চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বিশেষ সাংবাদিক গোষ্ঠী সৃষ্টি করা হয়েছে

মোহ সাইফুল ইসলাম শিল্পী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্র যেভাবে চলছে, রাষ্ট্রের অঙ্গগুলো যেভাবে চলছে, সাংবাদিকতা তার চেয়ে ভালো অবস্থানে নেই। বিশেষ বিশেষ সাংবাদিক গোষ্ঠী এখানে সৃষ্টি করা হয়েছে, যারা সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের সাংবাদিকতা পরিচালিত হয় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যারা চলে তারা সাংবাদিকতা করতে পারে না। সাংবাদিকদের হতে হবে ওয়াচডগ। এখন তারা হয়ে গেছে ল্যাপডগ মানে কোলের কুকুর। ওরা ওয়াচডগের বদলে এখন ল্যাপডগ হয়ে গেছে বাংলাদেশে।

তিনি নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন নেভাল এভিনিউস্থ মেরিটাইম মিউজিয়াম ক্যাপেতে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে)’র ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।সিএমইউজে সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমীন গাজী ও মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

আমীর খসরু বলেন, যারা সাহস করে কথাবার্তা বলছে, লিখছে, তাদের বিরুদ্ধে একটা বড় ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। যেসব সাংবাদিক সংগঠন, মিডিয়ার, কিছু কথা বলার চেষ্টা করছে তারা কিন্তু এখন বড় চাপের মধ্যে আছে। ফ্যাসিস্ট রেজিমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এখনও যে সাংবাদিকগুলো দাঁড়িয়ে আছে, বিশেষ করে আজ এখানে যারা আছে, এখানে অনেক সাংবাদিক চেষ্টা করে যাচ্ছে, ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে অনেক সাংবাদিক চেষ্টা করে যাচ্ছে, অনেক বাধা অতিক্রম করে তারা কিন্তু করে যাচ্ছে, সাহসিকতার সাথে করে যাচ্ছে। আগে ভারতে আমরা শুনতাম ইন্দিরা গান্ধীর ইমার্জেন্সির সময় সরকার থেকে সাংবাদিকদের বলা হয়েছিল একটু বাঁকা হয়ে সরকারের পক্ষে কথা বলতে। কিন্তু তারা বাঁকা হয়ে হামাগুড়ি দিচ্ছিল। সরকার বলেছিল একটু ব্যাং হয়ে আমাদের পক্ষে লিখ, কিন্তু অতি উৎসাহী সাংবাদিকরা হামাগুড়ি দিচ্ছিল। বাংলাদেশ সরকার বলছে হামাগুড়ি দিতে, এরা এখন শুয়ে গেছে, সিজদায় পড়ে গেছে। বাংলাদেশ সরকার বলেছে হামাগুড়ি দাও, এরা সিজদায় পড়ে গেছে। এই হচ্ছে বাংলাদেশের সাংবাদিকতার অবস্থা।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের বেনিফিশিয়ারি সাংবাদিকরা ছাড়া বাংলাদেশের সাধারণ সাংবাদিকরা মুক্ত হতে চাচ্ছে। তারা মুক্তির পথ খুঁজছে। তারা যদি মুক্ত হতে না পারে এখন, তাহলে আগামীদিনে
বাংলাদেশে সাংবাদিকতা বলে কোনোকিছু থাকবে না। সাংবাদিকতা পেশা বলে যে কিছু আছে, এটাও ভুলে যেতে হবে।গণতন্ত্র ফেরানোর দায়িত্ব বিএনপির একার নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি সবাইকে বলি, বিএনপির একার দায়িত্ব না এটা। বিএনপি গুম হবে, খুন হবে, মৃত্যুর মুখে যাবে, চাকরি হারাবে, ব্যবসা হারাবে, শুধু বিএনপির একার দায়িত্ব না। সাংবাদিকদের দায়িত্ব আছে, পেশাজীবীদের দায়িত্ব আছে, সর্বস্তরের মানুষের আজ দায়িত্ব আছে। ৯৫ শতাংশ মানুষ যারা ভোটকেন্দ্রে যায়নি, তারা কিন্তু তাদের একটা দায়িত্ব পালন করেছে। বিএনপি এবং বিরোধী দলের ডাকে তারা দায়িত্ব পালন করেছে, তারা কথা বলেছে, ঘরে বসে কথা বলেছে।

আমীর খসরু বলেন, তারেক রহমান সাহেব অবশ্য ৯৭-৯৮ শতাংশ বলে থাকেন। ২-৩ শতাংশ কারা, যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে, কিন্তু ভোট পায়নি। তারা হালুয়া রুটির কারণে গিয়েছিল, কিন্তু হালুয়া রুটি পায়নি, এখানে ২-৩ শতাংশ আছে। আওয়ামী লীগের মধ্যে যারা ভোট করে জিততে পারেনি, তারাও বলছে ভোট হয়নি। আমি আর ডামি আর কী! কিছু কিছু আমি হেরে গেছে, কিছু কিছু ডামি হেরে গেছে। আমিও বলছে ভোট হয়নি, ডামিও বলছে ভোট হয়নি। আবার ভিক্ষকের দল জাতীয় পার্টির মতো যারা যারা হালুয়া রুটির জন্য গিয়েছিল, তারাও বলেছে ভোট হয়নি। শেষপর্যন্ত একমাত্র শেখ হাসিনা এবং তার কিছু লোকজন বলছে ভোট হয়েছে। তারেক সাহেবের হিসেব তাহলে ঠিক আছে। আমার ৯৫ শতাংশের পর উনার ৩ শতাংশ কোত্থেকে আসছে আমি এখন বুঝে গেছি। যারা গেছে ২-৩ শতাংশ বলছে ভোট হয়নি। তাহলে বাংলাদেশের ২ শতাংশ মানুষও আজকের এ নির্বাচনকে গ্রহণ করেনি, প্রত্যাখান করেছে।

তিনি বলেন, এটা নির্বাচন নয়, গণভোট হয়েছে। নির্বাচনে যাব কি যাব না ? আমরা বলেছি আপনারা নির্বাচনে যাবেন না। শেখ হাসিনা বলেছে যেতে হবে, না গেলে আপনার ভাতা কাটা যাবে, না গেলে এলাকায় থাকতে পারবেন না। পুলিশের ধমক, আওয়ামী মাস্তান লীগের ধমক। আমরা বলেছি, আপানার দেশের জনগণের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে আপনারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। এটা একটা গণভোট হয়েছে। এই গণভোটে দেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ এই নির্বাচন, এই রেজিম, এই নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখান করেছে। আর যারা অংশগ্রহণ করেছ, তাদের মধ্যে আরও ২-৩ শতাংশ প্রত্যাখান করার পর এখন আওয়ামী লীগ একা ছাড়া নির্বাচনের পক্ষে আর কেউ নেই।

তিনি আরও বলেন, আজ সমস্ত দেশ ঐক্যবদ্ধ। সুশীল সমাজ যারা কথা বলতো না, তারাও এখন কথা বলছে। আমাদের মধ্যে অনেকে বলেছেন, ভোটে অংশগ্রহণ করলে বোধহয় ইমরান খানের মতো কিছু হতে পারতো। আরে পাকিস্তানে তো কেয়ারটেকার সরকার কাজ করছে, পাকিস্তানে তো এখনও বিচার বিভাগ কাজ করছে বহুলাংশে, পাকিস্তানের সব রাষ্ট্রীয় সংগঠন দখল করেনি শতভাগ। এজন্য পাকিস্তানে ওরা কিছু করতে পেরেছে। বাংলাদেশে আমরা না গিয়ে যেটা করতে পেরেছি, ৯৫ শতাংশ মানুষকে যে আমরা ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সুযোগ দিয়েছি, এটাই সবচেয়ে বড় সফলতা। এই যে বিএনপি ১৫ বছরের নির্যাতন-নিপীড়ন, গুম-খুন, হত্যা, মিথ্যা মামলার পরও বিএনপি দাঁড়িয়ে আছে, বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে তারা নিতে পারেনি, এটা আরেকটা সফলতা। আন্দোলনের দুই সফলতা। মানুষ ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে এ ভোটকে প্রত্যাখান করেছে, একটা গণভোটের মতো হয়েছে।

আমীর খসরু বলেন, বিএনপি খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে। বিএনপি আজ অনেক বেশি পরিণত। বিএনপি আজ শুধু বাংলাদেশে নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক বেশি শক্তিশালী দল। আমাদের এ যাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। আমাদের সঙ্গে যেসব বিরোধী দল আছে, সবাইকে সাথে নিয়ে, হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে মুক্ত করতে হবে। এটা দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের সংগ্রাম। এ সংগ্রামে বিজয়ী হতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রুহুল আমিন গাজী বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম ভয়াবহ সংকটকাল পার করছে। গণমাধ্যমের টুঁটি এমনভাবে চেপে ধরা হয়েছে যে এর স্বাধীনতা এখন পুরোপুরি বিপন্ন। কথায় কথায় গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকদের জেলে ঢুকানো হচ্ছে। গত ১৫ বছরে ৬০জন সাংবাদিক হত্যা করা হয়েছে। নানান কালা কানুন তৈরি করে গণমাধ্যমকে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে ফেলা হয়েছে। চার শতাধিক গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গণমাধ্যম শিল্পে একটা ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করায় গণমাধ্যম এখন সত্য তুলে ধরতে পারছে না। এসব কারণে গণমাধ্যম দিন দিন জনগনের আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম গণমাধ্যমের হতে পারছে না। গণমুখী চরিত্র হারিয়ে ফেলেছে। গণমাধ্যমের গণ শব্দটি মুছে গেছে। সত্য তুলে ধরতে না পারায় সংবাদমাধ্যম দিন দিন মানুষের আস্থা হারিয়ে ফেলছে। যা সংবাদমাধ্যমকে অস্তিত্বের সংকটে ধাবিত করছে। গণমাধ্যম সব সময় জনগণের পক্ষে থাকার কথা। সাংবাদিকের ভালোর পক্ষে কল্যাণের পক্ষে থাকতে হবে। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলবে। কিন্তু কীভাবে জানি না, জনগণের সঙ্গে গণমাধ্যমের একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। কালে কালে সে দূরত্বটা বাড়ছেই শুধু। আমরা জানি না আমাদের মিডিয়া মালিকরা তা অনুধাবন করছেন কিনা! আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্কট হচ্ছে গণতন্ত্রের সঙ্কট। গণতন্ত্র না থাকলে গণমাধ্যমের যে স্বাধীনতা থাকে না তা আমরা হাঁড়ে হাঁড়ে টের পাচ্ছি।
এতে সন্মানিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন, সিএমইউজের সাবেক সভাপতি ইস্কান্দার আলী চৌধুরী, শামসুল হক হায়দরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম শামসুল ইসলাম, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মহসিন কাজী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট কপিল উদ্দিন চৌধুরী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, চবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. নসরুল কদির, এ্যাবের সভাপতি ইঞ্জি. জানে আলম সেলিম, উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নুরুল আমিন, ইঞ্জি. বেলায়েত হোসেন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক নেতা অধ্যাপক শেখ মহিউদ্দিন ও আলী আব্বাস প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্দোলনের মধ্যেই অবশেষে হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি চুক্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে লাভজনক গুরুত্বপূর্ণ নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) অবশেষে দুবাইভিত্তিক অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দিয়ে পরিচালনার চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকাল তিনটায় ঢাকার ইনভেস্ট বাংলাদেশ অডিটরিয়ামে ডিপি ওয়ার্ল্ড ও ইনভেস্ট বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করবে। বন্দর শ্রমিকরা এর প্রতিবাদে আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছিল ‘চুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই বন্দর অচল করে দেওয়া হবে’। একইসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে মশাল মিছিলের কর্মসূচি রেখেছে শ্রমিকরা।

সরকারি এই উদ্যোগের প্রতিক্রিয়া জানতে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব ইব্রাহিম খোকন ফোনে সাড়া দেননি। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা কমিটির সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টুও ফোনে সাড়া দেননি। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে খুব সীমিত আয়োজন করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। যেখানে অতিথি থাকবেন একশজন। ৩০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে চট্টগ্রাম থেকে। বাকিরা ঢাকার। অনুষ্ঠানে দুপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করবেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান এশা কাজিম।

শ্র্রমিকদের দাবি, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রধান প্রবেশদ্বার। আমদানি-রপ্তানির বড় অংশ এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামোর পরিচালনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার আগে এর অর্থনৈতিক, কৌশলগত ও সার্বভৌমত্বের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। পৃথিবীর কোথাও কোনো দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর শতভাগ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার নজির নেই। চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। তাই এ নিয়ে অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত দেশের জন্য বড় সংকট তৈরি করতে পারে। এরজন্য সরকারকে চরম মাশুল দিতে হবে।

চট্টগ্রামে বন্দরে ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আসছে রেসিং কার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে বিএমডব্লিউ রেসিং কারসহ বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আমদানির আনা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এমন তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘এম/এস আয়াজ অটো ইন্টারন্যাশনাল’ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আরব জাপান ইউজড কারস অ্যান্ড স্পেয়ার পার্টস কোম্পানি’ থেকে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ঘোষণা দিয়ে একটি চালান বন্দরে আনেন।

গতকাল কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায়, ওই চালানে সিকেডি (খণ্ড ) অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ স্পোর্টস বা রেসিং কার, আরেকটি বিএমডব্লিউ ৭৪০আই মডেলের সামনের অর্ধাংশ এবং অর্ধেক কেটে আনা পাঁচটি ইসুজু ট্রাক রয়েছে। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি।

কায়িক পরীক্ষায় প্রথমে সিকেডি অবস্থায় একটি বিএমডব্লিউ দুই আসনের স্পোর্টস বা রেসিং কার পাওয়া যায়। গাড়িটির মডেল এস ড্রাইভ ২৩আই, ইঞ্জিন সক্ষমতা প্রায় ২৫০০ সিসি। আরও পাওয়া যায় বিএমডব্লিউ ৭৪০আই এর সামনের অর্ধাংশ। ২০১৬ মডেলের ওই গাড়ির ইঞ্জিনের ক্ষমতা প্রায় ৩০০০ সিসি।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাস্টমস আইন ২০২৩ এবং বিদ্যমান আমদানি নীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিএমডব্লিউ গাড়িটির বাকি অংশের বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ