উল্লাপাড়ায় শতভাগ ফেল করা ৪টি মাদ্রাসাকে কারন দর্শানোর নোটিশ

মাসুদ রানা উল্লাপাড়া সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উল্লাপাড়া(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃসিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দাখিল পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা ৪টি মাদ্রাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।১৮ মে শনিবার সকালে এসব মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম শামছুল হক।

মাদ্রাসাগুলো হলো- এলংজানী দাখিল মাদ্রাসা, বগুড়া দাখিল মাদ্রাসা,বড় কোয়ালিবেড় দাখিল মাদ্রাসা ও হাজী আহমেদ আলী দাখিল মাদ্রাসা।

নোটিশে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টদেরকে আগামী ২৬ মে দুপুরের মধ্যে সশরীরে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হয়ে এ বছর দাখিল পরীক্ষায় কেন তাদের প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি তার লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বছর এলংজানী মাদ্রাসার ১২ জন, বগুড়া দাখিল মাদ্রাসার ১৫ জন,বড় কোয়ালিবেড় মাদ্রাসার ১২ জন ও হাজী আহমেদ আলী মাদ্রাসার থেকে ১৪ জন এবং বড় কোয়ালিবেড় মাদ্রাসা ১২ জন দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম শামছুল হক জানান, উল্লিখিত মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্টগণ সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

এদিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়া মাদ্রাসার সুপারদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের মাদ্রাসার অবস্থান। এসব এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক চেষ্টা করেও শ্রেণিকক্ষে আনা যায় না। অনেক শিক্ষার্থীই মাদ্রাসায় আসে না। লেখাপড়ার প্রতি তাদের কোনো আগ্রহ নেই। ফলে পরীক্ষার ফলাফলে এমন বিপর্যয় হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাটডাউন প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফিরতে চান শিক্ষার্থীরা, উপাচার্য ভবনে তালা বহালের ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) চলমান অচলাবস্থা নিরসন ও স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালুর লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় করবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গঠিত ছয় সদস্যের পরামর্শক কমিটি। দিনব্যাপী এসব বৈঠকে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের বক্তব্য ও মতামত শুনে সংকটের কারণ পর্যালোচনা এবং একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে শ্রেণিকক্ষে ফিরতে আগ্রহী শিক্ষার্থীরা সর্বাত্মক শাটডাউন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানালেও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। একই সঙ্গে নবনিযুক্ত উপাচার্যের প্রতি অসহযোগ কর্মসূচি বহাল রেখে একাডেমিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

ইউজিসির গত ২৫ অক্টোবর জারি করা মতবিনিময়সূচি অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত শিক্ষকদের সঙ্গে এবং বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিটি। এরপর বেলা ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কর্মকর্তা এবং বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। পৃথক এসব বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান পরিস্থিতি, প্রশাসনিক জটিলতা এবং শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকার প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য শোনার কথা রয়েছে।চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসন ও শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালুর লক্ষ্যে গত ১৯ অক্টোবর ছয় সদস্যের এ পরামর্শক কমিটি গঠন করে ইউজিসি।

কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুনকে। অন্য সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হক, চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউছুফ ইমাম চৌধুরী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুবুল হক পাটোয়ারী। ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির কার্যপরিধির মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল, প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ।

এদিকে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থায় শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়ার কথা জানিয়ে ক্লাসে ফেরার পরিবেশ সৃষ্টিতে শিক্ষকদের সহযোগিতা চেয়েছেন চুয়েটের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। গত ২৫ অক্টোবর শিক্ষকদের উদ্দেশে দেওয়া এক খোলা চিঠিতে তাঁরা জানান, দীর্ঘদিন ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় তাঁদের শিক্ষাজীবনে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে তাঁরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে চান। তবে ক্লাসে ফেরার সিদ্ধান্তকে আন্দোলন থেকে সরে আসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন তাঁরা।

শিক্ষা কার্যক্রম চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা, সেশনজটের শঙ্কা অচল চুয়েট, ৮৬৪ ক্লাস বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শুরু হওয়া অচলাবস্থার এক মাস পেরিয়েছে। সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের টানা আন্দোলনে স্থবির হয়ে আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উপাচার্য পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে এই অচলাবস্থায় আগামী ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা থাকলেও শিক্ষা কার্যক্রম চালু নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে বাতিল হয়েছে ৩৩টি পরীক্ষা ও ৮৬৪টি ক্লাস। সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করলেও এখনো কোনো বৈঠক হয়নি। এদিকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় অনড় রয়েছেন শিক্ষার্থীরা। নতুন উপাচার্যের ক্যাম্পাসে ফেরা এবং শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের বিষয়েও এখনো কোনো সমাধান আসেনি।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মাহমুদুল হক খন্দকার নিশ্চিত করেছেন, টানা আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদের ১২টি বিভাগে মোট ৩৩টি পরীক্ষা ও ৮৬৪টি নিয়মিত ক্লাস বাতিল হয়েছে। এতে সেশনজটের শঙ্কায় পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।
চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী অরিন্দম দাশ বলেন, এক মাস ধরে আন্দোলন চলছে, এখনো ওপর মহলের ঘুম ভাঙছে না। আমরা সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই। ক্লাসে ফিরতে চাই। পূজার ছুটিতে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে ক্যাম্পাস অনেকটাই ফাঁকা। আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে নিয়মিত কর্মদিবস শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা অনিশ্চতার মধ্যে রয়েছি।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে চুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে সে রাতেই বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় সর্বাত্মক ‘শাটডাউন’। পরে শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এই আন্দোলনে যুক্ত হয়ে কর্মবিরতিতে যান।

টানা অচলাবস্থার মধ্যে গত ১২ অক্টোবর তালা ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। এ সময় আন্দোলনকারীদের হাতে তিনি অবরুদ্ধ হন। প্রায় ৩৪ ঘণ্টা পর ১৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১৬ অক্টোবর অনলাইনে চুয়েটের ১৪৫তম জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ সদস্যের সিন্ডিকেটের মাত্র ছয়জনের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সংকট নিরসনে নিরপেক্ষ পরামর্শক কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ অক্টোবর ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক আবদুল্লাহ-আল-মামুনকে প্রধান করে ছয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে বুয়েট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি রাখা হলেও চুয়েটের কোনো শিক্ষককে রাখা হয়নি।কমিটি গঠনের কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো বৈঠক হয়নি। এ বিষয়ে জানতে কমিটির প্রধান অধ্যাপক আবদুল্লাহ-আল-মামুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ ইলাহী চৌধুরী বলেছেন, কমিটির আহ্বায়ক এখনো কোনো সভা ডাকেননি। সভা হলে বোঝা যাবে কী উপায়ে সংকট নিরসন হতে পারে। কমিটিতে চুয়েটের শিক্ষক না থাকার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘প্রয়োজন হলে কমিটিতে চুয়েটের কাউকে যুক্ত করে নেওয়া যেতে পারে।

যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট নিরসনে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কাউকে না রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চুয়েট শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সামিউন বাসির। অন্যদিকে পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেছেন, তারা আগের দাবিতেই অনড় আছেন এবং নতুন উপাচার্যের সঙ্গে কাজ করবেন না। তবে শিক্ষার্থীরা যাতে পিছিয়ে না পড়েন, সে জন্য আগামী রোববার ক্যাম্পাস খোলার পর শিক্ষকদের নিয়ে বসে ক্লাস-পরীক্ষা সচলের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ