আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

সিএমপি’র আকবরশাহ্ থানার অভিযানে চোরাই পিকআপ সহ গ্রেফতার – ১

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

জনৈক আফতাব উদ্দিন বাদশা (৪৮) থানায় হাজির হয়ে জানান, পাহাড়তলী থানাধীন দক্ষিণ কাট্টলী ফইল্যাতলী বাজারস্থ “আফছার মাইক সার্ভিস নামীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রতিষ্ঠানের মাইক ও সাউন্ড সিস্টেমগুলো তার মালিকানাধীন পিকআপ গাড়ী, যাহার রেজিঃ নং- চট্টমেট্রো- ন- ১১-২১০৮, সিঙ্গেল কেবিন, যাহার মূল্য অনুমান ২,৫০,০০০/-(দুই লক্ষ পঞ্চাশ) টাকা দিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবহন করে থাকে। আকবরশাহ থানাধীন উত্তর কাট্টলী আচার্য্য পাড়া এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব অনুষ্ঠানে মাইক ও সাউন্ড ভাড়া দেওয়া হয়। তৎপ্রেক্ষিতে উক্ত পিকআপ গাড়ী দ্বারা মহোৎসব অনুষ্ঠান শেষে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে আসার জন্য গাড়ী চালক মোঃ তানভীর ইসলাম ২০এপ্রিল  রাত একটার সময় আকবরশাহ থানাধীন উত্তর কাট্টলী আচার্য্য পাড়া শ্মশান সংলগ্ন রাস্তার পাশে যায় এবং অনুষ্ঠান শেষ না হওয়ায় গাড়ীটি তথায় পার্কিং করে রাখে। গাড়ী চালক অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। পরবর্তীতে ২০ এপ্রিল  সকাল ৬ টা ৩০ মিনিটে  অনুষ্ঠান শেষে মাইক ও সাউন্ড সিষ্টেম গাড়ীতে উঠাতে গেলে গাড়ী চালক মোঃ তানভীর ইসলাম অনুষ্ঠানে মাইক ও সাউন্ড সিষ্টেম পরিচালনায় নিয়োজিত থাকা রবিউল হোসেন প্রকাশ রবি ও মোঃ রিয়াজ গণ গাড়ীটি পার্কিংরত অবস্থায় দেখতে না পেয়ে আশপাশে ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে।  উক্ত ঘটনায় তিনি থানায়  অজ্ঞাতনামা চোরের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করলে আকবরশাহ্ থানার মামলা নং-২৪, তারিখ-২০ এপ্রিল   ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড রুজু পূর্বক এসআই এইচ এম ওয়াহিদুল্লাহ’র উপর তদন্তভার অর্পণ করা হয়।

মামলা রুজু পরবর্তী সিএমপি’র পশ্চিম বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব নিহাদ আদনান তাইয়ান এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এডিসি জনাব স্পিনা রানী প্রামাণিক ও পাহাড়তলী জোনের এসি জনাব মোঃ মঈনুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে আকবারশাহ্ থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম রব্বানী এর নেতৃত্বে থানার এসআই(নিঃ) এইচ এম ওয়াহিদুল্লাহ, এএসআই এনামুল হক সঙ্গীয় ফোর্স সহ তাৎক্ষণিক গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায় জড়িত আসামি আজম @ বাদশা (২১) কে ইং ২০/৪/২০২৪ তারিখ আকবরশাহ্ থানাধীন শাপলা আবাসিক এলাকা হতে গ্রেফতার করলেও অপর ০২(দুই) জন আসামি কৌশলে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার পরবর্তী আসামিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সেও পালিয়ে যাওয়া আসামীদ্বয় সহ উক্ত পিকআপ চুরি করেছে মর্মে স্বীকার করে। অতঃপর তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে বাদীর চুরি যাওয়া এজাহারে উল্লিখিত পিকআপ, উক্ত পিকআপ গাড়ির ডকুমেন্ট ও চুরির কাজে ব্যবহৃত ১ টি মাষ্টার কী উদ্ধার পূর্বক  ১৮ টা ৫ মিনিট  জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে  আদালতে হাজির করা হলে আসামি ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে। পরবর্তীতে আসামি কে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ