন, তেমনি গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে উন্নয়নের পথ সুগম করেন।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক সমাজের উদ্দেশ্যে ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সাংবাদিকতা করে আসছেন, তাদের সবাইকে একটি বৃহত্তর সাংবাদিক পরিবারের অংশ হিসেবে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের স্বার্থে বিভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভূমি এবং পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের চিত্র সংবাদকর্মীদের লেখনীর মাধ্যমেই জনসম্মুখে আসে।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও জনগণের দুর্ভোগের বিষয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন, যা এলাকার উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
সাংবাদিকদের আবাসনসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব সমস্যা সমাধানে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কল্যাণে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান,চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মওলা মুরাদ, দৈনিক আজাদী পত্রিকার সম্পাদক এম এ মালেকসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ