আজঃ মঙ্গলবার ২৩ জুন, ২০২৬

মানববন্ধন ও সমাবেশ চসিক কাউন্সিলর নূর মোস্তফা টিনুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনুর মুক্তির দাবিতে চকবাজার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে চকবাজার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধন সমাবেশে চকবাজার ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ কাউন্সিলের মুক্তির দাবিতে ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে কাউন্সিলর টিনুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্র অবস্থা থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসছেন। চট্টগ্রামের একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি দিন-রাত চট্টগ্রামের শিক্ষার জোন হিসেবে পরিচিত ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪৮টি কোচিং সেন্টার সম্বলিত চকবাজারবাসীর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কাউন্সিলর টিনু চকবাজারে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। টিনুর নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কবল থেকে চকবাজার মুক্ত হয়েছে। তার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে চকবাজার ওয়ার্ডে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বেআইনি কর্মকান্ড অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। একটি কুচক্রি মহল সরকার ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভাবমূর্তি নষ্টের উদ্দেশ্যে চকবাজার এলাকায় বিদ্যমান শান্তি-শৃঙ্খলার পরিবেশ বিনষ্ট করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর জন্য এই জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। চলমান চকবাজার ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত করতে এবং সন্ত্রাস, পরিচ্ছন্নতা ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ডে পরিণত করার সংগ্রামে কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনুকে বিরত রাখতে ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। অবিলম্বে উক্ত মামলা প্রত্যাহার পূর্বক টিনুর নিঃশর্ত দাবি জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সদস্য ও ওয়ার্ড সচিব মোহাম্মদ তারেক সুলতানের সভাপতিত্বে এবং নিজাম উদ্দিন আহাদ ও মিঠুন চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও পূর্ব কাপাসগোলা মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা বাচা, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক মিন্টু, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মুজিবুর, আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বাদুরতলা মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের রণি, মতি টাওয়ার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক, সিটি কর্পোরেশন খেলোয়াড় একাদশের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, আসাদুর রহমান, মোহাম্মদ আনোয়ার, মো. ইমরুল হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ নেতা মো. নুরুন্নবী, যুব সংগঠক বিপ্লব দে, মহানগর তাঁতী লীগের সদস্য সজল দত্ত, মহানগর ছাত্রলীগের উপ-পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল, উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অভিক, চকবাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ইভান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আমির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন সুমন, শামীম হোসেন, নাসির উদ্দীন রিপন, মোহাম্মদ সুমন, মোহাম্মদ আসাদ, বোরহান উদ্দিন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ নাসের, গিয়াস উদ্দিন সাজিদ, মোহাম্মদ মিজানুর, সৌরভ উদ্দিন বাপ্পা, ছোটন মিত্র, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন, আলাউদ্দিন আরিফ, শফিউল আজম, মো. জুলকাস, ইমন রশিদ সায়েদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পানিতে পড়ে নিখোঁজ মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের লাশ উদ্ধার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের খাল ভাঙনে ঘর ধসে রুবেল মিয়া (৩০) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রায় ৭ ঘণ্টা পর ভেঙে পড়া ঘরের নিচ থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বড়দল পুরানহাটি এলাকার মাঝের খালে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়দল পুরানহাটি এলাকার বাসিন্দা বশিরুল হকের ছেলে রুবেল মিয়া(৩০)দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তাকে ঘরের ভেতরে রশি দিয়ে সবসময় বেঁধে রাখতেন। সোমবার সকালে পাহাড়ি ঢলের পানি বড়দল মাঝের খাল দিয়ে প্রবল বেগে প্রবাহিত হচ্ছিল। পানির প্রবল স্রোতে খালের পাড় ভেঙে গেলে পাশেই থাকা বশিরুল হকের ঘর খালে ধসে পড়ে। এ সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত ঘর থেকে বের হতে সক্ষম হলেও রুবেল মিয়া বের হতে পারেননি। ঘরের একটি কুটিরের সঙ্গে বাঁধা থাকায় ঘরসহ তিনি পানিতে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর বিকাল ৪টার পর দুর্ঘটনাস্থলে ভেঙে পড়া ঘরের কুটিরের নিচ থেকে রুবেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর নিখোঁজ রুবেল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আল্লাহর ঘরে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক- সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদ্রাসায় ও মসজিদে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মিটিং নিষিদ্ধ করতে আইন পাসের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ। বাজেট আলোচনায় সংসদে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি তোলেন।

সোমবার ২২ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ এ কথা বলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ