মৌলভীবাজার:

শহীদদের শ্রদ্ধার স্থান শহীদ মিনার; তরুণ তরুণীর গোপন আস্তানা।

তিমির বনিক মৌলভীবাজার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পর্যটন কেন্দ্র ব্যস্ততম শহর মৌলভীবাজারের অন্যতম প্রাণ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ফুরসত করে কাজের ফাঁকে অবসরে কুশল বিনিময়ে সময় কাটাতে ব্যস্ত শহরের বুকে সাধারণ মানুষজনদের পছন্দের একটি জায়গা শহীদ মিনার।

তবে শহরবাসীর স্বস্তির জায়গায় এখন আর স্বাচ্ছন্দে পরিবার কিংবা পছন্দের কোনো মানুষের সাথে গল্প করা বা ঘুরে বেড়ানোর পরিস্থিতি এখন আর নেই।

উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীর উচ্ছৃঙ্খল বিচরণে ও গোপন আস্তানায় পরিনত করে তুলেছে এনিয়ে অতিষ্ঠ শহরবাসী।

বলা হয়ে থাকে মৌলভীবাজারের অনত্যম প্রাণকেন্দ্র শহরের বুকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবস্থিত এই শহীদ মিনার।

কিশোর-কিশোরি থেকে বৃদ্ধ সকলেরই ব্যস্ততার মাঝে একটু স্বস্তির সময় কাটানোর ও কাছের মানুষের সঙ্গে গল্প করতে শহীদ মিনার পছন্দের একটি জায়গায়র মধ্যে অন্যতম।

সকলের প্রিয় এই শহীদ মিনার যেন এখন স্কুল-কলেজের কিছু শিক্ষার্থীদের আড্ডাখানা। পুরো শহীদ মিনারজুড়েই তাদের আনাগোনা এবং প্রকাশ্যেই চলে ধূমপান। এছাড়াও কিছু উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণী প্রকাশ্যে করছে অবাধ মেলামেশা। এসবের সবই হচ্ছে প্রকাশ্যে দিবালোকে। এদের এমন দৃশ্যে আগতদের বিব্রত হলেও অজানা কারণে কেউ এসবের প্রতিবাদ করছে না।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ, কাশীনাথ আলাউদ্দিন হাই স্কুল এন্ড কলেজ , মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস চলাকালীন সময়ে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে শহীদ মিনারে এসে সময় কাটাচ্ছে। এসময় তাদের একে অন্যের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ট সময় কাটাতেও দেখা গেছে।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহিদদের সম্মানে নির্মিত শহিদ মিনারটিতে শিক্ষার্থীরা প্রকাশ্যে জুতা পায়ে দিয়ে উঠছে, অনেককে আবার দেখা যায় বেশ স্বস্তির সঙ্গে বসে শহিদ মিনারের উপর জুতো পায়ে দিয়ে ধুমপান করছে। এদের এসব কর্মকান্ডের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়তে হচ্ছে নানান ভোগান্তিতে।

শহরের অধিকাংশেই নেই এরকম খোলা মাঠ তাই বিকেলবেলা বন্ধু-বান্ধব নিয়ে খেলতে আসেন অনেকেই। তবে কিছু উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের প্রকাশ্যে এরকম অবাধ মেলামেশার কারণে অনেকের পরিবার থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞাও করা হয়েছে এ জায়গায় না আসার জন্য বাধ্য করছে।

তাদের এসব কর্মকাণ্ডে নজর নেই যেমন অভিভাবকদের, একইভাবে শিক্ষক এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট দ্বায়িত্ব শীলদের তদারকির অভাবে অগোছালো পরিবেশের সৃষ্টি বলে মনে করছে সচেতনমহল।

এ বিষয় শহিদ মিনারে আসা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর কাছে জানতে চাইলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা অনেক সময় স্কুল ছুটির পর এখানে আসি, বসে আমাদের বন্ধু-বান্ধব মিলে অবসর সময় কাটাই। এমন সময় আমরা এসে দেখি আমাদের বড় ভাইয়েরা কিছু মেয়েদেরকে নিয়ে বসে আড্ডা দেন। এটা আড্ডা দেওয়ার জায়গা নয়, এটি শহীদ মিনার যেহেতু আমরা বসতে আসি তখন তাঁরা আমাদের তাড়িয়ে দেন। বলেন এখানে আসতে পারবে না। দেখছো আমরা এখানে বসা এমন মন্তব্য করে আমাদের তাড়িয়ে দেন। আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের ঠিকমতো অধিকারটুকু থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। কিন্তু এটা নিয়ম নয়, আমাদের অভিযোগ করার মতো জায়গা নেই, কাকে জানাবো এমন প্রশ্ন রাখেন ওই শিক্ষার্থী!

তিনি আরও বলেন, বড় ভাইয়েরা যদি এমন কর্মকাণ্ড করেন তাহলে তাদের দেখে আমরা কি শিখবো! এমন কর্মকাণ্ডে একদিন আমাদের সমবয়সীরাও তো জড়াতে পারে।

প্রশাসনের প্রতি আমাদের একটাই দাবি এ সকল অসামাজিক কার্যকলাপ দ্রুত বন্ধ করা হোক। এখানে বিকেলে খেলাধুলা হয়। আর শহীদ মিনারটি আমাদের সংস্কৃতির আশেপাশে যেনো এরকম খারাপ দৃশ্য না দেখতে হয়।

একই কথা বলেন আরেক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, তাদের জন্য আমরা এখানে এসে বসতে পারিনা, তাদের থেকে দূরে সরে বসলেও আমাদের বলেন এখান থেকে চলে যাও। অনেক সময় তাঁরা পায়ে জুতা নিয়ে শহীদ মিনারের বেদিতে উঠেন এটা ঠিক নয়। আমরা চাই এটি বন্ধ হোক।

এ বিষয় পৌর মেয়র মো: ফজলুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয় জেলা প্রশাসক পদক্ষেপ নিবেন। আর পৌর মেয়র হিসেবে আমি প্রতিনিয়তই সাধারণ মানুষজন এবং শিক্ষার্থীদের শহিদ মিনারে জুতো পায়ে দিয়ে না উঠার আহ্বান করেছি। এবং ইতিমধ্যে শহীদ মিনারের ভারসাম্য রক্ষায় মৌলভীবাজার পৌরসভার পক্ষ থেকে নানান ধরনের অভিযান করেছি, যে বা যারা শহীদ মিনারের সম্মান নষ্ট করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নিব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু: বিচার ও যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রামের পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যৌতুকপ্রথা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে পটিয়া থানার মোড় চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের নেতাকর্মী, নিহত দুই নারীর পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় ছাত্র শক্তি পটিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলাম তৌকির, মুখ্য সংগঠক মিছকাত আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব সাকিবুল ইসলাম সাকিব এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আব্দুল্লাহ আশরাফুল (সিফাত)।বক্তারা বলেন, যৌতুকের দাবিতে নারীর ওপর নির্যাতন ও প্রাণহানির ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। যৌতুকপ্রথা নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা। এ সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে পরিবার ও সমাজের সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, পটিয়ায় দুই অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন করতে হবে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
সমাবেশ থেকে যৌতুকপ্রথা নির্মূল, নারীর প্রতি নির্যাতন প্রতিরোধ এবং দুই নারীর মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

নোয়াখালীতে সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট বাড়ি দখল ও হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালী পৌরসভার মাইজদীতে নিজের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটবাড়ি দখল, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন কাজী আজিজ উল্যা নামে এক ব্যক্তি। তার অভিযোগ, বাড়ির দখল নিয়ে বিরোধের জেরে তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালী রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা।

ভুক্তভোগী কাজী আজিজ উল্যা নোয়াখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের স্টেডিয়াম পাড়ার কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার দাবি, ৯৮ নম্বর মাইজদী মৌজায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ জমির ওপর পাঁচতলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট একতলা ফ্ল্যাটবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। বাড়িটির নাম আজিজ টাওয়ার।

লিখিত বক্তব্যে কাজী আজিজ অভিযোগ করেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের দুর্নীতিবাজ মাঠকর্মী এবিএম আবদুল মতিন চৌধুরী ২০২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তাঁর বোনের কাছ থেকে এক শতাংশ জমি কেনেন। পরে তিনি আরো দেড় শতাংশ জমির জাল দলিল তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তাঁর ফ্ল্যাটবাড়ির একটি অংশ দখলের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়।

কাজী আজিজ বলেন, ২০২৩ সালের ১৩ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের দাপট দেখিয়ে আবদুল মতিন চৌধুরী ও তার স্ত্রী আজিজুর নাহারের নেতৃত্বে একদল লোক তার ফ্ল্যাটবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তার বৃদ্ধ মা সারেজাহান বেগম ও বোন সেলিনা আক্তার বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। পরে বাড়িটির একতলা ইউনিট দখল করে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবদুল মতিন চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেলে তিনি পুনরায় বাড়ির দখল বুঝে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। তবে গত ১ সেপ্টেম্বর আবদুল মতিন চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী, ছেলেরা এবং বিভিন্ন এলাকার ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও বাড়িটিতে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন কাজী আজিজ। এ সময় তাকে ও তার বৃদ্ধ মাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় এবং পুনরায় বাড়িটি দখল করা হয়।

কাজী আজিজের অভিযোগ, বর্তমানে বাড়ির ভেতরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান করিয়ে তাঁকে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একাধিকবার বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। এতে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে চরম দুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে তাঁদের।

কাজী আজিজ উল্যা তার বসতবাড়ি দখল, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মতিন চৌধুরীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ