এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে “খাদ্য অপচয় রোধ ও পুষ্টি সচেতনতা” শীর্ষক সেমিনার গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের আয়োজনে এবং হসপিটালিটি স্টুডেন্টস লিডারশিপ কাউন্সিল ( HSLC )—এর সহযোগিতায় আয়োজিত সেমিনারে এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—“আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ”

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সালেহ জহুর, অধ্যাপক ড. শওকতুল মেহের এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ড. হাসিনা আখতার লিপি, রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ এর ফুড অ্যান্ড বেভারেজ বিভাগের সহকারী পরিচালক গাজী মহিউদ্দিন এবং দ্য পেনিনসুলা চট্টগ্রামের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের প্রধান কামাল হোসেন।

সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল খাদ্য অপচয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহ প্রদান এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল ও টেকসই চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা। পাশাপাশি, আতিথেয়তা ও খাদ্যসেবা খাতে খাদ্য অপচয় কমানো এবং পুষ্টিসচেতনতা বৃদ্ধিতে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে সচেতনতামূলক আলোচনায় বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ হাসিনা আক্তার লিপি তাঁর আলোচনায় দেশিয় ফলমূল ও খাদ্যসামগ্রীর পুষ্টিগুণ এবং সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি গাজী মহিউদ্দিন তাঁর আলোচনায় হোটেলশিল্পে খাদ্যের গুণগত মান, পুষ্টিগুণ এবং তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। একইসঙ্গে, মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর আলোচনায় হোটেলশিল্পের কার্যকর পদ্ধতিগুলো দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে কীভাবে খাদ্য অপচয় রোধ করা সম্ভব, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।
সমাপণী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান আলোচকদের উপস্থাপিত বক্তব্যসমূহের ওপর বিশদ ও বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা প্রদান করেন এবং আলোচ্য বিষয়ের তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।











