আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

সিভাসু’তে ইনোভেশন শোকেসিং

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ^বিদ্যালয়ে (সিভাসু) ইনোভেশন শোকেসিং-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা ২০২৩-২৪ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সিভাসু কর্তৃক ইতোপূর্বে উদ্ভাবিত সেবাসমূহ এবং নতুন ইনোভেশন আইডিয়াসমূহ নিয়ে সিভাসু’র ই-গভর্ন্যান্স ও ইনোভেশন টিম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। গতকাল শনিবার বিকেলে সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ইনোভেশন শোকেসিং-২০২৪ এর পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মো: সাজ্জাদ হোসেন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম লুৎফুল আহসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সিভাসু’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো: কামাল এবং আইকিউএসি’র পরিচালক ও সিভাসু’র এপিএ কমিটির ফোকাল পয়েন্ট প্রফেসর ড. গউজ মিয়া। সভাপতিত্ব করেন সিভাসু’র ই-গভর্ন্যান্স ও ইনোভেশন কমিটির ফোকাল পয়েন্ট প্রফেসর ড. মো: কবিরুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক নাইমা ফেরদৌসী হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি’র সদস্য প্রফেসর ড. মো: সাজ্জাদ হোসেন বলেন, উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের সূতিকাগার হবে বিশ^বিদ্যালয়গুলো। তাই গবেষণার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা বিশ^বিদ্যালয়ের অন্যতম কাজ। তিনি আরো বলেন, বিশ^বিদ্যালয়গুলোকে র‌্যাংকিং এ স্থান করে নেয়ার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনকে দেশের ও মানুষের কাজে ব্যবহার করতে হবে। প্রফেসর ড. মো: সাজ্জাদ হোসেন উদ্ভাবনকে ইন্ডাস্ট্রি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্যে সিভাসু’র উপাচার্য প্রফেসর ড. এএসএম লুৎফুল আহসান উদ্ভাবকদেরকে আগামীতে আরো নতুন নতুন ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে এসে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। পরে ইনোভেশন শোকেসিং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদেরকে সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
এর আগে সকাল ৯টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৩-২৪ বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ অনুষ্ঠিত হয়। সিভাসু’র শিক্ষক-কর্মকর্তারা উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র ই-গভর্ন্যান্স ও ইনোভেশন কমিটির ফোকাল পয়েন্ট প্রফেসর ড. মো: কবিরুল ইসলাম খান, ইউজিসি’র রিসার্চ সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিকেশন ডিভিশন এর অতিরিক্ত পরিচালক মো: শাহীন সিরাজ এবং ইউজিসি’র সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার ও ইনোভেশন ফোকাল পয়েন্ট দ্বিজেন্দ্র চন্দ্র দাস। প্রশিক্ষণ শেষে নির্দিষ্ট বিচারক প্যানেল ইনোভেশন শোকেসিং-২০২৪ পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করেন। প্রতিযোগিতায় মোট ১০টি ইনোভেশন প্রজেক্ট প্রদর্শন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ