আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরে পাঁচ বছর পর অবশেষে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণে প্রক্রিয়া শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাগরিকায় আধুনিক কসাইখানা নির্মাণের বিষয়ে চসিক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে
ছবি-৫- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ‘নগর ভবন’ নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর নগরে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণে প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সাগরিকা পশুর হাটের পশ্চিম পাশে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) এক একর জায়গায় প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণের বিষয়ে চসিক ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর উপস্থিতিতে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ হালালভাবে পশু জবাই হবে এ স্মার্ট কসাইখানায়। এ কসাইখানায় জবাই করা পশুর মাংসে রক্ত-পানি জমে থাকবেনা বিধায় ক্রেতারা মাংস কিনে লাভবান হবেন।
মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর জানতে পারি বিভিন্ন জটিলতায় এই প্রকল্পের বিষয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে সমস্যাগুলো নিরসণ করায় এই প্রকল্প আলোর মুখ দেখছে।
জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে আধুনিক এই কসাইখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এটির নির্মাণ কাজ শেষ হলে নগরের যেখানে-সেখানে পশু জবাই বন্ধ হবে। এতে পরিবেশ দূষণ কমে আসবে। রোগবালাই আছে এমন গরু জবাই করা বন্ধ হবে। বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াকৃত মাংস খেতে পারবে চট্টগ্রামবাসী।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন বলেন, মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ার সাথে সাথে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার চান। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সচেতন জনগণ এই কসাইখানা থেকে জবাই করা পশুর মাংসই খেতে চাবেন। কারণ, এ কসাইখানায় সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মতভাবে মাংস প্রক্রিয়া যাবে। রোগ-জীবাণু ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাবে এ কসাইখানা।এছাড়া এখানে জবাই করা পশুর চামড়াও থাকবে একদম নিখুঁত।
চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মোবারক আলী, চসিকের ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমি, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, আইন কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহীন উল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, চসিক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রতিনিধিবৃন্দ এবং ক্যাবের নেতৃবৃন্দ।
জানা গেছে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গৃহীত চার হাজার ২৮০ কোটি ৩৬ লাখ টাকায় ‘প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন’ (দি লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট–এলডিডিপি) শীর্ষক প্রকল্প ২০১৮ সালে ৮ নভেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)’র সভায় অনুমোদন পায়। প্রকল্পের আওতায় স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের জন্য চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় তিনটি সেমি অটো এবং ২০টি জেলায় একটি করে আধুনিক পশু জবাইখানা নির্মাণ অর্ন্তভুক্ত রয়েছে। এসব কসাইখানার জন্য বরাদ্দ রাখা হয় ৭৩৩ কোটি। তবে বর্তমানে এ ব্যয় আরো বাড়তে পারে বলে প্রকল্প সংশ্লিস্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, আধুনিক কসাইখানাটিকে ঘিরে নগরে গবাদী পশু সংক্রান্ত বড় মাপের একটি ইনস্টিটিউশন গড়ে তোলা হবে। এতে থাকবে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, আইসোলেশন, স্মার্ট স্টকিং স্পেস সুবিধা, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, রক্ত ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট শৃঙ্খলা। ছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় ৫ তলা বিশিষ্ট ভবন এবং জবাই এরিয়া করা হবে। পশুর নাড়িভুড়িসহ শিং ফেলে না দিয়ে বিদেশে রপ্তানির ব্যবস্থা থাকবে এই কসাইখানার আওতায়। এ কসাইখানায় পশু জবাই করার আগে একজন পশু চিকিৎসক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখবেন জবাইয়ের জন্য আনা পশুর। জবাইয়ের পর সেই মাংসও পরীক্ষা করা হবে। পশুর রক্তকে পোলট্রি ফিডে রুপান্তর করা হবে। পশুর অন্যান্য বর্জ্যগুলোও রিসাইক্লিং করা হবে। এই কসাইখানায় একদিনে জবাই করা যাবে ১০০ পশু এবং অপেক্ষায় রাখা যাবে ৩০০ পশু।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ কাজ শেষ হলে নগরের যেখানে-সেখানে পশু জবাই বন্ধ হবে। এতে পরিবেশ দূষণ কমে আসবে। রোগ-বলাই আছে এমন গরু জবাই করা বন্ধ হবে। প্রকল্পের আওতায় যেখানে মাংস বিক্রি করা হবে সেখানে পৌঁছে দেয়ার জন্য কুলভ্যান ক্রয় করা হবে। এই ভ্যানে করেই মাংসগুলো পৌঁছে দেয়া হবে।
জানা গেছে, একনেকে (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) অনুমোদনের এরপর দ্রুততম সময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর আগে এ কসাইখানা নির্মাণে চান্দগাঁও পুরাতন থানা এলাকায় ৮৮ শতক জায়গার প্রস্তাব করে চসিক। তবে ওই ভূমির পাশে থাকা একটি স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিবেশ দূষণের সম্ভাবনা থেকে এতে আপত্তি জানায়। এতে জটিলতা তৈরি হয়। তখন সাথে সাথে চসিকও বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করতে পারেনি। ফলে আটকে যায় প্রকল্পের কাজ। পরবর্তীতে সাগরিকা পশুর হাট সংলগ্ন জায়গাটি বাছাই করে চসিক। এটি পছন্দ হয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরেরও। এ বিষয়ে চসিকের স্টেট অফিসার মো. রেজাউল করিম বলেন, সাগরিকা গরুর বাজারের পশ্চিম পাশে এক একর জায়গায় কসাইখানা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ বুধবার চারঘাট মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন এই দম্পতি। পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার ওই দম্পতি প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেলে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে বের হন।

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি শেষে রাত প্রায় ১টার দিকে তারা সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে বিস্কুট খাচ্ছিলেন তারা। এ সময় এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তাকে একটি পরিত্যক্ত দোকানের পাশে বেঁধে রাখে। এরপর তার স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় তাদের পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি চিৎকার করলে প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তিনি জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম আশরাফুল ইসলাম বলে জানতে পারেন। আশরাফুল চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

চট্টগ্রামের আবাসিক হোটেলে অভিযানে গ্রেফতার-১১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাখালীর ইউনিপার্ক হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. শাহীন (২০), মো. কামাল উদ্দীন (২৫), মো. নয়ন (২৬), শারমিন আক্তার (১৯), রিনা আক্তার (৩৮), বিউটি আক্তার (২০), শারমিন আক্তার (২০), মো. ইউসুফ (৩২), মনি আক্তার (২৫), মো. শাহাদাত হোসেন (২৫) এবং মনি আক্তার (১৯)।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, এদের বিরুদ্ধে সিএমপি অধ্যাদেশের ৭৬ ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নম্বর মূলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ