মানববন্ধন ও সমাবেশ চসিক কাউন্সিলর নূর মোস্তফা টিনুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনুর মুক্তির দাবিতে চকবাজার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে চকবাজার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধন সমাবেশে চকবাজার ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ কাউন্সিলের মুক্তির দাবিতে ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে কাউন্সিলর টিনুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্র অবস্থা থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসছেন। চট্টগ্রামের একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি দিন-রাত চট্টগ্রামের শিক্ষার জোন হিসেবে পরিচিত ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪৮টি কোচিং সেন্টার সম্বলিত চকবাজারবাসীর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কাউন্সিলর টিনু চকবাজারে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। টিনুর নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কবল থেকে চকবাজার মুক্ত হয়েছে। তার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে চকবাজার ওয়ার্ডে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বেআইনি কর্মকান্ড অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। একটি কুচক্রি মহল সরকার ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভাবমূর্তি নষ্টের উদ্দেশ্যে চকবাজার এলাকায় বিদ্যমান শান্তি-শৃঙ্খলার পরিবেশ বিনষ্ট করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর জন্য এই জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। চলমান চকবাজার ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত করতে এবং সন্ত্রাস, পরিচ্ছন্নতা ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ডে পরিণত করার সংগ্রামে কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনুকে বিরত রাখতে ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। অবিলম্বে উক্ত মামলা প্রত্যাহার পূর্বক টিনুর নিঃশর্ত দাবি জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সদস্য ও ওয়ার্ড সচিব মোহাম্মদ তারেক সুলতানের সভাপতিত্বে এবং নিজাম উদ্দিন আহাদ ও মিঠুন চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও পূর্ব কাপাসগোলা মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা বাচা, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক মিন্টু, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মুজিবুর, আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বাদুরতলা মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের রণি, মতি টাওয়ার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক, সিটি কর্পোরেশন খেলোয়াড় একাদশের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, আসাদুর রহমান, মোহাম্মদ আনোয়ার, মো. ইমরুল হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ নেতা মো. নুরুন্নবী, যুব সংগঠক বিপ্লব দে, মহানগর তাঁতী লীগের সদস্য সজল দত্ত, মহানগর ছাত্রলীগের উপ-পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল, উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অভিক, চকবাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ইভান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আমির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন সুমন, শামীম হোসেন, নাসির উদ্দীন রিপন, মোহাম্মদ সুমন, মোহাম্মদ আসাদ, বোরহান উদ্দিন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ নাসের, গিয়াস উদ্দিন সাজিদ, মোহাম্মদ মিজানুর, সৌরভ উদ্দিন বাপ্পা, ছোটন মিত্র, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন, আলাউদ্দিন আরিফ, শফিউল আজম, মো. জুলকাস, ইমন রশিদ সায়েদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বোয়ালখালী থানা পুলিশের অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ নুরুল আলমসহ পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— বোয়ালখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁন্দারপাড়ার বাসিন্দা মো. হোসেন (২৪), পোপাদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমন (১৯) এবং একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান ওরফে ফোরকান (৫৫)।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মো. হোসেন বোয়ালখালী পৌর যুবলীগের নেতা, ইমন পোপাদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সেক্রেটারি এবং আব্দুস সোবহান ওরফে ফোরকান বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত।

তাঁদের মধ্যে মো. হোসেন বোয়ালখালী থানার মামলা নম্বর ০৭-এর এজাহারনামীয় আসামি। মামলাটি ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(১), ৬(২), ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। অপর দুজনকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।আইনগত ব্যবস্থা: গ্রেপ্তার তিন আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুর্ঘটনা মা-মেয়ের পৌঁছানো হলো না গন্তব্যে, পথেই সব শেষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানো একটি মাইক্রোবাসের দুর্ঘটনায় একসঙ্গে প্রাণ হারালেন মা ও মেয়ে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে ওই মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ উন্নয়ন কেন্দ্রের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন মাইক্রোবাসের আরও চার যাত্রী। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে গন্তব্যের বেশ কাছাকাছি চলে এসেছিলেন তারা। আর কিছুক্ষণ পরই হয়তো পৌঁছাতেন কাঙ্ক্ষিত স্থানে। কিন্তু পথেই সব শেষ।

নিহত দুজন রোজী আক্তার (৬০) ও তার মেয়ে নাজমা খাতুন (৪২)। রোজীর বাড়ি জয়পুরহাট পৌরসভার বাদশা গ্রামে। তার স্বামী মৃত নজিবুর রহমান। আর মেয়ে নাজমার শ্বশুরবাড়ি একই জেলার জামালগঞ্জ গ্রামে। মেয়েটির স্বামীর নাম আসলাম হোসেন। জয়পুরহাট থেকে একসঙ্গে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন নিহত দুজন।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ উন্নয়ন কেন্দ্রের সামনে পৌঁছালে চালক হঠাৎ গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তেই গাড়িটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গুরুতর আহত হন ভেতরে থাকা যাত্রীরা। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করেন তাদের। আহতদের চিকিৎসার জন্য দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রোজী ও নাজমাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, দুর্ঘটনায় আহত বাকি চার জনের মধ্যে মো. আলতাফ হোসেন (৫২) নামের একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি বাকি তিনজনের নাম-পরিচয়। বর্তমানে চিকিৎসাধীন তারা।

বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার এসআই জামান জানান, চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই মাইক্রোবাসটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে এবং চারজন আহত হয়েছেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ