এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফরিদপুরে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হলো নগরকান্দা উপজেলা নির্বাচন।উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের ৬৫ টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শেষ হয়। উপজেলায় মোট ভোটার সংক্ষ্যা ১লাখ ৬৯ হাজার ৪৯৭ জন।।এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৮ হাজার৭৪ জন,নারী ভোটার সংখ্যা ৮১ হাজার ৪ শত ২৩ জন।চেয়ারম্যান পদে দুইজন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। নগরকান্দায় উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী শাহ জামান বাবুল ( আনারস প্রতীক) নিয়ে ৩৭,২০০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে মনিরুজ্জামান সরদার ২৪,৪৩৬ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়।পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে (টিউবওয়েল প্রতীক) নিয়ে ২৬,৯১৮ পেয়ে বিজয়ী হয়েছে মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান, তার নিকটতম টিয়া পাখি প্রতীক মোঃ রাকিবুল লস্কার ১২,৩৯২ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছে। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেেন ২৫,৩৫৯ ভোট পেয়ে (হাঁস প্রতীক)শাহানা পারভীন মনি নির্বাচিত হয়েছেন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ফুটবল প্রতীক ২১,১৮৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।ফরিদপুর পুলিশ সুপার মোসের্দ আলমের দিক নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাচনী প্রতিটি কেন্দ্র ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা চাদরে ডাকা।

নগরকান্দা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল বলেন ফরিদপুর পুলিশ সুপার স্যারে দিকনির্দেশনায় নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছিল তৎপর যে কারনে কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তি পূর্নভাবে নির্বাচনী সকল প্রকার কার্যক্রম শেষ হয়।
উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাফী বিন কবির বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে একটি শান্তি পূর্নভাবে উপজেলা নির্বাচন শেষ করতে পেরেছি।


চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।







