আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

বায়েজিদ  চোরাই মোটরসাইকেল  চক্রের -৪ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার, ৫ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

*বায়েজিদ  চোরাই মোটরসাইকেল  চক্রের -৪ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার, ৫ টি মোটর সাইকেল উদ্ধার

বায়েজীদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন জেলা পরিষদ আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচতলার পার্কিং থেকে অজ্ঞাতনামা চোর/চোরেরা একটি Pulsar 150 মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি মামলা রুজু হয়।

  • মামলার তদন্তকারী কর্মকতা এসআই মোঃ মনিরুল ইসলাম মামলার প্রাথমিক তদন্তকালে বিশ্বস্ত সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানতে পারেন যে, কক্সবাজার জেলার রামু থানা এলাকার একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র  মোটরসাইকেলটি চুরি করেছে এবং চোরাই গাড়িটি ওই এলাকায় আছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন রামু বাইপাস, ফুটবল চত্বর, রেলবিটের পশ্চিম পাশে নুরুল ওয়ারেজ মটরস্ গ্যারেজের সামনে থেকে  মোঃ রিয়াজ উদ্দিন জাহেদ (২০)-কে আটক করেন। আটককৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যে সে  মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত আছে সন্দেহ হওয়ায় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে থেকে মোঃ জাকির হোসেন ২৬কে কক্সবাজার জেলার রামু থানাধীন রামু বাইপাস এলাকা থেকে   গ্রেফতার করে।  জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তাদের কাছে চোরাই মোটরসাইকেল আছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে  রিয়াজের গ্যারেজ থেকে ২টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।  উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল দুটির ইঞ্জিন ও চেচিস নম্বর ঘষামাজা থাকায় এবং বর্ণিত মোটরসাইকেলের সাথে মিল না পাওয়ায় উভয়কে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে তারা জানায় তাদের অপর সহযোগী   মোঃ রহমত উল্লাহ এবং মোঃ রফিকুল ইসলাম প্র. সাগর নিকট  চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলসহ আরও চোরাই মোটরসাইকেল আছে। তাদের দেওয়া তথ্যে ও শনাক্তমতে রামু থানাধীন বাইপাস এলাকা থেকে  তাদের  গ্রেফতার করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদে তারা  তারা জানায়,  রামু থানাধীন বাইপাস ফুটবল চত্বর এলাকায়  আরও ৩টি চোরাই মোটরসাইকেল তাদের কাছে আছে । উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলো বাদীর চোরাই মোটরসাইকেলের সাথে মিল না পাওয়ায় এবং উদ্ধারকৃত মোটর সাইকেল গুলোর চেচিস এবং ইঞ্জিন নম্বর ঘষামাজা হওয়ায় এবং মোটরসাইকেলগুলো সংক্রান্তে তারা কোনো কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় বিধি মোতাবেক সাক্ষীদের উপস্থিতিতে চোরাই সন্দিগ্ধ আলামত হিসেবে জব্দতালিকামূলে জব্দ করেন।  তারা সঙ্গবদ্ধ চোরচক্রের এবং চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচা চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা চট্টগ্রাম থেকে চুরি করে পরবর্তীতে কক্সবাজার এলাকায় নিয়ে ইঞ্জিন ও চেচিস নম্বর ঘষামাজা করে পুনরায় বিক্রয় করার জন্য রেখেছিল।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মাইন বিস্ফোরণে মো. শাকের (২৫) আহত এক যুবককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়।মো. শাকের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

হাসপাতালে আনয়নকারীর দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবককে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ