আজঃ বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

বানিজ্যিক রাজধানী:

বিতর্কিতদের দিয়ে তৃণমূলের কমিটি গঠনের অভিযোগ চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কার্যক্রম স্থগিত।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কার্যক্রম কেন্দ্র থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিতর্কিতদের দিয়ে তৃণমূলের কমিটি গঠন নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর গত সোমবার রাতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম নগর কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

জানা গেছে, একই চিঠিতে বিতর্কিতদের দিয়ে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমানকে কারণ দর্শাতে (শোকজ) জন্য বলা হয়েছে। তাদের সাতদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে।

সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরোধী হিসেবে পরিচিত নগরের আরও ১২ নেতাকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তারা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি সুজিত দাশ, দেলোয়ার হোসেন ফরহাদ, মনোয়ার জাহান মনি, মুহাম্মদ আজিজ মিসির, আবদুর রশিদ লোকমান, মিনহাজুল আবেদীন সায়েম ও যুগ্ম সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মামুন ও সরফরাজ নেওয়াজ চৌধুরী রবিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মাসুদ খান ও মো. সালাহউদ্দিন। সংগঠনের শৃঙ্খলা না মেনে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ উত্থাপন করায় তাদের বিরুদ্ধে সাতদিনের মধ্যে জবাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, গত ১৪ মার্চ চট্টগ্রাম নগরীর ৭টি থানা ও ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষণা করে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ। এরপর একাংশ সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করে, মাদক কারবারি, অস্ত্রসহ ফৌজদারি মামলার আসামি এবং বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের নিয়ে থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বলেন, কেন্দ্র থেকে একটি শোকজ নোটিশ পেয়েছি। বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে আমরা জবাব দেব। তবে যেসব ওয়ার্ড-থানা কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেগুলো স্থগিত করা হয়নি। শুধুমাত্র মহানগর কমিটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, আমরা তাদের নামের তালিকা করছি। অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিতর্কিত কেউ থাকলে অবশ্যই যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তাদের বাদ দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় গ্রেফতার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দিয়েছেন আদালত। চান্দগাঁও থানার নতুন দুই মামলায় সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তফা আদালত এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সংশ্লিষ্ট মামলায় দুই মামলায় সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় আসামিরা কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
এর আগে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ছোট সাজ্জাদ এবং তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় শহীদ ফজলে রাব্বী নিহত হন। এ ছাড়া নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর বাড়ির সামনে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় সাজ্জাদ ও তাঁর স্ত্রী তামান্নার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।

এসব মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফজলে রাব্বী হত্যা মামলায় খোরশেদ নামের আরও এক আসামিকেও গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছে পুলিশ। বর্তমানে সাজ্জাদ সিলেট কারাগারে এবং তামান্না ফেনী কারাগারে বন্দী আছেন। গত ১৫ মার্চ ঢাকা থেকে ‘ছোট সাজ্জাদকে’ গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পরে তার স্ত্রী তামান্না ‘কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে আদালত ও জামিন’ কিনে নেওয়ার কথা বলে দেশের আইন ও নিরাপত্তা সংস্থাকে অপমান করেন। তার একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়।

ভিডিওটিতে তামান্নাকে বলতে শোনা যায়, আমরা কাঁড়ি কাঁড়ি, বান্ডিল বান্ডিল টাকা ছেড়ে আমার জামাইকে নিয়ে আসব। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’ গত ১০ মে নগরের চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ ‘ছোট সাজ্জাদের’ স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

চট্টগ্রামের দুই আসনে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দুই দফায় চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা দেয়নি দলটি। এ দুই আসনের প্রার্থী নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। আসন দুটি হচ্ছে- চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) এবং চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক)।শেষ মুহূর্তে চট্টগ্রামের এই দুই আসনে বিএনপির প্রার্থিতা নিয়ে কী চমক অপেক্ষা করছে- এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই রাজনৈতিক অঙ্গনে। এদিকে আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যে যেকোন সময় বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে এ দুই নির্বাচনী আসনে। এ নিয়ে চুলচেড়া বিশ্লেষণ চলছে। হিসাব মেলাতে ব্যস্তসময় পার করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারাও।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে গত ৩ নভেম্বর ২৩৬টি এবং ৪ ডিসেম্বর ৩৬টিসহ দুই ধাপে ২৭২ আসনে সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১০টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৪টি মিলে মোট ১৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি।ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন- চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) সরোয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) মোস্তফা কামাল পাশা, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও বায়েজিদ) ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও, বোয়ালখালী ও পাঁচলাইশ-আংশিক) এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া) আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) সরওয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৫

(সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) নাজমুল মোস্তাফা আমিন এবং চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা।
বিএনপির একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর, পতেঙ্গা, ডবলমুরিং, ইপিজেড ও সদরঘাট) আসনটি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নিজের আসন। তবে তিনি এবার মনোনয়ন পান চট্টগ্রাম-১০ (ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী) আসনে। তাই এবার এ আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হলেন- বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু ও নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। তাছাড়া চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া-আংশিক) আসনটি বিএনপির শরিক এলডিপিকে ছেড়ে দিতে পারে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে এলডিপির প্রার্থী হতে পারেন এলডিপির সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম অথবা তার ছেলে অধ্যাপক ওমর ফারুক। তিনি এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য। তবে এ আসন থেকে বিএনপির

মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন বেশ কয়েকজন। তারা হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মহসিন জিল্লুর করিম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী এবং বিএনপি নেতা শফিকুল ইসলাম রাহী।

আলোচিত খবর

আরব আমিরাতে ভিসা সংকটে বড় হুমকির মুখে বাংলাদেশি শ্রমবাজার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের  অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা জটিলতায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। নতুন ভিসা ইস্যু বন্ধ থাকা এবং অভ্যন্তরীণ ভিসা পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় বিপাকে পড়েছেন প্রবাসীরা। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালালেও কবে ভিসা উন্মুক্ত হবে— সে বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানাতে পারছে না বাংলাদেশ মিশন। বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে আমিরাত সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর।

ভিসা জটিলতা শ্রমবাজারের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রভাব পড়ছে প্রবাসীদের কর্মসংস্থান, আয়-রোজগার এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষে অবৈধভাবে বসবাস, লিঙ্গ পরিবর্তন, সনদ জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ ওঠায় ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি করেছে আমিরাত সরকার। এতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন বাংলাদেশিরা।

এদিকে দুবাইয়ে স্কিল ভিসা চালু থাকলেও সেখানেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্র্যাজুয়েশন সনদ ছাড়া বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে না। সনদকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন, পরে দূতাবাস বা কনস্যুলেটের যাচাই এবং শেষে আমিরাতের বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হচ্ছে। দীর্ঘ ও জটিল এ প্রক্রিয়ায় হতাশ কর্মপ্রত্যাশীরা।

বাংলাদেশ মিশনের তথ্যানুসারে, স্কিল ভিসায় সনদ জালিয়াতি ঠেকাতে তিন মাস আগে চালু করা হয়েছিল বারকোড ব্যবস্থা। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটিও জাল করে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযোগ আসছে। রাষ্ট্রদূতের মতে, বাংলাদেশিদের মানসিকতা না বদলালে ভিসা সংকট নিরসন সম্ভব নয়।

আবুধাবি বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ বলেন, “গত সাত মাস ধরে ভিসা ইস্যুতে চেষ্টা চালিয়েও কোনো অগ্রগতি হয়নি।কবে হবে সেটিও অনিশ্চিত। আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি, তবে বিষয়টি পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। ”

 

জনশক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা পরিবর্তনের জটিলতা দ্রুত সমাধান না হলে অনেক বাংলাদেশি কর্মীকে দেশে ফিরে যেতে হতে পারে। অনেকেই জানেন না, ভিসা বাতিল হলে কী পদক্ষেপ নিতে হবে। এতে প্রবাসীদের মানসিক চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে বর্তমানে যারা আমিরাতে অবস্থান করছেন, তারা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

বাংলাদেশি প্রবাসী সংগঠকরা মনে করেন, এ অচলাবস্থা কাটাতে সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি প্রবাসীদেরও ভিসা নীতিমালা মেনে চলা জরুরি। নইলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজারে বাংলাদেশ বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ