আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

বড়উঠানে ৮ম-তম কোরআন তেলাওয়াত, হামদ্-নাত ও আযান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্ণফুলী উপজেলা, বড়উঠান মৌলভী বাড়ীতে “সৈয়দা হোসনে আরা-আলম খান ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় অষ্টম বারের মত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত, হামদ্-নাত ও আযান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক খান’র চেয়ারম্যান, “সৈয়দা হোসনে আরা-আলম খান ফাউন্ডেশন’র” সভাপতিত্বে ও মিনহাজ উদ্দিন খানের পরিচালনায় গোল্ডেন ইস্পাত সৌজন্যে অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে শাহমীরপুর ফয়জুল বারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা ড. মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, বিশেষ অতিথি কর্ণফুলি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মেজবাহ উদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন, ফাউন্ডেশন’র সচিব মোঃ রেজাউল হক খান, ইউপি মেম্বার সাজ্জাদ হোসেন খান সুমন, মোঃ মিজানুল হক খান, রকিউল হাসান খান সামি, লিয়াকত হোসেন খান খোকন, ব্যাংকার এহতেশামুল হক খান, কলিমুল্লা খান, বদরুদ্দিন খান, মোঃ জহির উদ্দিন টিপু, মোঃ সোহেল, জিহান, রাকিব, অসিউর রহমান, করিম, শাব্বির। প্রধান অতিথি বলেন, রমজানের শিক্ষা নিয়ে মানুষ ব্যাক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্টীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের পরিচালিত করলে সমাজ থেকে সকল দুর্নীতি জুলুম অন্যায় সকল মন্দ কাজের অবসন ঘটবে। মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক খান’র ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাসপাতাল নির্মাণে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। তিনি “সৈয়দা হোসনে আরা-আলম খান ফাউন্ডেশন’র ও এলাকাবাসী ঐতিহাসিক দেয়াং পাহাড়ে আউলিয়াদের নিদর্শন বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনাবলীর স্থানটি সংরক্ষণ, মাইজভান্ডারী আধ্যাত্মিক রিসার্চ সেন্টার ও এই পবিত্র স্থানটি উম্মুক্ত করার দাবির প্রতি সমর্থন জানান। রমজান মাসে আল্লাহতা’য়ালা কোরআন নাযিল করেছেন। আল কোরআনের একনিষ্ট অনুসরণ, অনুকরণ ও রাসুল করিম (সঃ) প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসার মাধমে বিক্ষপ্ত অশান্ত পৃথিবীতে শান্তি আসবেই। ফাউন্ডেশন’র এই ধরনের ধর্মীয় প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেন। তিনি বড়উঠানে একটি হাসপাতাল নির্মাণের ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক খান সভাপতির বক্তব্যে বলেন-আমি এবং আমার পরিবার মানবেতর কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। রমজানে একসাথে ইফতার ধনী-গরীব এর মাঝে ভ্রাত্বত্বের বন্ধন, ভুলবুঝা বুঝি অধিকতর সুদৃঢ় হয়। তিনি গোল্ডেন ইস্পাত সহযোগিতা করার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। সামাজিক দায়বদ্ধতায় গরীব ও অসহায় মানুষের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য বড়উঠানে একটি হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। ইতোমধ্যে হাসপাতালের জন্য একটি জায়গায় ক্রয় করা হয়েছে। সততা, ত্যাগ, সংযম মানবিকতা যদি থাকে, তাহলে যে কোন কঠিনকাজ সহজে হবে বলে মন্তব্য করেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে মাদ্রাসা শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি যেকোন প্রতিযোগিতা মুলক অনুষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ করার জন্য আহবান জানান। মেজবাহ উদ্দিন খান বলেন- তিনি সরকারের বিভিন্ন উন্নিয়নমুলক কাজের কথা উল্লেখ করেন এবং ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক খান’র মহান উদ্যোগ ও মহৎ উদ্দেশ্য প্রশংসা করেন। সম্মানিত বিচারক হিসাবে প্রতিযোগিতার দায়িত্ব পালন করেন বড়উঠান মৌলভী বাড়ী ওয়াইজ বিবি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ সরওয়ার আলম আলক্বাদেরী ছাহেব, মাওলানা মুহাম্মদ মনছুরুলহক খান, মাওলানা গাজী মুহাম্মদ ইছাক, হাফেজ মুহাম্মদ মোরশেদ ও হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। সম্মানিত বিচারকদের সার্বিক তত্ববধানে ছিলেন বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত মোহাম্মদ মোকাম্মেল হক খান, চেয়ারম্যান “সৈয়দা হোসনে আরা-আলম খান ফাউন্ডেশন”। কোরআন তেলাওয়াতে ১ম স্থান মুহাম্মদ হজ্জাতুল্লাহিল গালিব বায়েজিদ, বারখাইন জামিয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসা, আনোয়ারা। ২য় স্থান মোহাম্মদ সাজ্জাদ আলম, ফয়জুল বারী ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা, কর্ণফুলী। ৩য় স্থান মোহাম্মদ হাসান, বারখাইন জামিয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসা, আনোয়ারা। হামদ্-নাতে ১ম স্থান মোহাম্মদ হজ্জাতুল্লাহিল গালিব বায়েজিদ, বারখাইন জামিয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসা, আনোয়ারা। ২য় স্থান মোহাম্মদ সাজ্জাদ, হযরত মামুন খলিফা হাফেজী মাদ্রাসা, চন্দনাইশ। ৩য় স্থান হাবীবুর রহমান তৈয়বিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, বহদ্দার হাট। আযান-এ ১ম স্থান আহাদ আলম চৌধুরী, বারখাইন জামিয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসা, আনোয়ারা। ২য় স্থান আরমান হোসেন, বারখাইন জামিয়া জমহুরিয়া কামিল মাদ্রাসা, আনোয়ারা। ৩য় স্থান মোহাম্মদ শেখ আলিফ মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, ষোলশহর। এবার মোট ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্টান থেকে কোরআন তেলাওয়াতে- ৩৫জন, হামদ্-নাতে- ৩২ জন, আযান-এ- ৩১জন সহ মোট ৯৮জন প্রতিযোগিতায় অংগ্রহন করে। পুরস্কার বিতরণ শেষে ইফতার মাহফিলে সকল মানব জাতির মঙ্গল এবং কল্যানের জন্য মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বুড়িশ্চর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ ইফতেকারুল আলম সায়েম। তাঁর এই অর্জনে এলাকায় আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।দীর্ঘদিন ধরে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসা ইফতেকারুল আলম সায়েম সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে নেতাকর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন।

তাঁর মূল্যানের খবরে বুড়িশ্চর ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি তরুণ সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

ভাঙ্গুড়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে কৃষি শ্রমিক কে মারধরের অভিযোগ, কয়েক ঘণ্টা পর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে এক কৃষি শ্রমিক কে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রায় চার ঘণ্টা পর জামিল হোসেন (৫০) নামে ওই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি রাজশাহীর বাঘা উপজেলার হরিনা গ্রামের আবু মণ্ডলের ছেলে।

অভিযুক্ত ইউসুফ আলী উপজেলার চড়-ভাঙ্গুড়া গ্রামের কুদ্দুস মণ্ডলের ছেলে। তিনি সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা এবং বর্তমানে সদর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ দিন আগে ধান মাড়াইয়ের কাজ করতে জামিল হোসেন তার মেয়ে, মেয়ের জামাই ও চাচাতো ভাইকে নিয়ে ভাঙ্গুড়ায় আসেন। তারা উপজেলার কৈডাঙ্গা গ্রামে রেললাইনের পাশে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন।

নিহতের মেয়ের জামাই আব্দুল কাদের জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইউসুফ আলী জামিল হোসেনকে ধান মাড়াইয়ের কাজে যেতে বলেন। তিনি কিছুটা দেরি হবে জানালে ইউসুফ আলী ক্ষিপ্ত হয়ে ধান মাড়াই মেশিনের চাবি কেড়ে নেন। পরে চাবি ফেরত চাইলে সেই চাবি দিয়েই তাকে মারধর করা হয় এবং জোরপূর্বক ধান মাড়াইয়ের কাজে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি প্রায় তিন বিঘা জমির ধান মাড়াই করেন।

আব্দুল কাদের আরও জানান, কাজ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে তারা কৈডাঙ্গা গ্রামে ফিরে আসেন। এ সময় জামিল হোসেন অসুস্থ বোধ করলে পাশের নদীতে গোসল করতে যান। গোসল শেষে ফিরে এসে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি আগে থেকেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন বলেও জানান পরিবারের সদস্যরা।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনার পর ইউসুফ আলীর চাপে তারা দ্রুত মরদেহ নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ভাঙ্গুড়া থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ আলীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তার বাড়িতেও গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।

ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর-মুজাহিদ স্বপন বলেন, এ ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।
মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী ভাঙ্গুড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে মরদেহের মাথার পেছনে সামান্য কাটা-ছেঁড়ার দাগ পাওয়া গেছে। মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার কারণে ওই আঘাত লেগে থাকতে পারে। শরীরের অন্য কোথাও দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ