আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

তুরস্কের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সাথে ব্যবসায়ীদের মতবিনিময়

তুর্কি ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী এবং খাদ্যের বিশাল বাজার রয়েছে বাংলাদেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তুরস্কের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সাথে ব্যবসায়ীদের মতবিনিময়
তুর্কি ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী এবং খাদ্যের বিশাল বাজার রয়েছে বাংলাদেশে

ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: তুরস্কের একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদল চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সাথে গতকাল বুধবার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট ওমর হাজ্জাজ, প্রতিনিধি দলনেতা হেদায়েত ওনুর ওজদেন, তুর্কি দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর কেনান কালাইসি, সিনিয়র বাণিজ্য দূত সেলমা বারদাক্কি, বিভিন্ন সেক্টর বাণিজ্য প্রতিনিধিবৃন্দ ইজিট আকবাস, তাইলান কোবান, সামেত গাজী সেপিটসিওগলু, এরকাম ইলদিরিম, হায়দার হোকেলেকলি ও ফাতিহ আয়দিন, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী (আলমগীর), অঞ্জন শেখর দাশ, মাহফুজুল হক শাহ, নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, মাহবুবুল হক মিয়া ও আখতার উদ্দিন মাহমুদ, রিয়ালেন্স শিপিং লিঃ’র চেয়ারম্যান মোঃ রাশেদ ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ওয়াহিদ আলম, শেঠ প্রোপার্টিজ লিঃ’র ডিরেক্টর উমাইর আলম শেঠ, শিপার্স কাউন্সিল অব বাংলাদেশ’র পরিচালক লোকপ্রিয় বড়ুয়া, বাংলাদেশ শিপিং এসোসিয়েশন’র সাজ্জাদুর রহমান, এ. কে. খান গ্রুপ’র মোস্তফা এ. কে. খান, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি নির্বাহী সদস্য মহসিন উদ্দিন চৌধুরী, বিআরবি ক্যাবলস’র মোঃ জাফর আহমেদ ও গাজী নাসির উদ্দিন, নাভানা গ্রুপ’র মোঃ সেলিম এবং আরআর গ্রুপ’র তাসফিকুল আলম বক্তব্য রাখেন।
চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন-বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামকে দক্ষিণ এশিয়ার লজিস্টিক্স ও ইকোনমিক হাবে পরিণত করতে সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করেছে। এই অঞ্চলে রয়েছে এশিয়ার বৃহত্তম বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর। তুর্কি ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী এবং খাদ্যের বিশাল বাজার রয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের বিশাল বাজারে প্রবেশ করতে এবং ভৌগোলিক সুবিধা, বিনিয়োগবান্ধব ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ কাজে লাগিয়ে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, হালাল ফুড প্রসেসিং, আধুনিক এগ্রো প্রসেসিং সেক্টরে বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি এবং কক্সবাজারে বিদেশীদের জন্য বিশেষায়িত নাফ ও সাবরাং ট্যুরিজম পার্কে তুর্কি ব্যবসায়ীদের একক বা যৌথ বিনিয়োগের আহবান জানান।

প্রতিনিধি দলনেতা হেদায়েত ওনুর ওজদেন বলেন-বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল হচ্ছে চট্টগ্রাম। এখানকার বন্দর সুবিধার কারণে চট্টগ্রাম ব্যবসার অন্যতম ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের সাথে বিনিয়োগের সম্ভাব্যতা যাচাই হচ্ছে আলোচনার মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টর উদ্ভাবন এবং বিজনেস টু বিজনেস যোগাযোগের অংশহিসেবে এই মতবিনিময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর কেনান কালাইসি বলেন-ভৌগোলিক ও জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই দু’দেশের মধ্যে বিজনেস টু বিজনেস যোগাযোগ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সবধরণের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত দূতাবাস। এছাড়া বাংলাদেশের সাথে আমদানি ও রপ্তানির ক্ষেত্রেও সহযোগিতা করবে তুর্কি দূতাবাস।

অন্যান্য বক্তারা বলেন-বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক্স, নবায়নযোগ্য জ্বালানী এবং এলএনজি গ্যাস এবং হালাল ফুডের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম জনসংখ্যা বহুল এদেশের বাজার ধরতে এবং হালাল ফুড প্রসেসিং-সহ এসব সেক্টরে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সাথে যৌথ বিনিয়োগের আহবান জানান বক্তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতেই নিচু এলাকা প্লাবিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে মাত্র ৪০ মিনিটের বৃষ্টিতে অনেক নিচু এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। রাস্তা প্লাবিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরীর নিচু এলাকার বাসিন্দারা। বিশেষ করে চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকাতে সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। এসব এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা পানিতে ডুবে আছে। ফলে চলাচল করা কঠিন হয়ে উঠে। কোথাও হাঁটু, কোথাওবা কোমর সমান পানিতে তলিয়ে গেছে নগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি। ছুটির দিনেও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ এবং খেটে খাওয়া শ্রমজীবীদের পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে চট্টগ্রামে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিট স্থায়ী এই বৃষ্টিতেই নগরীর চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়।

এসব এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সকালের মাত্র আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার সড়কগুলো দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান পানি জমে যাওয়ায় যানবাহনগুলো মাঝপথেই আটকে যাচ্ছে। ফলে জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া সাধারণ মানুষের গন্তব্যে পৌঁছাতে যেমন দীর্ঘ সময় ব্যয় হচ্ছে, তেমনি চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাস্তায় জমে থাকা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়েই পথচারীদের কষ্ট করে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

তবে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার জন্য চিরচেনা এলাকা প্রবর্তক মোড়ে অবশ্য এবার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। মেগা প্রকল্পের আওতায় সেখানকার হিজড়া খালের মুখে বাঁধ দিয়ে চলমান কাজের সুবাদে প্রবর্তক মোড়ে আগের মতো পানি জমেনি। তবে প্রবর্তক মোড় রক্ষা পেলেও এর আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো ঠিকই পানিতে ডুবে ছিল। ফলে সামগ্রিক ভোগান্তি খুব একটা কমেনি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের বিএফও মাহবুবুল আলম বলেন, সকাল ৯টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে মাত্র ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে মেঘের ঘনত্বের কারণে অল্প সময়ে তীব্র বৃষ্টি হওয়ায় নিচু এলাকায় পানি জমেছে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নগরবাসীর অভিযোগ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার সঠিক তদারকি ও খালগুলোর সংস্কার কাজ সময়মতো শেষ না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামকে এখনো ডুবতে হচ্ছে।

কাতালগঞ্জের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বহু বছর ধরে আমরা একটু বৃষ্টি হলেই পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। একের পর এক মেগা প্রকল্প আসে, কিন্তু আমাদের কষ্টের কোনো শেষ নেই। আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতে যদি এই অবস্থা হয়, সামনের দিনগুলোতে কী হবে?
ভোগান্তিতে পড়া রিকশাচালক মো. জলিল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বহুদিন ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। ছুটির দিন হলেও আমাদের তো আয়ের আশায় বের হতে হবে। কিন্তু রাস্তায় পানি উঠে যাওয়ায় রিকশা চালানো যাচ্ছে না। আমাদের এই কষ্ট দেখার কেউ নেই।

আদালতে জামিন চাইতে এসে প্রতারণার মামলায় কারাগারে গেলেন শিক্ষক দম্পতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার ৫৫নং রহমতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার (৪২) ও তার স্ত্রী হ্যাপী রানী নন্দী (৩৫) নামের শিক্ষক দম্পতি জাল জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় জামিন চাইতে এসে আত্মসমর্পন করলে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ থাকায় শুনানী শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালত। বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ৬ষ্ঠ আমলী আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এস.এম আলাউদ্দিন মাহমুদ এই আদেশ দেন। শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ৩নং ওয়ার্ডের মৃত ধীরেন্দ্র মজুমদারের ছেলে।

আদালত সূয়ত্রে জানা যায়, বিগত ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে সন্দ্বীপ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ৪৪২৯ নং পাওয়ার অব অ্যাটর্নিমূলে জমি রেজিস্ট্রি করেন এবং ২০২৩ সালের ৯ মে তারিখে ১৯৫৭ নং রেজিস্ট্রিকৃত সাফ কবলা ও একই সালের ৮ জুন তারিখে ২৩৩১ ও ২৫৩২ নং সাফ কবলা রহমতপুরের একটি জায়গার রেজিস্ট্রি করান শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার গং। তারা প্রতারণার মাধ্যমে জাল দলিলকে বৈধ দলিল হিসেবে ব্যবহার করে সন্দ্বীপ সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে আবেদন কওে ৪৩১০ নং বি.এস খতিয়ান সৃজন করেন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রি করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করায় ২০২৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর হাউজিং সোসাইটি এলাকার আই-্ব্লক এলাকায় একা পেয়ে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রতন কান্তি দাশের উপর হামলা করেন শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার গং।

এ ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রতন দাশ বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন, যাহার মামলা নং-৭২৪/২৫ (হালিশহর)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে চট্টগ্রাম পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্টোকে নির্দেশ দেন। পিবিআই নিরপেক্ষ দীর্ঘ তদন্তে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ও মারধরের ঘটনা প্রমাণিত হয় এবং পিবিআই তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। পরে আদালত মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক দম্পতি সহ

অপরাপর আসামীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন। গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর পর সন্দ্বীপ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে ম্যানেজ করে শিক্ষক দক্ষিণা রঞ্জন মজুমদার চিকিৎসাজনিত দুই বার ছুটিতে থাকেন। গত ১৭ জুন শিক্ষক দম্পতি আদালতে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে জামিন চাইলে, আদালত শুনানী শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। এ মামলার অপরাপর আসামীরাও কারাভোগ করেছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ