আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান নাজিম মুহুরীর দক্ষিণ ফটিকছড়িতে শুভেচ্ছা বিনিময়

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সদ্য সমাপ্ত ৬ষ্ঠ ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্রবীণ ছাত্রনেতা নাজিম উদ্দীন মুহুরী। এই নির্বাচনে নবীন আর প্রবীণে তুুমুল লড়াইয়ে নাজিম মহুরীর জয় হয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল সিয়ানে সিয়ানে। প্রতিপক্ষ ছিল তরুণ প্রজন্মের আওয়ামী লীগ নেতা বখতিয়ার সাইদ ইরান। পক্ষে ছিল সাবেক সকল ছাত্র নেতাদের অকুণ্ঠ সমর্থন। ১৮/২০ দিনের প্রচরণায় ছিল প্রচুর ব্যস্ততা। দুই পক্ষে র দিন রাত এক হয়ে যায় প্রচার প্রচরণায়। পথসভা গণসংযোগ সিডিউল আকারে চলতে থাকে। একঘন্টা যেন একদিন হয় প্রার্থীর জন্য।  উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্য দিয়ে ঘনিয়ে আসে নির্বাচন। ফটিকছড়ি প্রশাসন নজীর বিহীন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচন সুন্দর ও সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সফল হয়।  নির্বাচন কর্মকর্তাদের আচরণ বিধি লঙ্ঘন নিয়ে জরিমানা করার বিষয়টি ছিল চোখে পরার মত। এক প্রার্থীর পক্ষে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ায় নির্বাচনে আগ মূহুর্তে দুই প্রধান শিক্ষক কে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেন উপজেলা নির্বাচনী প্রধান কর্মকর্তা।
শেষতক, সকল উদ্বেগ উৎকন্ঠা পেরিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে শেষ হয়ে বর্তমানে উপজেলায় সুন্দর ও শান্তিময় পরিবেশ বজায় আছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেওয়া নাজিম উদ্দীন মুহুরী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করে আগামী ৫ বছরের জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। বখতিয়ার সাইদ ইরান নির্বাচনে এই প্রথম হলেও মহুরীর জন্য এটি ছিল দ্বিতীয় উপজেলা নির্বাচন। এর আগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদেও নির্বাচন করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন সেহেতু তার অভিজ্ঞতার ঝুলিতে অভিজ্ঞতা যথেষ্ট রয়েছে। পক্ষান্তরে ইরান জাতীয় নির্বাচনে প্রচার প্রচরণায় অংশ নিলেও মাঠ পর্যায়ে সবকিছু অবগত নয়। সেহেতু প্রথম বার নির্বাচন হিসেবে অভিজ্ঞতার বেশ ঘাটতি ছিল। বিজয়ী প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা নাজিম উদ্দীন মুহুরী
বিজয় হওয়ার পর হতে তার গ্রামের বাড়িতে চলতেছে উৎসবের আমেজ। দিন রাত বিভিন্ন এলাকা হতে নেতা কর্মীরা সমর্থকরা দলে দলে ছুটছেন তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য। গ্রামের বাড়ি লেলাং ইউনিয়নে চলছে আনন্দের মেলা। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ জেলা ও উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বড় নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ফটিকছড়ির মাননীয় এম পি খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সাথে এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এটি এম পেয়ারুল ইসলামের সাথেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সাবেক মেয়র আ জ ম নাছিরের সাথেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর তিনি নির্বাচনী এলাকা ফটিকছড়ি দক্ষিণ অঞ্চলের জনগণের সাথে বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। গত ১ জুন তিনি নানুপুর, বখতপুর, ধর্মপুর, জাফতনগর,সমিতির হাট,আবদুল্লাহপুর সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাধারণ জনগনের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নির্বাচন পরবর্তী খোঁজ খবর নেন। এই সময় অসংখ্য সাধারণ মানুষ বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তাকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই সময় বলেন, এটি আমার জয় নয় এটি সাধারণ জনগনের জয়। সাধারণ মানুষ আমার সাথে ছিল বলে আমি আজকে জয়ী হয়েছি। সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ভয় ভীতি, বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন। আমি আপনাদের ভালবাসার প্রতিদান কোনোদিন দিতে পারবনা। শুধু এইটুকু বলব আপনারা যখনই আমাকে ডাক দিবেন তখনই আপনারা আমাকে কাছে পাবেন ইনশাআল্লাহ। উন্নয়নের ব্যাপারে আপনারা আমাকে সহযোগিতা করলে ইনশাআল্লাহ আমি ফটিকছড়ি উপজেলাকে আধুনিক ও স্মার্ট ফটিকছড়িতে রুপান্তর করতে সক্ষম হব। নির্বাচন পরবর্তী সাধারণ জনগনের
এই ধরনের খোঁজ খবর নেওয়াকে জনগণ ইতিবাচক বলে মন্তব্য করতেছেন। তিনি ফটিকছড়ির জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন,আমি আপনাদের সন্তান, ফটিকছড়ির সন্তান।  আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি, থাকব শুধু আপনারা দোয়া করবেন। তিনি বলেন, আমরা সবাই একই ঘরনার লোক একই ঘরনার মানুষ। কেউ কারো সাথে হিংসা বিদ্বেষ না রেখে কাদে কাদ মিলিয়ে ফটিকছড়ির উন্নয়নের সব ভুলে গিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে চলব। তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর হতে প্রতিটি মুহুর্ত হবে ফটিকছড়ি জনগণের জন্য নিবেদিত।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিপদে ফেলে গেছে সমর্থকদের, নির্দোষদের পাশে আছে বিএনপি: ফখরুল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সমর্থকদের বিপদে ফেলে গেছেন, তাদের মধ্যে যারা অন্যায় করেনি, বিএনপি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, এ কথা বলেছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) নিজ আসনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা আর কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ওই ফ্যাসিস্ট, হাসিনার লোকেরা, পুলিশ, প্রশাসন। এবার একটা সঠিক ভোট হবে বলে আশা করছি আমরা। অর্থাৎ যার ভোট, সে দিতে পারবে। যাকে খুশি তাকে দিতে পারবে।

তিনি বলেন, এবারের ভোটটা একটু অন্যরকম হচ্ছে। অন্যান্যবার এলাকায় আমার খালি দৌড়াদৌড়ি করি, নৌকা আর ধানের শীষ, নৌকা আর ধানের শীষ। এবার তো নৌকা নাই, নৌকা এবার পালাইছে। চলে গেছে হাসিনা, যারা সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সে বিপদ থেকে তাদের পাশে দাঁড়াইছি।

যারা অন্যায় করেছে তাদের জন্য শাস্তি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, আমরা হিন্দু ভাইদের বলছি, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না, আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যারা অন্যায় করছে তাদের জন্য শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদের আমরা আমাদের বুকের মধ্যে রেখে দেবো।
তিনি শেষে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে ধানের শীর্ষে ভোট চান বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জনগণ গণতন্ত্রের পথে যাবে : আমীর খসরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ওপর আস্থা রেখে নির্বাচন করা ভালো। সব ধরনের খুটিনাটি নিয়ে, প্রপাগান্ডা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার যে প্রক্রিয়া সে পথে তো জনগণ যাবে না, জনগণ যাবে গণতন্ত্রের পথে। তারা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন এবং সে পথেই চলছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং দক্ষিণ মধ্য হালিশহর ওয়ার্ডের সল্ট গোলা ক্রসিং থেকে নিশ্চিন্তপাড়া ওয়ার্ড অফিস মাইজপাড়া, ১ নং সাইট, হিন্দু পাড়া, বাকের আলি ফকির টেকসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি ১২ তারিখ ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।আমীর খসরু বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনে ছোটখাটো কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটার জন্য বা এটার অর্থ এই নয় যে নির্বাচনে লেভেল ফিল্ড নেই। সব জায়গায় সব সময় সারা বিশ্বে ঘটে থাকে ছোটখাটো ঘটনা। এটার জন্য নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা অর্থাৎ যারা নির্বাচন চায় না তারা এই কাজগুলো এই কথাগুলো বলে।কিছু ছোটখাটো ঘটনা, এটা সারা বিশ্বে ঘটছে, এটা বাংলাদেশেও ঘটেছে। জনগণের সমর্থনে এ নির্বাচন হচ্ছে। এটা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই নির্বাচনে তার মালিকানা ফিরে পেতে চায় মানুষ।

তারা নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দেখতে চায়, যারা তাদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে, জবাবদিহি থাকবে। সে অপেক্ষায় তারা আছে। এটাকে বাধাগ্রস্ত করতে যারাই যাবে তারা নিজেরাই বাধাগ্রস্ত হবে। তাদের রাজনৈতিক কোনো ভবিষ্যৎ থাকবে না। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী হানিফ সওদাগর প্রমুখ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ