মদন উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখারুল আলম খান আজাদ বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল কদ্দুছ আনারস প্রতীকে ১০ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়েছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে এম এ সোহাগ মাইক প্রতীকে ৩২ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী শেখ বদরুল ইসলাম টিয়াপাখি প্রতীকে ১৮ হাজার ৩১ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইতি আক্তার ইভা ফুটবল প্রতীকে ২১ হাজার ৪৬৬ ভোপ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী হাসনা চৌধুরী প্রজাপতি প্রতীকে ১৩ হাজার ৩১০ ভোট পেয়েছেন।

মদন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন প্রার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৫ জনই বীর মুক্তিযোদ্ধা। প্রার্থী ছিলেন সদ্য সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান (কাপ পিরিচ), উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কদ্দুছ (আনারস), উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন তালুকদার (মোটর সাইকেল), বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ মমতাজ হুসেন চৌধুরী (হেলিকাপ্টার), উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মিজাজুল হক চৌধুরী (দোয়াত কলম) ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ইফতেখারুল আলম খাঁন চৌধুরী আজাদ (ঘোড়া)।

এর সাথে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজ আহম্মেদ পাঠান (তালা), এম এ সোহাগ (মাইক), আলহাজ¦ শেখ বদরুল ইসলাম (টিয়াপাখি) ও মোঃ নূরুজ্জামান সুজন (চশমা)।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোছাঃ রিনা তালুকদার (হাঁস), ইতি আক্তার ইভা (ফুটবল), মোসাঃ তাজমহল আক্তার দোলেনা (কলসি), হাসনা চৌধুরী (প্রজাপতি)।

মদন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মদন উপজেলায় মোট ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ৫১টি ভোট কেন্দ্র ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৩১ হাজার ৭০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৭ হাজার ২৪০ জন, মহিলা ভোটার ৬৪ হাজার ৪৬৫ জন ও তৃতীয় লিঙ্গে ৭ জন ভোটার রয়েছে। ৫৭ হাজার ৭৮৬ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০৭ টি ভোট বাতিল হয়।

মদন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হামিদ ইকবাল জানান, মদন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইফতেখারুল আলম খান চৌধুরী আজাদ ঘোড়া প্রতীকে ১৮ হাজার ৬৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে এম এ সোহাগ মাইক প্রতীকে ৩২ হাজার ৫৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইতি আক্তার ইভা ফুটবল প্রতীকে ২১ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ