আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চেম্বারে শীর্ষক ওয়ার্কশপ

কি কারণে আমাদের দেশে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা বাড়ছে কারণ খুঁজে বের করা জরুরী

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি ও বাংলাদেশ বিজনেস এন্ড ডিজাবিলিটি নেটওয়ার্ক (বিবিডিএন)’র যৌথ আয়োজনে “বিল্ডিং এ ডিজাবিলিটি ইনক্লুসিভ ওয়ার্কফোর্স” শীর্ষক ওয়ার্কশপ দুপুরে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথি চিটাগাং চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ, গেস্ট অব অনার বিবিডিএন এর এডভাইজরী কাউন্সিল’র চেয়ারম্যান ও চেম্বারের সাবেক পরিচালক সালাহ্উদ্দীন কাসেম খান, আইএলও’র চট্টগ্রাম অফিস ইনচার্জ অ্যালেক্সিয়াস চিচাম (গৎ. অষবীরঁং ঈযরপযধস), চেম্বার পরিচালকদ্বয় মাহফুজুল হক শাহ, মোহাম্মদ আকতার পারভেজ, বিবিডিএন’র হেড অব অপারেশন মিস আজিজা আহমেদ, ইউসেপ বাংলাদেশ এর টিম লিডার নন্দিতা চক্রবর্তী, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব থিয়েটার আর্টস (বিটা)’র প্রতিনিধি বাপ্পী চৌধুরী, ইপসা’র প্রোগ্রাম ম্যানেজার নেওয়াজ মাহমুদ ও সিআরপি সেন্টার ম্যানেজার মোঃ খলিলুর রহমান বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মধ্যে চেম্বার পরিচালকবৃন্দ মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), মাহবুবুল হক মিয়া, মোহাম্মদ আদনানুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন, আখতার উদ্দিন মাহমুদ ও ওমর মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার মূল বিষয়বস্তুর উপর তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন বিবিডিএন’র সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার গোলাম কবির। এছাড়া অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বিবিডিএন’র সিইও মুর্তজা রাফি খান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওমর হাজ্জাজ বলেন-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদানকে উৎসাহিত করতে সরকার কর রেয়াত সুবিধাও প্রদান করেছে। আয়কর আইনে কোন প্রতিষ্ঠানে মোট কর্মচারীর ১০ শতাংশ বা ১০০ জনের বেশী প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করলে উক্ত কর্মচারীদের পরিশোধিত বেতনের ৭৫ শতাংশ বা প্রদেয় করের ৫ শতাংশ যেটি কম তা নিয়োগকারীকে কর রেয়াত প্রদান করা হয়। তিনি আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট এর উদাহরণ দিয়ে বলেন-প্রতিবন্ধী হয়েও একমাত্র রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে একটানা ১২ বছর দেশ পরিচালনা করেছেন এবং বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়েও ব্লেকহোল আবিষ্কার করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলে দেন। তিনি আরো বলেন-আমাদের মোট জনসংখ্যার ১০ ভাগ প্রতিবন্ধী যা সারা বিশ্বের চেয়ে বেশী। কি কারণে আমাদের দেশে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা বাড়ছে তার কারণ খুঁজে বের করা জরুরী।
গেস্ট অব অনার সালাহ্উদ্দীন কাসেম খান বলেন-প্রতিবন্ধীতাকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। এক সময় প্রতিবন্ধীতাকে একটা রোগ মনে করা হতো। কিন্তু তারাও এ সমাজের অংশ। তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে তারাও সমাজ ও রাষ্ট্রে অবদান রাখতে সক্ষম হবেন। এসব প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যাতে সমাজের বোঝা না হয় সেজন্য তাদেরকে কাজের সুযোগ করে দেয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান তিনি। বিবিডিএন’র হেড অব অপারেশন মিস আজিজা আহমেদ বলেন-চিটাগাং চেম্বার ছাড়াও অন্যান্য চেম্বারের সাথেও আমরা কাজ করতে আগ্রহী এবং আগামী জুন মাসে আগ্রাবাদে একটা জব ফেয়ারের আয়োজন করা হবে। উক্ত জব ফেয়ারে প্রতিবন্ধীদের নিয়োগ প্রদানের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার আহবান জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ