আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

আইআইইউসি’র ২৪৭ তম সিন্ডিকেট সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) এর ২৪৭ তম সিন্ডিকেট সভা আইআইইউসির প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। আইআইইউসি সিন্ডিকেটের ২৪৭ তম সভা আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম এর সিন্ডিকেটের সভাপতি আইআইইউসি উপাচার্য প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম আরিফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতেই বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্বত্যাগকারী শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয় ও ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে স্বপরিবারে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিওটি ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, বিওটি সদস্য ও ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার রশীদ আহমদ চৌধুরী, আইআইইউসি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মছরুরুল মওলা, আইআইইউসির ট্রেজারার প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ইউজিসি মনোনীত সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স বিভাগের প্রফেসর ড. সুলতান আহমেদ, অনলাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন সরকার কর্তৃক মনোনীত সদস্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব মোঃ খালেদ রহিম, আইআইইউসি আইকিউএসির ডিরেক্টর প্রফেসর ড. দেলোয়ার হোসেন, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. জাহেদ হোসেন সিকদার, সাইন্সেস অব হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সিআরপির ডিজি প্রফেসর ড. নামজুল হক নদভী ও রেজিস্ট্রার এএফএম আখতারুজ্জামান কায়সার । উক্ত সভায় বিগত ২৪৬ তম সিন্ডিকেট সভার কার্যবিবরনী পেশ ও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
সভায় একাডেমিক কাউন্সিলের সভা, ফাইন্যান্স কমিটির সভা, বিভিন্ন সিলেকশন কমিটির সভা, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনস্ট্রাকশন কমিটির সভা, স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার কমিটির সভা, সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড পাবলিকেশন গভর্নিং বডির সভা ও ডিসিপ্লিন কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহ সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ করা হয় এবং সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির পুরকৌশল বিভাগের বিদায় অনুষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নানা আয়োজনে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং(পুরকৌশল) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ও ফেস্ট মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস বায়েজিদ আরেফিন নগরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুরকৌশল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী সায়মা আকতারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম ।

বিশেষ অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন উপাচার্য(ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান । বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক প্রকৌশলী ড. মোজাম্মেল হক, রেজিস্ট্রার এ এফ এম মোদাচ্ছের আলী, অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, কর্মকতার্, সাংবাদিক, আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থীরা।

শুরুতে র‌্যালি ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য সহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। পরে আমন্ত্রিত অতিথিরা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রকাশনা ম্যাগাজিন অ্যাংকর-২০২৬ এর মোড়ক উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি, বিভাগের সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উপকূলে বাড়ছে বজ্রপাতের তাণ্ডব: জীবন রক্ষায় চাই বিশেষ সতর্কতা ও সচেতনতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​দক্ষিণাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত খুলনা জেলার পাইকগাছাসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এখন বোরো ধান কাটার মহোৎসব চলছে। তবে এই উৎসবের আমেজকে বিষাদে রূপ দিচ্ছে আকাশের ‘অগ্নিঝলক’ বা বজ্রপাত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই অঞ্চলে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রধান শিকার হচ্ছেন খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকরা।

​পাইকগাছার বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠ এবং লোনা পানির ঘের সংলগ্ন এলাকায় কোনো বড় গাছপালা বা উঁচু স্থাপনা নেই। ফলে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকা কৃষকরাই সরাসরি এর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের সাথে উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সংঘর্ষে এই উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘের ঘর্ষণ বেশি হয়, যার ফলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও সংখ্যা দুই-ই বাড়ছে।

​সাধারণত চৈত্র-বৈশাখ মাসে খুলনা অঞ্চলে দুপুরের পর থেকেই কালবৈশাখী ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। ঠিক এই সময়েই কৃষকরা ধান কাটা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। পাইকগাছার অনেক কৃষকের মতে, হঠাত মেঘ জমলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই বজ্রপাত শুরু হয়ে যায়। কাছাকাছি কোনো পাকা দালান বা উঁচু গাছ না থাকায় তারা চরম জীবনের ঝুঁকিতে থাকেন।

​বজ্রপাত থেকে বাঁচতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ , আকাশে ঘন কালো মেঘ বা বিদ্যুৎ চমকানো শুরু করলে দ্রুত পাকা দালান বা টিনের চালের নিচে আশ্রয় নিন, বজ্রপাতের সময় মাছের ঘের, নদী বা খোলা ধানখেত থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে, বড় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে দাঁড়ানো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ,ছাতা বা কাস্তের মতো ধাতব হাতলযুক্ত কোনো কিছু এ সময় ব্যবহার করবেন না, .কাজ করার সময় রাবারের জুতো বা গামবুট ব্যবহার করলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব, বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।

​বজ্রপাতকে বর্তমানে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তালগাছ রোপণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ