আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

ফায়ার সার্ভিস উপপরিচালকের সাথে মতবিনিময়ে সুজন

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান

নিজস্ব সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানিয়েছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। গতকাল বুধবার সকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক দিনমনি শর্মা’র সাথে মতবিনিময়ে উক্ত আহবান জানান তিনি।
এসময় সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের সকল শহরে বেড়ে চলেছে বহুতল ভবনের সংখ্যা। আমরা উন্নয়ন নিশ্চিত করেছি, এখন আমাদের এই উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়নে পরিণত করতে হবে। আমাদের ভবনগুলোকে সর্বাগ্রে নিরাপদ করতে হবে। সেজন্য অগ্নি নিরাপত্তা কঠোরভাবে প্রতিফলনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে ভবন অনুমোদনের সময় ফায়ার সার্ভিস সনদ গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক করতে হবে। যে সকল ভবন ইতিমধ্যে নির্মিত হয়েছে অথচ ফায়ার সার্ভিস সনদ গ্রহণ করেনাই সে সকল ভবনে ফায়ার সার্ভিস সনদ গ্রহণে বাধ্য করতে হবে। রাস্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট বসানো আছে, অথচ আগুন লাগলে পানির সাপোর্ট পাওয়া যায় না। ওয়াসার সাথে আলোচনা করে ফায়ার হাইড্রেন্টে সার্বক্ষণিক পানি সরবরাহ রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, নগরীতে এক সময় অনেকগুলো জলাশয় ছিলো যেগুলো আগুন নিভানোর কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। কিন্তু দখলে, দুষণে অনেকগুলো জলাশয় বিলীন হয়ে গিয়েছে। যে সকল জলাশয় অবশিষ্ট রয়েছে সেগুলো যাতে কোন অবস্থাতেই কেউ ভরাট করতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনীয় দৃষ্টি রাখারও অনুরোধ জানান তিনি। প্রয়োজনে সিডিএ’র মাধ্যমে অবশিষ্ট জলাশয়গুলো অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, নগরীর জহুর হকার্স মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার, তামা কুন্ডি লেইনসহ অতি ঝুঁকিপূর্ণ বাজারগুলোতে নিয়মিত অগ্নি নির্বাপক মহড়া চালানো উচিত। সরু গলির কারণে এসব মার্কেটে আগুন লাগলে তা নিভানো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। এতে করে জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে। পাশাপাশি এসব মার্কেটে নিজস্ব অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা গ্রহণ করারও অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া বর্তমান সময়ে এলপিজি সিলিন্ডার দুর্ঘটনার হার আশংকাজনক হারে বেড়েছে। এলপিজি সিলিন্ডার দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা নিতে হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তিকে। এলপিজি সিলিন্ডার জ্বালানি হিসেবে সহজলভ্য হওয়ায় দিন দিন বিপদের কারণ হয়ে উঠছে এটি। ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রাংশের ব্যবহার, পরিবহন ও মজুদ করার নিয়ম না মানার কারণেই এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহারে ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ফায়ার সার্ভিসকে এক্ষেত্রে কঠোর হওয়ার আহবান জানান তিনি। পাশাপাশি এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার, পরিবহন, মজুদ এসব বিষয়ে গ্রাহক পর্যায়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া নিম্নমানের এলপিজি সিলিন্ডার যাতে কোনভাবেই বাজারে আসতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহবান জানান তিনি। নগরীর অগ্নিঝুঁকি কমাতে সকল সংস্থা এগিয়ে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা খোরশেদ আলম সুজনের। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক দিনমনি শর্মা সুজনকে তাঁর দপ্তরে স্বাগত জানান। তিনি সুজনের উত্থাপিত প্রস্তাবনার সাথে সহমত পোষন করেন। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলেই দেশে কল-কারখানা এবং বহুতল ভবনের সংখ্যা বাড়ছে। তবে যেভাবে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে সে তুলনায় পর্যাপ্ত লোকবল এবং আধুনিক অগ্নি নির্বাপন সামগ্রীর অভাব রয়েছে ফায়ার সার্ভিসের। নগরায়নের ফলে এখন শহরে জলাশয়ের খুবই অভাব। পর্যাপ্ত জলাশয় না থাকার ফলে অগ্নি নির্বাপনে ফায়ার সার্ভিসের পানির উপর অধিকাংশ সময় নির্ভর করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে রাস্তায় ফায়ার হাইড্রেন্ট থাকলেও পানি থাকে না। দেখা যায় যে, সিডিএ ভবনের অনুমোদন দিয়েছে কিন্তু রাস্তা সরু, আবার পর্যাপ্ত জায়গা না রেখেই অনেক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব জায়গায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢুকতে না পারায় আগুনের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। নিজস্ব ম্যাজিষ্ট্রেট না থাকার কারণে কোথাও অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া অতি উৎসাহী জনগনও অগ্নি নির্বাপনে একটি বড়ো বাঁধা বলে উল্লেখ করেন তিনি। ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্রাংশের ব্যবহারের ফলে এলপিজি সিলিন্ডার দুর্ঘটনার হার বাড়ছে বলে জানান তিনি। নগরীর অগ্নিঝুঁকি কমাতে সকল সংস্থাকে এক ছাদের নীচে এসে কাজ করতে হবে বলে মত প্রকাশ করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক দিনমনি শর্মা। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক এমডি আবদুল মালেক, নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো. ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেন, মো. শাহজাহান, মো. সেলিম প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ ভাবে মাটি উত্তোলন: ট্রাক্টর জব্দ, একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের ঘটনায় প্রশাসনের যৌথ অভিযানে দুইটি মাটি ভর্তি ট্রাক্টর-টলি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) রাত ১টা ৩০ মিনিটে সদর উপজেলা প্রশাসন ও সদর মডেল থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ঝিলিম ইউনিয়নের দক্ষিণ শহর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে মো. আশরাফুল ইসলাম (৩৭) নামে একজনকে আটক করা হয়। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার আতাহির এলাকার বাসিন্দা ও মো. রুবু মন্ডলের ছেলে।

আটক ব্যক্তিকে সদর মডেল থানায় নিয়ে গিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একরামুল হক নাহিদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত অবৈধভাবে কৃষি জমির মাটি কাটার দায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, আবাদি জমির সুরক্ষা এবং অবৈধ মাটি উত্তোলন রোধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেস ব্রিফিং।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম ও ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ক ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে এ ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে জেলা প্রশাসন ও জেলা তথ্য অফিস।

ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। এ সময় তিনি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খন, বৃক্ষ রোপণ, নারীর জন্য গাড়ি, কৃষক কার্ড এবং কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সুফল ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও জনসেবামূলক উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরাসরি উপকৃত হচ্ছে। তিনি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সুমন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাজেদুর ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদদাদ হোসেন, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু, জেলা তথ্য অফিসার এইচ. এম. শাহজাহান মিয়াসহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ