চট্টগ্রামে কিশোরকে ব্ল্যাকমেইল, এরপর অপহরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে এক কিশোরের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় নগদ আড়াই লাখ টাকা ও তার মায়ের সোনার গহনা। এতেও ক্ষান্ত হয়নি। আরও টাকার জন্য কিশোরকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করে তরুণদের সমন্বয়ে গড়ঠা চক্রটি। জানা গেছে, কিশোর বয়সী স্কুলছাত্রের সহপাঠীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা জেনে ফেলে একই এলাকার উঠতি বয়সের কিছু তরুণ। সেই তথ্য অভিভাবককে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে ফাঁদ পাতে তারা। এদিকে ওই কিশোরকে ব্ল্যাক মেইল ও পরে অপহরণের খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। শেষপর্যন্ত কিশোরকে ছেড়ে দিলেও পাঁচ তরুণের ঠাঁই হয়েছে থানায়।গ্রেফতার পাঁচজন হলো- মো. রাকিব, মো. সাকিব, মো. সালমান, মো. জাহিদ ও মো. বাবু। তাদের সবার বয়স ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। বাসা নগরীর সরাইপাড়া এলাকায়।
জানা গেছে, স্কুল থেকে বাসায় ফেরার পথে নগরীর পাহাড়তলী থানার সরাইপাড়া সিটি করপোরেশনের উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের গলি থেকে অপহরণের শিকার হয় ওই কিশোর। বিকেল ৩টার দিকে তাকে পাহাড়তলী চাল গুদামের গলিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্যে পাহাড়তলী থানা পুলিশ আরও তিনজনকে আটক করে।
জানা গেছে, অপহরণের শিকার কিশোরর বাসাও একই এলাকায় এবং সে সরাইপাড়া সিটি করপোরেশনের উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। দুই মাস আগে তার সঙ্গে সহপাঠীর প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি জেনে যায় রাকিব ও সাকিব। তারা বিষয়টি কিশোরের মা-বাবাকে জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। কিশোর না জানানোর অনুরোধ করলে তারা তিন লাখ টাকা দাবি করে।
ভয় পেয়ে ওই কিশোর বাসা থেকে চুরি করে নিজের মায়ের সোনার গলার চেইন, তিনটি সোনার আংটি, এক জোড়া কানের দুল ও দুটি রূপার চেইন নিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়। এরপর দফায় দফায় বাসা থেকে চুরি করে আরও আড়াই লাখ টাকা তাদের হাতে দেয়। কিন্তু রাকিব-সাকিবসহ তরুণরা আরও টাকা দাবি করতে থাকে। ওই কিশোর আর টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গত বুধবার স্কুলছুটির পর তাকে ছোরার ভয় দেখিয়ে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে নেয়।
কিশোরের মা রোজিনা আক্তার বলেন, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আমাকে একজন ফোন করে বলে, তোমার ছেলে আমাদের কাছে আছে, ৪০ হাজার টাকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে, না হলে জবাই করে মেরে ফেলা হবে। আমি বললাম, আমার ছেলে কোথায় আছে বল, তোমরা ওর কোনো ক্ষতি করবে না, আমি টাকা দেব। তারা জানায়, সিআরবিতে আছে। আমি টাকা নিয়ে আসছি বলার পর লাইন কেটে দেয়। কিছুক্ষণ পর আবার ফোন করে বলে, ৩০ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাতে। আমি কোনোভাবেই বিকাশে টাকা পাঠাতে রাজি হইনি।
তারা আমার ছেলেকে খুন করবে, কিডনি বিক্রি করে দেবে বলে আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। ততক্ষণে আমি টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যাই। টেক্সিতে করে সিআরবি যাবার পথে আবার ফোন আসে। তারা আমাকে পাহাড়তলী চালের গুদামের গলিতে যেতে বলে। আমি সেখানে গিয়ে দেখি, রাকিব আমার ছেলেকে ধরে দাঁড়িয়ে আছে। আমি রাকিবকে চিনতে পারি। তাকে আমি একটা থাপ্পড় দিই। তখন সেখানে লোকজন জড়ো হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সাকিব আসে। পুলিশও আসে। সেখান থেকে রাকিব-সাকিবকে নিয়ে যায় পুলিশ।
নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) নিহাদ আদনান তাইয়ান বলেন, অপহরণের ঘটনা জানার পর কিশোরের মা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে। আমরাও কিশোরকে উদ্ধারে নেমে পড়ি। এলাকার যে তরুণরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা বুঝতে পারেনি সেটা এতদূর গড়াবে। তারা একপর্যায়ে কিশোরকে মায়ের হাতে তুলে দেয়। আমরা তখন তাদের গ্রেফতার করি। আসলে রাকিব ও সাকিব এ ঘটনার মাস্টারমাইন্ড। বাকি তিন তরুণ তাদের সহযোগিতা করেছে বলে আমাদের তথ্য দিয়েছে। উঠতি বয়সের এসব তরুণ এলাকায় ছোটখাট নানা ধরনের অপরাধে জড়িত।
বাসা থেকে সোনার গহনা ও টাকা চুরি হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন কি না, এ প্রশ্নের জবাবে কিশোরের রোজিনা আক্তার বলেন, যখন আমার ছেলে বাসার আলমিরা থেকে আড়াই লাখ টাকা ও প্রায় দেড় লাখ টাকার গহনা নিয়ে যায়, তখন আমি বাসায় ছিলাম না। আমার মা মারা যাওয়ায়, আমি মায়ের বাড়িতে ছিলাম। সপ্তাহখানেক আগে আমি টাকা নিতে গিয়ে দেখি, সেগুলো নেই। আমার গহনাও নেই। তখন আমি বিষয়টি আমার স্বামীকে জানাই। এটা নিয়ে আমার পরিবারে অনেক অশান্তি হয়। পরে আমার ছেলে ঘটনা আমাদের খুলে বলে।
কিশোরের বাবা পোশাক কারখানার কর্মকর্তা মো. মুরাদ বলেন, আমার দুই ছেলে। আমার স্ত্রী সংসার খরচের টাকা থেকে অনেক কষ্ট করে অল্প অল্প করে কিছু টাকা জমিয়েছিল। রাকিব আমাদের বলেছে, সে এবং সাকিব মিলে গহনাগুলো বিক্রি করে দিয়েছে। নগদ আড়াই লাখ টাকাও তারা পাঁচজন মিলে ভাগ করে নিয়েছে। গ্রেফতার পাঁচ তরুণকে কিশোরের মা রোজিনা আক্তারের দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ পুলিশ কমিশনার নিহাদ আদনান তাইয়ান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. সফি উল্যাহ চৌধুরী (৭০) নামে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নূর নবী (৬০)। এ ঘটনায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নূর নবী ও তার ভাই-বোনেরা পৈত্রিক সূত্রে ১৩ নম্বর চরপার্বতী মৌজার সিএস ৯৯১ নম্বর খতিয়ানের ১২০৮ নম্বর দাগে নকশা অনুযায়ী ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ জমির মধ্যে পাঁচ শতাংশের মালিক ও দখলদার। দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের করালিয়া এলাকায় ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে সফি উল্যাহ চৌধুরী অজ্ঞাতনামা দুই-তিনজনকে নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জমিতে থাকা দোকান ঘর ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন। পরে সেখানে মাটি ভরাট করে চলাচলের রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।

এতে নূর নবী ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং মারধরের জন্য তেড়ে আসেন। একই সঙ্গে রাস্তা নির্মাণের কাজে বাধা দিলে মারধরের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় সংঘর্ষ ও শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছেন অভিযোগকারী।

নূর নবী বলেন, তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের উদ্দেশ্যে বসতবাড়ি ও সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে জানানোর পর তাদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে সফি উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘সেটি প্রমাণের জন্য আমি আমার প্রতিনিধির মাধ্যমে ওসির কাছে উপস্থাপন করব।’
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন অনেক অভিযোগ জমা পড়ে। লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ