আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

মদন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখারুল আলম খান আজাদ বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কদ্দুছ আনারস প্রতীকে ১০ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়েছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে এম এ সোহাগ মাইক প্রতীকে ৩২ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী শেখ বদরুল ইসলাম টিয়াপাখি প্রতীকে ১৮ হাজার ৩১ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইতি আক্তার ইভা ফুটবল প্রতীকে ২১ হাজার ৪৬৬ ভোপ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হাসনা চৌধুরী প্রজাপতি প্রতীকে ১৩ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন।

মদন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৫ জনই বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রার্থী ছিলেন সদ্য সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান (কাপ পিরিচ), উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কদ্দুছ (আনারস), উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন তালুকদার (মোটর সাইকেল), বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মমতাজ হুসেন চৌধুরী (হেলিকাপ্টার), উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিজাজুল হক চৌধুরী (দোয়াত কলম) ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখারুল আলম খাঁন চৌধুরী আজাদ (ঘোড়া)।

এর সাথে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ আহম্মেদ পাঠান (তালা), এম এ সোহাগ (মাইক), আলহাজ¦ শেখ বদরুল ইসলাম (টিয়াপাখি) ও মোঃ নূরুজ্জামান সুজন (চশমা)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ রিনা তালুকদার (হাঁস), ইতি আক্তার ইভা (ফুটবল), মোসাঃ তাজমহল আক্তার দোলেনা (কলসি), হাসনা চৌধুরী (প্রজাপতি)।

মদন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মদন উপজেলায় মোট ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ৫১টি ভোট কেন্দ্র ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৭০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৭ হাজার ২৪০ জন, মহিলা ভোটার ৬৪ হাজার ৪৬৫ জন ও তৃতীয় লিঙ্গে ৭ জন ভোটার রয়েছে। ৫৭ হাজার ৭৮৬ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০৭ টি ভোট বাতিল হয়।

মদন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হামিদ ইকবাল জানান, মদন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইফতেখারুল আলম খান চৌধুরী আজাদ ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে এম এ সোহাগ মাইক প্রতীকে ৩২ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইতি আক্তার ইভা ফুটবল প্রতীকে ২১ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভায় ইইউ প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা’ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক সুসানে গিয়েন্ডল ও ম্লাদেন কোবাসেভিচ।

প্রেস ক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য সালেহ নোমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নির্বাচনী সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি জেনারেল ওসমান গণি মনসুর, প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।

সভায় ওসমান গণি মনসুর আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ পক্ষে সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি বড় অংশ বিদেশী শক্তির প্ররোচণায় ভোট না দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অতীতের মতো এবারও নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থের প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা রয়েছে। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার শাহাবুদ্দিনে সময়কার নির্বাচন ব্যবস্থার প্রশংসা করে ওসমান গণি মনসুর বলেন, সে নির্বাচনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এবারও একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, গত ১৬ বছরে দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের বাইরে রেখে ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই সময় মধ্যরাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছিল, এমনকি মৃত ব্যক্তিদের ভোটও ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়া, সভায় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি ডেইজি মওদুদ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, প্রেস ক্লাবের সদস্য মুহাম্মদ আজাদ, ফারুক মনির, কিরণ শর্মা, মনিরুল ইসলাম পারভেজ, এম কে মনির, জায়েদ তালুকদার, তানভীন আহমেদ, মাসুদ পারভেজ, ওসমান সরোয়ার, হারুন-অর রশিদ, আজিজা হক পায়েল সহ আরও অনেকে।

প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না : সাঈদ আল নোমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেছেন, রাজনীতি শুধু নেতৃত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের জন্য কী উপকারী, কোন উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে-তা ভেবে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করাই সংসদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তিনি বলেণ, নিজের জীবন, পরিবার, চিন্তা-ভাবনা এবং সম্পদের বড় একটি অংশ ব্যয় করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। এটিকে নিজের সেবামূলক জীবনের প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে দেখি। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের পিতা আব্দুল্লাহ আল নোমানের উন্নয়নমূলক অবদানের কথা তুলে ধরে সাঈদ আল নোমান বলেন, তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে কর্ণফুলী তৃতীয় সেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড প্রতিষ্ঠা, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানে চার শহীদের স্মরণে কলেজ প্রতিষ্ঠা এবং ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়-যা একটি মুরগির খামার থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেয়। এ ছাড়া স্টেডিয়াম উন্নয়ন, জমিয়াতুল ফালাহ ও বিমানবন্দর সম্প্রসারণে কাজের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাঈদ আল নোমান বলেন, আমার পিতা শুধু গণমানুষের নেতা ছিলেন না, নীরবে উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন।এখন সময় এসেছে, নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় কার্যকর অবদান রাখার যোগ্যতা ও সম্ভাবনা নিয়ে ভাবার।

চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সাঈদ আল নোমান বলেন, জেনারেল হাসপাতালের সক্ষমতা বর্তমানে খুবই সীমিত। এটিকে আধুনিক ও কার্যকর করে তোলার পাশাপাশি মেডিক্যাল কলেজে রূপান্তরের প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম-১০ আসনের পাহাড়তলী, খুলশী ও হালিশহর এলাকায় সরকারি হাসপাতালের ঘাটতি প্রকট। খুলশীতে কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও হালিশহর ও পাহাড়তলীতে কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই।তিনি আরও বলেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষ উন্নত বেসরকারি শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারে না।

ফলে চিকিৎসাসেবাকে অবশ্যই রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবেচনা করতে হবে। বড় পরিসরে সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এই খাতে টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।তিনি হালিশহর ও পাহাড়তলী এলাকায় বৃহৎ পরিসরে সরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার আহ্বান জানান।তাঁর মতে, এতে শুধু একটি এলাকা নয়, পুরো চট্টগ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।

আলোচিত খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে অনুমোদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ – ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় এতে অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর প্রেস রিলিজে বলা হয় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এইপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ