আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

রূপগঞ্জে বিআরটিসি বাসের চালকদের মারধোর

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

গাড়ি ভাঙচুর বিনা কারণে রাস্তা অবরোধ করে যাত্রী হয়রানীর অভিযোগ সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিআরটিসি বাসের চালকদের মারধোর গাড়ি ভাঙচুর বিনা কারণে রাস্তা অবরোধ করে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ উঠেছে, সিএনজি চালকদের বিরুদ্ধে। কুড়িল বিশ্বরোডে সিএনজিতে লাঠি দিয়ে বিআরটিসি হেলপার বাড়ি দেওয়ার ঘটনা কে কেন্দ্র করে ৪ মে রোজ শনিবার কাঞ্চন ব্রিজের পশ্চিম পাড়ে বিআরটিসি বাসের চালক ও হেলপারদের মার ধোর, করে যাত্রীসহ তাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয় একদল সিএনজি চালক। এ সময় বেশ কয়েকটি বিআরটিসি বাসের জানলার গ্লাস ভাঙচুর করে উত্তেজিত সিএনজি চালকরা।
বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ থেকে জানা যায় রূপগঞ্জের একমাত্র গণপরিবহন বিআরটিসি ভুলতা থেকে কুড়িল পর্যন্ত নিয়মিত যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই গণপরিবহন টি সেবা দিয়ে আসছে ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে। এতে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা হয় এবং অল্প টাকায় তারা ঢাকা সহ আশেপাশের এলাকায় যাতায়াত করতে পারে। কিন্তু শুরু থেকেই বাধসাধে রাস্তায় চলাচল রত ফিটনেসবিহীন সিএনজি চালকেরা। রাস্তায় বিআরটিসি বাস না থাকলে তারা ইচ্ছামত ৩-৪ গুণ ভাড়া নিয়ে পথচারী যাত্রীদের কাছ থেকে এতে যাত্রীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ থাকলেও প্রতিবাদ করার কেউ নেই। প্রতিবাদ করলেই জোটবদ্ধ হয়ে যাত্রীদের উপর চড়াও হয় সিএনজি চালকরা। কাঞ্চন ব্রিজের (রুপগঞ্জ ইউনিয়নের) পশ্চিম পাশের কাউন্টারে ওই এলাকার প্রভাবশালী মহলের উস্কানিতে বিআরটিসি চালক হেলপার ও কর্মচারীদের উপর চড়াও হয়ে জোট বেঁধে লাঠি সোটা নিয়ে মারতে আসে এবং সরকারি বিআরটিসি’র মত গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা চালায় ফিটনেসবিয়ান সিএনজি চালকেরা।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি দীপকচন্দ্র সাহা বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে এ ঘটনায় উভর পক্ষের লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। পরে সবাইকে সরিয়ে দিয়ে সিএনজি ও বিআরটিসি বাস চলাচল স্বাভাবিক করে দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ