আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

জমে উঠছে ফটিকছড়িতে নবীন-প্রবীণের লড়াই

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

আগামী ২১ মে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যাচ্ছে ২য় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলায় ২ জন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করে যাচাই বাছাই এ মনোনয়ন নিশ্চিত হয়। এরা হলেন আওয়ামী ঘরনার দুই প্রভাবশালী নেতা ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  নাজিম উদ্দীন মুহুরী এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সদস্য ও সাবেক উত্তর জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি বখতেয়ার সাঈদ ইরান।

সিনিয়র ও জুনিয়র একই ঘরনার দুই নেতার মধ্যেই হবে মূল ভোট যুদ্ধ।  এছাড়া পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়বেন মোট ৫ জন। এরা হলেন সাংবাদিক নেতা সৈয়দ জাহেদুল্লাহ কুরাইশী, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান এড. সালামত উল্লাহ চৌধুরী শাহিন, নাজিম উদ্দীন সিদ্দিকী, আনোয়ারুল হক, জসীম উদ্দীন।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন লড়াই হবে  বর্তমান ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান জেবুন নাহার মুক্তা ও  ফটিকছড়ি মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী শারমিন নপুরের মধ্যে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ৯ জন। এবার ভোট আমেজ হবে অন্য রকম। ওপর মহলের সিদ্ধান্তের প্রভাব উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, চায়ের দোকানে,পাড়ার মোড়ে মোড়ে উত্তাপ ছড়াচ্ছে।  রাজনীতিতে কার কখন কোথায় উত্থান হয় তা বোঝা বড়ই মুশকিল। দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে  হয়ত কারো কপাল খুলে আবার কারো কপাল পুড়ে। আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দিনের সিদ্ধান্ত ছিল দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হবে। এতে যার রাজনীতির ওপর মহলে যত শক্ত  অবস্থান প্রতীক পাওয়া তার জন্য তত নিশ্চিত ছিল। যার হাত যত লম্বা ছিল তার জন্য নৌকা প্রতিক তত সহজ ছিল। অথবা অর্থের একটা প্রভাবও ছিল কিন্তু এইবার প্রতিক বিহীন নির্বাচন সব হিসাব নিকাশ উল্টে দিয়েছে।

 

এইত মাত্র ক’মাস আগে জাতীয় নির্বাচন গেল। উত্তাপ এখনো কমেনি। তার রেশ না কাটতেই শুরু হল উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। জাতীয় নির্বাচনের পাওয়া না পাওয়ার অনেক হিসাব নিকাশ জমা রয়েছে নেতাদের মধ্যে। জাতীয় নির্বাচনেও ছিল এক ভিন্ন চিত্র। দলের সিদ্ধান্তে হয়েছেন একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী। সেই হিসাব মতে ফটিকছড়িতে ছিল একজন হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী।  উপজেলা চেয়ারম্যান পদ হতে পদত্যাগ করে এম পি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন এক কালের রাজপথের ত্যাগী নেতা, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবু তৈয়ব একাই লড়াই করেছিলেন ফটিকছড়ি পুরো আওয়ামী লীগ, ছাত্র লীগ,যুবলীগ সহ সমস্ত আম জনতার সাথে। ভোটের হিসাব নিকাশে জয় পরাজয়ের ভাগ্য মেনে নিয়ে তিনি পরাজিত প্রার্থী হিসেবে নিজেকে গুটিয়ে রাখেন। নির্বাচনের পরে আবু তৈয়ব কৌশলী পন্থা অবলম্বন করে চুপচাপ থাকেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তার তরমুজ প্রতীকে ভোট পরেন ৩৫ হাজারের মত। পক্ষান্তরে দলীয় মনোনীত নৌকা প্রতিক নিয়ে রফিক কন্যা বিশাল ভোট ব্যবধানে জয়ী হয়ে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়। বর্তমান এম পি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি চট্টগ্রাম হতে সর্বপ্রথম নারী হিসেবে সরাসরি জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে পা রাখেন। জাতীয় নির্বাচনের পর পর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচন এম পির জন্য নিঃসন্দেহে একটি বাড়তি স্নায়ুযুদ্ধ। কারণ চেয়ারম্যান প্রার্থী সব আওয়ামী ঘরনার।  আবার দলীয় হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত উপজেলা নির্বাচনে কোনো এম পি সরাসরি কাউকে সমর্থন বা কাজ করতে পারবেন না। সেই দিক হতে তিনি রয়েছেন কিছুটা চাপমুক্ত। তারপরও মানুষের জল্পনা কল্পনার শেষ নেই।  লোকমুখে বিরাজমান মরহুম রফিকুল আনোয়ারের সৃষ্টি আজকের এই বখতিয়ার সাইদ  ইরান। রফিক পরিবারের সাথে রয়েছে ইরানের আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক। সুখে দুঃখে পাশে ছিলেন ইরান। সেই হিসাবে এম পি খাদিজাতুল আনোয়ার সনি কি সিদ্ধান্ত নিবে তার আগ্রহের শেষ নেই ভোটারের। পক্ষান্তরে নাজিম উদ্দীন মুহুরীর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছে একটি শক্ত অবস্থান। দীর্ঘদিন রয়েছে ফটিকছড়ির মাঠে ময়দানে।  সেই সুযোগ তিনি কতটুকু কাজে লাগাতে পারেন তা ভোটাররা পর্যবেক্ষণ করছেন।
এখন ভোটার বা ভোট বিশ্লেষকের তথ্য মতে হিসাব নিকাশের মধ্যেখানে রয়েছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তৈয়ব। তথ্যমতে অনেকে বলেন জাতীয় নির্বাচনে পাওয়া আবু তৈয়ব সমর্থনে তরমুজ মার্কার ৩৫ হাজার ভোট যে দিকে ঝুঁকে হয়ত সেই দিকের পাল্লা কিছুটা ভারী বা এগিয়ে থাকবে। এছাড়াও আবু তৈয়বের রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী। অনেকের ধারণা হয়ত আবু তৈয়বের নির্দেশ পেলে তার নেতা ও কর্মী বাহিনী গুলো সেই দিকেই কাজ করবে। তারপরও ভোটের রাজনীতি বড়ই জটিল ও রাজনীতির শেষ বলতে কিছুই নেই। উপজেলা নির্বাচন ঘিরে উপজেলা ভিত্তিক অনেক আওয়ামী লীগ নেতা তাদের শেষ হিসাব নিকাশ কষতে শুরু করেছেন। কেউ কারো অবস্থান হতে ছাড় দিতে নারাজ।  বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দীন মুহুরী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আগামীর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কে হবেন সেই হিসাব শুরু হয়েছে। সেই হিসেবে বখতিয়ার সাইদ ইরান রয়েছে হিসাবের বাইরে কারণ তার অবস্থান জেলা পর্যায়ে। তুলনামূলক বয়সে ছোট হিসেবে আগামীর ভবিষ্যৎ হয়ত আরো অনেক বাকি রয়েছে। সবকিছু চাপিয়ে ফটিকছড়ির উপজেলা জেলা নির্বাচনে রয়েছে এবার ভিন্নতা। গতবারের নির্বাচনে হয়ছে শিয়ানে শিয়ানে লড়াই।  আবু তৈয়ব ও নাজিম উদ্দীন মুহুরী ছিল সহযোদ্ধা। জয় পরাজয়ে তেমন হিসাব ছিলনা কারণ মুহুরীর দখলে ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এর পদবী। পক্ষান্তরে আবু তৈয়বের লড়াই টা ছিল অস্তিত্বের লড়াই। সেই লড়াইয়ে তিনি জয়লাভ করে ফটিকছড়িতে তার অবস্থান জানান দে কিন্তু এই বার দেখার পালা ফটিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে কে জয়ী হয়ে জনপ্রিয়তার অবস্থান জানান দে। সেই অবস্থান জানার জন্য ফটিকছড়ি বাসীকে অপেক্ষা করতে হবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ