আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

সিএমপি’র আকবরশাহ্ থানার অভিযানে চোরাই পিকআপ সহ গ্রেফতার – ১

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

জনৈক আফতাব উদ্দিন বাদশা (৪৮) থানায় হাজির হয়ে জানান, পাহাড়তলী থানাধীন দক্ষিণ কাট্টলী ফইল্যাতলী বাজারস্থ “আফছার মাইক সার্ভিস নামীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মাইক ও সাউন্ড সিস্টেমগুলো তার মালিকানাধীন পিকআপ গাড়ী, যাহার রেজিঃ নং- চট্টমেট্রো- ন- ১১-২১০৮, সিঙ্গেল কেবিন, যাহার মূল্য অনুমান ২,৫০,০০০/-(দুই লক্ষ পঞ্চাশ) টাকা দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবহন করে থাকে। আকবরশাহ থানাধীন উত্তর কাট্টলী আচার্য্য পাড়া এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব অনুষ্ঠানে মাইক ও সাউন্ড ভাড়া দেওয়া হয়। তৎপ্রেক্ষিতে উক্ত পিকআপ গাড়ী দ্বারা মহোৎসব অনুষ্ঠান শেষে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে আসার জন্য গাড়ী চালক মোঃ তানভীর ইসলাম ২০এপ্রিল  রাত একটার সময় আকবরশাহ থানাধীন উত্তর কাট্টলী আচার্য্য পাড়া শ্মশান সংলগ্ন রাস্তার পাশে যায় এবং অনুষ্ঠান শেষ না হওয়ায় গাড়ীটি তথায় পার্কিং করে রাখে। গাড়ী চালক অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল  সকাল ৬ টা ৩০ মিনিটে  অনুষ্ঠান শেষে মাইক ও সাউন্ড সিষ্টেম গাড়ীতে উঠাতে গেলে গাড়ী চালক মোঃ তানভীর ইসলাম অনুষ্ঠানে মাইক ও সাউন্ড সিষ্টেম পরিচালনায় নিয়োজিত থাকা রবিউল হোসেন প্রকাশ রবি ও মোঃ রিয়াজ গণ গাড়ীটি পার্কিংরত অবস্থায় দেখতে না পেয়ে আশপাশে ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে।  উক্ত ঘটনায় তিনি থানায়  অজ্ঞাতনামা চোরের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে আকবরশাহ্ থানার মামলা নং-২৪, তারিখ-২০ এপ্রিল   ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড রুজু পূর্বক এসআই এইচ এম ওয়াহিদুল্লাহ’র উপর তদন্তভার অর্পণ করা হয়।

মামলা রুজু পরবর্তী সিএমপি’র পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব নিহাদ আদনান তাইয়ান এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এডিসি জনাব স্পিনা রানী প্রামাণিক ও পাহাড়তলী জোনের এসি জনাব মোঃ মঈনুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে আকবারশাহ্ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম রব্বানী এর নেতৃত্বে থানার এসআই(নিঃ) এইচ এম ওয়াহিদুল্লাহ, এএসআই এনামুল হক সঙ্গীয় ফোর্স সহ তাৎক্ষণিক গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় জড়িত আসামি আজম @ বাদশা (২১) কে ইং ২০/৪/২০২৪ তারিখ আকবরশাহ্ থানাধীন শাপলা আবাসিক এলাকা হতে গ্রেফতার করলেও অপর ০২(দুই) জন আসামি কৌশলে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার পরবর্তী আসামিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সেও পালিয়ে যাওয়া আসামীদ্বয় সহ উক্ত পিকআপ চুরি করেছে মর্মে স্বীকার করে। অতঃপর তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে বাদীর চুরি যাওয়া এজাহারে উল্লিখিত পিকআপ, উক্ত পিকআপ গাড়ির ডকুমেন্ট ও চুরির কাজে ব্যবহৃত ১ টি মাষ্টার কী উদ্ধার পূর্বক  ১৮ টা ৫ মিনিট  জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে  আদালতে হাজির করা হলে আসামি ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরবর্তীতে আসামি কে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ওস্তাদ মোহনলাল দাশের শততম জন্মজয়ন্তী জাতির সভ্যতায় সংস্কৃতির মাপকাঠির বিকল্প নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতগুরু এবং ৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধের শব্দ ও কলম সৈনিক ওস্তাদ মোহনলাল দাশের শততম জন্মজয়ন্তী হাটহাজারীস্থ ফতেয়াবাদের চৌধুরীহাট সংলগ্ন কল্পনা প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৯ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় ওস্তাদ মোহনলাল দাশ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ও সরগম একাডেমীর সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওস্তাদপুত্র কবি ও সঙ্গীত বিষারদ ওস্তাদ স্বপন কুমার দাশ।

প্রধান অতিথি ছিলেন সিটিজেনস ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং জেনারেল ম্যানেজার মৃণাল কান্তি সূত্রধর, প্রধান আলোচক ছিলেন খ্যাতিমান লোকশিল্পী আব্দুর রহিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক শ্রীমান ঘোষ, অধ্যাপক বিশ্বনাথ চৌধুরী, সংস্কৃতি প্রেমি দেবাশীষ পাল প্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, জাতির সভ্যতায় সংস্কৃতির মাপকাঠির বিকল্প নেই। বর্তমান আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসনে এবং অস্থির পরিস্থিতিতে শুদ্ধ ও সুস্থ সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম।

আলোচনা শেষে মোহনলাল দাশের রচিত গান ও সুরের মুর্ছণা শ্রোতাদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠান শেষে ৪ গুণীজনকে মরোণত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়। এরা হলেন, দ্রুপদ গায়ক দেবব্রত ভট্টচার্য্য, লোকশিল্পী ও শব্দ সৈনিক হরি প্রসন্ন পাল, গীতিকার সুরকার ও নাট্যজন মলয় ঘোষ দস্তিতার এবং শিক্ষাবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব পাঁচ কড়ি দাশ।

অনুষ্ঠানে সঙ্গীত অধ্যক্ষ সুবাস নাথ, নৃত্যকলা একাডেমীর পরিচালক মন্টি পালিত, মনন খেলাঘরের শিক্ষক মানু ঘোষ দস্তিদার, ঐক্যতান প্রতিষ্ঠানের তড়িৎ কুমার দাশ, ফতেয়াবাদ মহাকালী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনেক প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার এবং অনুষ্ঠান ও সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিষেক দাশ ও কলেজ শিক্ষক অনুপ নন্দী।

কুতুবদিয়ার তরকারি ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে ছোটন চেয়ারম্যান মানুষের দ্বারে দ্বারে, দ্বীপ জুড়ে প্রশংসা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ায় বড়ঘোপ বাজারের ফারাজ, পিতা- আবুল কাসেম, দক্ষিণ মগডেইল এক অসহায় তরকারি ব্যবসায়ী পেকুয়া সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তার পাশে দাঁড়াতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান আ.ন.ম শহীদ উদ্দিন ছোটন। তাঁর সাথে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন বাজার কমিটির সেক্রেটারি জাফর আলম কন্ট্রাক্টর ও সদস্যবৃন্দ।

দীর্ঘদিন ধরে সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা ওই ব্যবসায়ী সম্প্রতি আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি ও আর্থিক সংকটে পড়ে তার পরিবার চিকিৎসার বিষয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগছেন ।এ অবস্থায় তার দুর্দশার খবর জানতে পেরে ছোটন চেয়ারম্যান বড়ঘোপ বাজারের ব্যবসায়ী, বিভিন্ন ব্যক্তি, সমাজসেবক ও বিত্তবানদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি ব্যবসায়ীকে পুনরায় ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় সহায়তা সংগ্রহে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

ছোটন চেয়ারম্যান বলেন, “একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবন-জীবিকা রক্ষা করা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব। সমাজের সবাই এগিয়ে এলে তিনি আবারও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।” তরকারি ব্যবসায়ী ফারাজের চিকিৎসার জন্য মোট ২,২৫,২৫০/= টাকা আর্থিক সহায়তা পাওয়া গেছে। ওই টাকা দিয়ে তার চিকিৎসা করা হচ্ছে। সহায়তাকারী সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি বড়ঘোপ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সকল সদস্যবৃন্দকে যারা আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন।

স্থানীয়রা ছোটন চেয়ারম্যানের এ মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তারা বলেন, জনপ্রতিনিধির এমন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং অসহায় মানুষের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করবে।এদিকে, ব্যবসায়ী ও তার পরিবারের সদস্যরা সহযোগিতার জন্য ছোটন চেয়ারম্যানসহ সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ