আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

দেবহাটায় ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে ৪ বার গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ

দেবহাটা( সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 দেবহাটার কুলিয়া ইউনিয়নের এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ৪ বার গর্ভের সন্তান নষ্ট সহ শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে (১৫ এপ্রিল) দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শামিমা খাতুন (২১) নামের ওই ভূক্তভোগী নারী।
ভূক্তভোগী নারী জানান, আনুমানিক ৩ বছর পূর্বে ভেন্নাপোতা গ্রামের মোশারফ হোসেনের পুত্র ও কুলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাহিদুর রহমান (জুয়েল) সাথে ইসলামী শরিয়াত অনুযায়ী বিবাহ হয়। বিবাহের পরে জানতে পারি জুয়েলের আরো স্ত্রী আছে। তার স্ত্রী থাকা পরেও
বিষয়টি গোপন রেখে আমাকে বিবাহ করে। বিষয়টি নিয়ে কমবেশি সংসারে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। দাম্পত্য জীবনে ঔরসে আমার গর্ভে বিভিন্ন সময় ৪টা সন্তান আসে। কিন্তু যতবার সন্তান আসে ততবার সে বিভিন্ন বাহানায় ঔষধের মাধ্যমে গর্ভপাত করায়। আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক সন্তান নষ্ট করেও সে থেমে থাকেনি। তাছাড়া বিবাহের পর থেকে সে ঠিকতম ভরন পোষণ না দিয়ে উল্টো কারণে অকারণে আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন দিয়ে আসছে। তার নির্যাতন সয্য করতে না পেরে ১৫দিন পূর্বে তালাক প্রদান করি। কিন্তু তালাক দেওয়ার পর থেকে জুয়েল ও তার ভাই জিল্লুর রহমান আমাকে জীবন নাশের হুমকীসহ বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতির হুমকী দেখিয়ে আসছে। গত ১০ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে আমি ভেন্নাপোতা গ্রামে আমার নানী সফুরা খাতুন (৬০) এর বাড়িতে অবস্থান করি। জুয়েল সেখানে এসে আমাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে জখম করে চলে যায়। বিয়ষটি নিয়ে কুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে জানানো হয়েছে। এতে সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের উপর হামলা ও ডিবি পুলিশ দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।
জাহিদুর রহমান (জুয়েল) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কি বলবো, আমি কিছুই করিনি।
এ বিষয়ে কুলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আছাদুল হক বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এমন জঘন্ন কাজ করায় আমি নিজেও লজ্জিত। তালাক দেওয়ার পরও সেই স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন বিষয় মেনে নেওয়ার মত না। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এঘটনার সঠিক তদন্তপূর্বক উপযুক্ত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেখ মাহমুদ হোসেন জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ