আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে  সাংবাদিককে মারধর ও হত্যার হুমকি দিলেন ইউপি সদস্য

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে  সাংবাদিককে মারধর ও হত্যার হুমকি দিলেন ইউপি সদস্য
এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় সাংবাদিককে মারধর ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বোয়ালখালীর ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ইকবাল হোসেন (৩২) ও আতিকুর রহমান আকিজ (২৮) নামের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে ঘটনার পর রাতে নিজের নিরাপত্তার জন্য বোয়ালখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও জাতীয় দৈনিক ভোরের দর্পণ পত্রিকা ও চট্টগ্রাম নিউজের বোয়ালখালী প্রতিনিধি এস এম শাহেদ হোসাইন ছোটন ।
বোয়ালখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) সূত্রে জানা যায়, বিবাদীরা দীর্ঘ দিন থেকে এলাকার খারাপ ছেলেদেরকে নানা রকম অপরাধ করার কাজে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছে।এলাকার অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনার জন্য গত (১৮এপ্রিল)বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিক এস এম শাহেদ হোসাইন ছোটনের বাড়ীতে এলাকার গণ্যমান্য লোকজন নিয়ে সামাজিক বৈঠক হয়।উক্ত বৈঠক বসাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (১৯ এপ্রিল)বিকাল ৫টা ৪৭মিনিটে ০১৮১৯-৪২৪২১২ মোবাইল নাম্বার আতিকুর রহমান আকিজ এবং ৪টা ৪৯ মিনিটে
০১৮১৪-১৩৭৩২৫ মোবাইল নাম্বার থেকে ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেন সাংবাদিক শাহেদ হোসাইন ছোটনকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ,
মিথ্যা মামলা, এলাকায় মারধর করে এলাকা ছাড়া করবে এবং প্রাণে হত্যা করার হুমকি প্রদান করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক এস এম শাহেদ হোসাইন ছোটন বলেন, আমাদের নিজ এলাকায় কিছু কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনার জন্য এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের  সাথে বৈঠক হয়।সেখানে আমিও তাদের সাথে উপস্হিত ছিলাম।বৈঠকটি আমার নেত্বত্বে হওয়ার কথা শুনে ইকবাল হোসেন ও আতিকুর রহমান আকিজ ফোন করে আমাকে আমার বাবা-মায়ের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।এক পর্যায়ে ইকবাল হোসেন আমাকে মারধরসহ এলাকা ছাড়া ও হত্যার হুমকি প্রদান করে।সাংবাদিক ছোটন আরো বলেন গত দুই বছর আগেও ইকবাল হোসেন আমাকে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি এবং এক বছর আগেও সে এলাকার কিছু অবৈধ মাস্তানদেরকে নিয়ে আমার উপর হামলা করতে চেয়েছিলো।কিন্তু আমি এক আমার সাংবাদিক বন্ধুর কারণে রক্ষা পেলাম।বিষয়টি আমি ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বেলাল হোসেনকে জানানোর পর আমি আমার ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য বোয়ালখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করি।
এছাড়াও ইউপি সদস্য ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে এলাকায় বয়ষ্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা করে দেওয়ার নামে ৫ হাজার টাকা করে নেওয়ার অনেক অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়াও ইকবাল বোয়ালখালীর বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ও
ইউনিয়নের মেম্বারের ক্ষমতা ব্যবহার করে এলাকায় বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কাজে প্রভাব বিস্তার করার এলাকাবাসীর অনেক অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্ত ৫নং সারোয়াতলী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃইকবাল হোসেন বলেন,বাড়ীর একটি রাস্তা নিয়ে সমস্যা হয়েছে।থানায় জিডি হয়েছে এটা আমার জন্য কোন বিষয় না।আইন আমার হাতের মুটোই। আইনকে আমি চালাই।
বোয়ালখালী থানার (ওসি)তদন্ত মোঃসাইফুল ইসলাম বলেন,ইকবাল হোসেন ও আতিকুর রহমান আকিজের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী (জিডি)নেওয়া হয়েছে।তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ