আজঃ বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫৬টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ চলমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাণিজ্য মেলার এ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনের অংশহিসেবে ৫৬টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ চলছে বলে জানালেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী। গতকাল বৃহস্পতিবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি আয়োজিত ৩১তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সার্টিফিকেট ও এ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট ওমর হাজ্জাজ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৪ কমিটির চেয়ারম্যান এ. কে. এম. আক্তার হোসেন বক্তব্য রাখেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), মাহফুজুল হক শাহ, বেনাজির চৌধুরী নিশান, ইঞ্জিনিয়ার ইফতেখার হোসেন, মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, মাহবুবুল হক মিয়া, মোঃ রেজাউল করিম আজাদ, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, আখতার উদ্দিন মাহমুদসহ অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি বলেন-বর্তমান সরকার বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বিশেষ করে কর্ণফুলী টানেল, বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে এই নগরকে আরো আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু দখলে-দূষণে যদি কর্ণফুলী বুড়িগঙ্গা নদীর মতো হয়ে উঠে তাহলে এই নগরের অস্তিত্বই থাকবে না। কর্ণফুলীকে বাঁচাতে সকলকে সোচ্চার হতে হবে, যেখানে সেখানে ময়লা ও পলিথিন না ফেলার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। তিনি বলেন-চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসনের অংশহিসেবে ৫৬টি খালের মধ্যে ৩৬টি খাল সংস্কারের কাজ চলছে। বাকী খালগুলোও কীভাবে উদ্ধার করা যায় সেজন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। পরবর্তীতে তা উদ্ধারেও উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি বলেন-নগরীকে বাসযোগ্য ও জনগণের চলাচল যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়ে সেজন্য অবৈধ ও দখলকৃত ফুটপাত উদ্ধার করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত হকারদের চিহ্নিত করে তাদের জন্য হলিডে এবং নাইট মার্কেট চালু করার চিন্তা ভাবনা করছে কর্পোরেশন। তাছাড়া চট্টগ্রামকে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় এবং সত্যিকার বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিকমানের কনভেনশন ও এক্সিবিশন সেন্টার করার জন্য চেষ্টা করছে সিটি কর্পোরেশন।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চিটাগাং চেম্বারের গুরুত্ব ও ভূমিকা অন্যতম উল্লেখ করে বিশেষ অতিথি বিভাগীয় কমিশনার মোঃ তোফায়েল ইসলাম বলেন-চট্টগ্রামকে বাদ দিয়ে দেশের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। গত ২৫ বছরে চট্টগ্রাম শহরের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যারফলে টু টাউন ওয়ান সিটির আদলে চট্টগ্রামকে সম্প্রসারণেরও সুযোগ তৈরী হয়েছে। তাই চট্টগ্রামকে পরিকল্পিত উপায়ে গড়ে তুলতে হবে। যাতে জলাবদ্ধতা ও পাহাড় ধসের মত ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে। তিনি সর্বজনীন পেনশন স্কীম সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলে আগামীতে বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে অসহায় পিতা-মাতাকে ফেলে যাওয়ার মত ঘটনা ঘটবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সর্বজনীন পেনশন স্কীমের আওতায় আনতে এবং সকলের কাছে সর্বজনীন পেনশনের গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি আহবান জানান।
বিশেষ অতিথি মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন-চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এছাড়াও চট্টগ্রামকে বৈশ্বিক অবস্থানে তুলে ধরতে হলে আন্তর্জাতিকমানের বাণিজ্য মেলারও প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি নগরীতে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনতে বাস, ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ, ডাম্পিং স্টেশন, ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন ও রিক্সা মুক্ত সড়ক ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম মহানগর বসবাস উপযোগী করে তুলতে এবং নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাতসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সমাজ।জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে ফুটপাতকেন্দ্রিক এ সকল ব্যবসায় কোটি কোটি টাকার লেনদেন হলেও এ থেকে সরকারের কোন রাজস্ব আয় হয় না। তাই এ সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসনের জন্য হলিডে ও নাইট মার্কেট চালু করা গেলে সেখান থেকেও রাজস্ব পাবে সরকার। চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিক বন্দর নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার ও ট্রেড ফেয়ারের জন্য জায়গা বরাদ্দের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান চেম্বার সভাপতি।
মেলা সফলভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব বলেন-সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি পবিত্র রমজান উপলক্ষে প্রতি বছরের মত এ বছরও চিটাগাং চেম্বার স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য বিক্রয় করছে।
চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৪ এর চেয়ারম্যান এ. কে. এম. আক্তার হোসেন মেলা সফলভাবে আয়োজনে অংশগ্রহণকারী সকল দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহ, আগত দর্শনার্থী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, নগর বিশেষ শাখা ও ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে জুরি বোর্ড কর্তৃক শ্রেষ্ঠ প্যাভিলিয়ন, স্টল এবং ক্রিয়েটিভ এ্যাক্টিভিটিস প্রতিষ্ঠানকে এ্যাওয়ার্ড ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরীতে টি. কে. গ্রুপ প্রথম, আবুল খায়ের মিল্ক প্রোডাক্টস লিঃ দ্বিতীয় এবং নিউজিল্যান্ড ডেইরী প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিঃ তৃতীয়; স্টলসমূহের মধ্যে ওয়েলবার্গ, ওয়াকারু ও রাজ টেক্সটাইল (রাজ লুঙ্গি) যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে। এছাড়া ক্রিয়েটিভ এ্যাক্টিভিটিস হিসেবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সেরা নির্বাচিত হয়েছে। উল্লেখ্য, মেলা ২৬ মার্চ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের মতবিনিময়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের সদস্যরা।মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি দুপুরে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দুই সদস্য অংশ নেন।

মতবিনিময়কালে চট্টগ্রামের মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক পরিবেশ, ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং সামগ্রিক নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।মতবিনিময়ে উভয় পক্ষ নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কাজী আবুল মনছুর, প্রচার ও প্রকাশ সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল এবং প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আজাদ।

পাবনার সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৮৯তম ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ৮৯তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা মেতেছিল নিজেদের ক্রীড়ানৈপুণ্য দেখানোর উৎসবে। সেই সঙ্গে দিনটি ছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের উপলক্ষ।

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে এ ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভিন্নধর্মী নানা আয়োজনে সাজানো হয়েছিল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতাটি। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করে। বিদ্যালয়ের বিশাল মাঠ সাজানো হয়েছিল সুন্দরভাবে। খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দর্শকদের আনন্দে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

এছাড়াও ৫৪তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা সমিতির শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ভাঙ্গুড়া উপজেলা ও পাবনা জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিভাগীয় পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে‌র সিনিয়র প্রভাষক মোঃ লোকমান হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ শওকত রেজা।
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় খেলাধুলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আনন্দে উপভোগ করেন দর্শকেরা। বিকেলে প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন। ক্রীড়া পরিচালনায় ছিলেন সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে‌র ক্রীড়া শিক্ষক মোঃ হেদায়েতুল্লাহ।

সরকারি ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে‌র অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ শওকত রেজা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্যে বলেন, ‘ভবিষ্যৎ খেলোয়াড় তৈরি করতে দরকার ছোটবেলা থেকেই নিয়মিত চর্চা। এর ফলে শিশুরা মনের দিক থেকে চাঙা থাকার পাশাপাশি মাঠে এসে খেলার কারণে শারীরিকভাবেও ফিট থাকবে। সার্বিকভাবে, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য এক আনন্দময় ও স্মরণীয় দিন হয়ে থাকবে।’

আলোচিত খবর

গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রধান উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Oplus_131072

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গণভবনে তৈরি করা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

Oplus_131072

রাজনৈতিক দলের নেতা ও সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার বিকালে জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন তিনি।


রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা ও সরকারের উপদেষ্টাদের নিয়ে মঙ্গলবার জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ ঘুরে দেখেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ছবি: পিআইডি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ