আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

কলেজ ছাত্র স্বপন হত্যাকান্ডের প্রধান আসামী গ্রেপ্তার

উল্লাপাড়া(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিরাজগন্জ উল্লাপাড়ার কলেজ ছাত্র মোঃ স্বপন হোসেন (২০) হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি মোঃ পান্না আলীকে গ্রেপ্তার করেছে উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশ। পান্না শাহীকোলা গ্রামের মৃত বেলাত প্রামানিকের ছেলে। পলাতক এই আসামীকে ২৮ এপ্রিল রাতে নারায়নগঞ্জ জেলার সৈয়দপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত স্বপন উপজেলার শাহীকোলা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। চলতি বছরের ৭ ফেব্রæয়ারি রাতে পান্না ও রাকিব পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মোবাইল ফোনে স্বপনকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গ্রামের পাশের ফসলী মাঠে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করে হত্যার পর মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়।
উল্লাপাড়া পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অমৃত সূত্রধর মঙ্গলবার বিকেলে উল্লাপাড়া মডেল থানায় এক প্রেস বিফিংএ গ্রেপ্তার পান্নার স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে জানান, গ্রামে জমিজমা নিয়ে পান্নার সঙ্গে তার আপন চাচাতো ভাই হাফিজুল ও হামিদুলের গোলযোগ ছিল। এতে নিহত স্বপন প্রতিপক্ষ হাফিজুল ও হামিদুলের দলে যোগ দেওয়ায় এবং পান্নার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করায় স্বপনের সঙ্গে পান্নার শত্রæতার সৃষ্টি হয়। এই শত্রæতার জের ধরেই পান্না তার সহযোগী রাকিবকে নিয়ে স্বপনকে হত্যা করে। ঘটনার রাতে হ্যামার দিয়ে স্বপনের মাথায় আঘাত করা হয়। স্বপনের মৃত্যু নিশ্চিত করতে ঘাতক পান্না তার শরীরেও হ্যামার দিয়ে কয়েক দফা আঘাত করে। এর আগে এই মামলার অপর আসামী রাকিবকে  পুলিশ ঘটনার পর দিন গ্রেপ্তার করে। তবে বর্তমানে সে জামিনে আছে। পুলিশ রাকিবের জামিন বাতিল করার জন্য আদালতে আবেদন জানাবেন বলে উল্লেখ করেন সহকারী পুলিশ সুপার।
মাসুদ রানা
উল্লাপাড়া(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি।
০১৭২৮৩৬৫৬৯৮
৩০-০৪-২০২৪

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল দুই পেট্টোল পাম্প, ওজন কম ও হালনাগাদ নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে দুইটি পেট্টোল পাম্পকে জরিমানা করা হয়। বুধবার বিএসটিআইয়ের পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে এসব জরিমানা করা হয়। দুটি পেট্টোল পাম্পকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই চট্টগ্রামের পরীক্ষক প্রিময় মজকুরী জয়। অভিযানে নগরীর পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদের বাদশা মিয়া অ্যান্ড সন্স পেট্টোল পাম্পের ডিসপেন্সিং ইউনিট যাচাই করে দেখা যায়, ডিজেল সরবরাহে প্রতি ৫ লিটারে ১২০ মিলিলিটার কম দেওয়া হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন মন্ডল অপু।

একইদিন, কাতালগঞ্জ এলাকার হাজি ইউনুস অ্যান্ড কোং নামের পেট্টোল পাম্পের ভেরিফিকেশন সনদ হালনাগাদ না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে তাদের ডিসপেন্সিং ইউনিটে পরিমাপের যথার্থতা সন্তোষজনক পাওয়া গেছে। এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত হালদার। এছাড়া একই এলাকায় খান ব্রাদার্স সিএনজি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিমাপ সঠিক এবং প্রয়োজনীয় সব সনদ হালনাগাদ থাকায় প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

চালের কার্ড দিবে বলে প্রতারনা স্বর্ণালংকার লুট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়ে শামসুন নাহার (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কানের দুল ও স্বর্ণের রকেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়েছেন। রবিবার (১৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গোমদন্ডী বুড়ি পুকুর পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগীরা হলেন বোয়ালখালী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদার তালুকদার বাড়ির শামসুন নাহার ও তার পুত্রবধূ খুরশিদা বেগম (২৭)।

খুরশিদা বেগম জানান, বুড়িপুকুরপাড় এলাকার একটি মাদ্রাসায় ছেলেকে দেখতে যান তারা। পরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে প্রায় ৩০ বছর বয়সী এক যুবক তাদের পথরোধ করে ‘চাউলের কার্ড’ করে দিলে সরকারি চাউলের বস্তা দেওয়া হবে বলে জানায়। পরে তাদের আঙুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে বলে। তিনি বলেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট কাজ করছে না বলে ওই যুবক জানতে চায় তাদের কাছে কোনো স্বর্ণ আছে কি না। তখন তিনি এক জোড়া কানের দুল খুলে দেন। পরে আবার ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার কথা বলে তাকে সামনে একটি দোকানে যেতে বলে এবং শাশুড়ি শামসুন নাহারকে সেখানে রেখে যেতে বলে।এ সুযোগে তিনজন প্রতারক শামসুন নাহারকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়।

শামসুন নাহার জানান, তাকে সিএনজিতে করে অলিবেকারী এলাকায় নিয়ে গিয়ে এক জোড়া কানের দুল ও ধারালো কিছু দিয়ে গলার স্বর্ণের রকেট কেটে নেয় প্রতারকরা। পরে একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। প্রতারক চক্র শাশুড়ি ও পুত্রবধূর কাছ থেকে দুই জোড়া কানের দুল প্রায় ১২ আনা স্বর্ণ, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের ফাইল নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে প্রায় দুই লাখ টাকার মালামাল হাতিয়ে নেয় তারা।
এ ঘটনায় বোয়ালখালী থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন খুরশিদা বেগম।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ